০২:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • 116

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

ধর্মগুরু হিউএনচাঙ যখন যাত্রা করেন তখন তাঁর বয়স ছিল আঠাশ বৎসর। তিনি সুশ্রী, দীর্ঘকায় ছিলেন। তাঁর চোখ উজ্জ্বল, চলন ধীর গম্ভীর, মুখশ্রী মনোহর ও বুদ্ধিমণ্ডিত ছিল। তাঁর স্বভাবে যে পৌরুষ ও নম্রতার সমাবেশ ছিল তা তাঁর পর্যটনের নানা ঘটনা থেকে প্রকাশ পায়। তাঁর কণ্ঠস্বর পরিষ্কার ও বহুদূরপ্রসারী ছিল।

কথাবার্তাও মহিমাব্যঞ্জক ও মধুর, সুতরাং শ্রোতাদের চিত্তাকর্ষক ছিল। পাতলা সুতার ঢিলা পোশাক ও কোমরে চওড়া কটিবন্ধ ধারণ করায় তাঁকে পণ্ডিতের মতই দেখাত। কনফুসীয়সুলভ সাধারণ বুদ্ধি, বিজ্ঞতা, প্রাত্যহিক জীবনের উপযোগী সাবধানতা ও স্থির মতির সঙ্গে বৌদ্ধ সদয়ভাবের সংমিশ্রণ তাঁর স্বভাবে ছিল।

যার-তার সঙ্গে বন্ধুতা করতেন না, কিন্তু বন্ধুতা রক্ষা করবার জন্যে যে সাবধানতা প্রয়োজন তা তাঁর যথেষ্ট ছিল। স্থৈর্য, মানসিক সাম্যভাব আর করুণা তাঁর স্বভাবে প্রকাশ পেত। ক্রমশ তিনি চীনের পর্বতসংকুল পশ্চিমপ্রান্তে (আধুনিক কানসু প্রদেশে) লিআং চাউ সহরে উপনীত হলেন।

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

হিউএনচাঙ (পর্ব-১০)

০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

ধর্মগুরু হিউএনচাঙ যখন যাত্রা করেন তখন তাঁর বয়স ছিল আঠাশ বৎসর। তিনি সুশ্রী, দীর্ঘকায় ছিলেন। তাঁর চোখ উজ্জ্বল, চলন ধীর গম্ভীর, মুখশ্রী মনোহর ও বুদ্ধিমণ্ডিত ছিল। তাঁর স্বভাবে যে পৌরুষ ও নম্রতার সমাবেশ ছিল তা তাঁর পর্যটনের নানা ঘটনা থেকে প্রকাশ পায়। তাঁর কণ্ঠস্বর পরিষ্কার ও বহুদূরপ্রসারী ছিল।

কথাবার্তাও মহিমাব্যঞ্জক ও মধুর, সুতরাং শ্রোতাদের চিত্তাকর্ষক ছিল। পাতলা সুতার ঢিলা পোশাক ও কোমরে চওড়া কটিবন্ধ ধারণ করায় তাঁকে পণ্ডিতের মতই দেখাত। কনফুসীয়সুলভ সাধারণ বুদ্ধি, বিজ্ঞতা, প্রাত্যহিক জীবনের উপযোগী সাবধানতা ও স্থির মতির সঙ্গে বৌদ্ধ সদয়ভাবের সংমিশ্রণ তাঁর স্বভাবে ছিল।

যার-তার সঙ্গে বন্ধুতা করতেন না, কিন্তু বন্ধুতা রক্ষা করবার জন্যে যে সাবধানতা প্রয়োজন তা তাঁর যথেষ্ট ছিল। স্থৈর্য, মানসিক সাম্যভাব আর করুণা তাঁর স্বভাবে প্রকাশ পেত। ক্রমশ তিনি চীনের পর্বতসংকুল পশ্চিমপ্রান্তে (আধুনিক কানসু প্রদেশে) লিআং চাউ সহরে উপনীত হলেন।

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯)