০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 117

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এখানে দেখা যাচ্ছে যে একই সংখ্যা কিন্তু নাম সংখ্যার প্রয়োগ দুটি ভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে। এবং এতে শ্লোকের মাধুর্য্যের বা অর্থের কোন ক্ষতি হয় নি।কোন কোন তন্ত্রগ্রন্থে যেমন মেরুতন্ত্র প্রভৃতিতে স্থানীয় মান সহকারে নাম সংখ্যার উল্লেখ আছে। যেমন গোত্রী-৩৯, একচতুঃ-৪১, দ্বিচতু-৪২, বেদবেদ- ৪৪, সায়ককৃত ৪৫ প্রভৃতি।

উৎপলভট্ট বৃহজ্জাতকবিবৃতিতে মনিখের গ্রন্থ থেকে যে কয়টি উক্তি তুলে ধরেছিলেন তার মধ্যে কিছু উক্তিতে স্থানীয়মান সহকারে নামসংখ্যার প্রয়োগ দেখতে পাওয়া যায়। যেমন নবরূপা (১৯,) শরযমলা (২৫,) স্তিতয়ো (১৫,) হর্কা (১২,) পঞ্চরূপকাঃ (১৫,) ক্রমশঃরূপযমা (২১) রুতিসংখ্যাঃ সূৰ্য্যাদীনাং স্বতুঙ্গভেষন্দাঃ।

জীবশর্মার কিছু উক্তিও বৃহচ্ছাতকের মধ্যে উৎপলভটু উল্লেখ করেছেন। সেখানেও স্থানীয় মান সহকারে নামসংখ্যার ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। যেমন সপ্তদশৈ (১৭) কো (১) দ্বিযমৌ (২২) বসবো (১৮) বেদাগ্রয়ো (৭৩৪) গ্রহেন্দ্রানাম।

কখনও কখনও ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে নামসংখ্যা ও শব্দ সংখ্যা একই সঙ্গে উল্লেখিত হতে যায়। যেমন কৃতবসুনবাষ্টনবনবষটত্রিনবাগেন্দবে। ১৭৯৩৬৯৯৮৯৮৪, সপ্তশূন্যং স্বয়ং দ্বয়ং পঞ্চৈকক প্রতিষ্ঠিতম্-১৫২২০৭। ভগ্নাংশকেও অনেক ক্ষেত্রে নাম সংখ্যার সাহায্যে উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন শফ, কুষ্ঠ টুই, কলাইন্ড, পাদ-প্রভৃতি।

(চলবে)

 

 

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৮)

০৭:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এখানে দেখা যাচ্ছে যে একই সংখ্যা কিন্তু নাম সংখ্যার প্রয়োগ দুটি ভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে। এবং এতে শ্লোকের মাধুর্য্যের বা অর্থের কোন ক্ষতি হয় নি।কোন কোন তন্ত্রগ্রন্থে যেমন মেরুতন্ত্র প্রভৃতিতে স্থানীয় মান সহকারে নাম সংখ্যার উল্লেখ আছে। যেমন গোত্রী-৩৯, একচতুঃ-৪১, দ্বিচতু-৪২, বেদবেদ- ৪৪, সায়ককৃত ৪৫ প্রভৃতি।

উৎপলভট্ট বৃহজ্জাতকবিবৃতিতে মনিখের গ্রন্থ থেকে যে কয়টি উক্তি তুলে ধরেছিলেন তার মধ্যে কিছু উক্তিতে স্থানীয়মান সহকারে নামসংখ্যার প্রয়োগ দেখতে পাওয়া যায়। যেমন নবরূপা (১৯,) শরযমলা (২৫,) স্তিতয়ো (১৫,) হর্কা (১২,) পঞ্চরূপকাঃ (১৫,) ক্রমশঃরূপযমা (২১) রুতিসংখ্যাঃ সূৰ্য্যাদীনাং স্বতুঙ্গভেষন্দাঃ।

জীবশর্মার কিছু উক্তিও বৃহচ্ছাতকের মধ্যে উৎপলভটু উল্লেখ করেছেন। সেখানেও স্থানীয় মান সহকারে নামসংখ্যার ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। যেমন সপ্তদশৈ (১৭) কো (১) দ্বিযমৌ (২২) বসবো (১৮) বেদাগ্রয়ো (৭৩৪) গ্রহেন্দ্রানাম।

কখনও কখনও ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে নামসংখ্যা ও শব্দ সংখ্যা একই সঙ্গে উল্লেখিত হতে যায়। যেমন কৃতবসুনবাষ্টনবনবষটত্রিনবাগেন্দবে। ১৭৯৩৬৯৯৮৯৮৪, সপ্তশূন্যং স্বয়ং দ্বয়ং পঞ্চৈকক প্রতিষ্ঠিতম্-১৫২২০৭। ভগ্নাংশকেও অনেক ক্ষেত্রে নাম সংখ্যার সাহায্যে উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন শফ, কুষ্ঠ টুই, কলাইন্ড, পাদ-প্রভৃতি।

(চলবে)