০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শূন্য পাতার ভয় কাটিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় গাইডেড জার্নালের উত্থান জাপানে সার সংকটের আশঙ্কা, বাড়ছে কৃষি ব্যয় স্ট্রিমিংয়ে রাজত্ব, কনসার্টে শূন্যতা? দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংগীত বাজারে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ধাঁধা ইউরোপের নতুন বার্তা: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এগোতে চায় মিত্ররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি: ভবিষ্যতের শক্তি নির্ধারণ করবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, চাপে নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের চার দেশ তিন চাকার যানবাহন মহাসড়কে নয়, আসছে কঠোর নীতিমালা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 133

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এখানে দেখা যাচ্ছে যে একই সংখ্যা কিন্তু নাম সংখ্যার প্রয়োগ দুটি ভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে। এবং এতে শ্লোকের মাধুর্য্যের বা অর্থের কোন ক্ষতি হয় নি।কোন কোন তন্ত্রগ্রন্থে যেমন মেরুতন্ত্র প্রভৃতিতে স্থানীয় মান সহকারে নাম সংখ্যার উল্লেখ আছে। যেমন গোত্রী-৩৯, একচতুঃ-৪১, দ্বিচতু-৪২, বেদবেদ- ৪৪, সায়ককৃত ৪৫ প্রভৃতি।

উৎপলভট্ট বৃহজ্জাতকবিবৃতিতে মনিখের গ্রন্থ থেকে যে কয়টি উক্তি তুলে ধরেছিলেন তার মধ্যে কিছু উক্তিতে স্থানীয়মান সহকারে নামসংখ্যার প্রয়োগ দেখতে পাওয়া যায়। যেমন নবরূপা (১৯,) শরযমলা (২৫,) স্তিতয়ো (১৫,) হর্কা (১২,) পঞ্চরূপকাঃ (১৫,) ক্রমশঃরূপযমা (২১) রুতিসংখ্যাঃ সূৰ্য্যাদীনাং স্বতুঙ্গভেষন্দাঃ।

জীবশর্মার কিছু উক্তিও বৃহচ্ছাতকের মধ্যে উৎপলভটু উল্লেখ করেছেন। সেখানেও স্থানীয় মান সহকারে নামসংখ্যার ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। যেমন সপ্তদশৈ (১৭) কো (১) দ্বিযমৌ (২২) বসবো (১৮) বেদাগ্রয়ো (৭৩৪) গ্রহেন্দ্রানাম।

কখনও কখনও ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে নামসংখ্যা ও শব্দ সংখ্যা একই সঙ্গে উল্লেখিত হতে যায়। যেমন কৃতবসুনবাষ্টনবনবষটত্রিনবাগেন্দবে। ১৭৯৩৬৯৯৮৯৮৪, সপ্তশূন্যং স্বয়ং দ্বয়ং পঞ্চৈকক প্রতিষ্ঠিতম্-১৫২২০৭। ভগ্নাংশকেও অনেক ক্ষেত্রে নাম সংখ্যার সাহায্যে উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন শফ, কুষ্ঠ টুই, কলাইন্ড, পাদ-প্রভৃতি।

(চলবে)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৮)

০৭:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এখানে দেখা যাচ্ছে যে একই সংখ্যা কিন্তু নাম সংখ্যার প্রয়োগ দুটি ভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে। এবং এতে শ্লোকের মাধুর্য্যের বা অর্থের কোন ক্ষতি হয় নি।কোন কোন তন্ত্রগ্রন্থে যেমন মেরুতন্ত্র প্রভৃতিতে স্থানীয় মান সহকারে নাম সংখ্যার উল্লেখ আছে। যেমন গোত্রী-৩৯, একচতুঃ-৪১, দ্বিচতু-৪২, বেদবেদ- ৪৪, সায়ককৃত ৪৫ প্রভৃতি।

উৎপলভট্ট বৃহজ্জাতকবিবৃতিতে মনিখের গ্রন্থ থেকে যে কয়টি উক্তি তুলে ধরেছিলেন তার মধ্যে কিছু উক্তিতে স্থানীয়মান সহকারে নামসংখ্যার প্রয়োগ দেখতে পাওয়া যায়। যেমন নবরূপা (১৯,) শরযমলা (২৫,) স্তিতয়ো (১৫,) হর্কা (১২,) পঞ্চরূপকাঃ (১৫,) ক্রমশঃরূপযমা (২১) রুতিসংখ্যাঃ সূৰ্য্যাদীনাং স্বতুঙ্গভেষন্দাঃ।

জীবশর্মার কিছু উক্তিও বৃহচ্ছাতকের মধ্যে উৎপলভটু উল্লেখ করেছেন। সেখানেও স্থানীয় মান সহকারে নামসংখ্যার ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। যেমন সপ্তদশৈ (১৭) কো (১) দ্বিযমৌ (২২) বসবো (১৮) বেদাগ্রয়ো (৭৩৪) গ্রহেন্দ্রানাম।

কখনও কখনও ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে নামসংখ্যা ও শব্দ সংখ্যা একই সঙ্গে উল্লেখিত হতে যায়। যেমন কৃতবসুনবাষ্টনবনবষটত্রিনবাগেন্দবে। ১৭৯৩৬৯৯৮৯৮৪, সপ্তশূন্যং স্বয়ং দ্বয়ং পঞ্চৈকক প্রতিষ্ঠিতম্-১৫২২০৭। ভগ্নাংশকেও অনেক ক্ষেত্রে নাম সংখ্যার সাহায্যে উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন শফ, কুষ্ঠ টুই, কলাইন্ড, পাদ-প্রভৃতি।

(চলবে)