০৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
নীলফামারীতে শিয়ালের হামলা: মাঠে কাজ করতে গিয়ে বৃদ্ধসহ আহত ৭, আতঙ্কে গ্রামবাসী হাওরে ত্রিমুখী সংকট: পানি, ঝড় আর শ্রমিকের চাপে ধান হারানোর শঙ্কায় কৃষক খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ: অস্ত্রোপচারের টেবিলে মদ্রিচ, অনিশ্চয়তায় ক্রোয়েশিয়ার পরিকল্পনা রূপপুরে ইউরেনিয়াম লোডিং শুরু, পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশের বড় পদক্ষেপ গার্হস্থ্য নির্যাতনের শিকারদের আত্মহত্যা বাড়ছে, উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা তনু হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দেশত্যাগের গুঞ্জনে যা বললেন ডা. কামদা প্রসাদ ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প, শান্তি আলোচনা অনিশ্চয়তায় তিন নম্বরে ব্যাটিংই পছন্দ শান্তর, কঠিন সময় পেরিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার গল্প      দক্ষিণ সুদানে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা, পাইলটসহ ১৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৮০)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 69

প্রদীপ কুমার মজুমদার

শূন্য, (বিন্দু) জলবিন্দু যেমন অতিক্ষুদ্র এবং নিরবয়ব। এতই ক্ষুদ্র যে শূন্য মনে হয়। হয়তো এ থেকেই শূন্য অর্থ বিন্দু ধরা হয়ে থাকে। শূন্যের পরিবর্তে দিব, আকাশ, অভাব, খ, অভ্র, নভঃ, ব্যোম, অম্বর, পুষ্কর, অনন্ত, জলধরপথ, গগন, বিয়ৎ, বিষ্ণুপদ, অন্তরীক্ষ, মরুৎপথ, প্রভৃতি নাম সংখ্যা ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন যে শূন্য ও বিন্দু কথাটির মধ্যে শূন্য কথাটিই প্রাচীন। কারণ শূন্য কথাটি পিঙ্গল ছন্দঃ সূত্রে, বাখশালীর পাণ্ডুলিপিতে, পঞ্চসিদ্ধান্তিকা প্রভৃতি গ্রন্থে দেখতে পাওয়া যায়।

খ. শব্দটি অগ্নি পুরাণে পাওয়া যায়। অবশ্য বরাহের বৃহজাতকে খ- ১০ ধরা হয়েছে। গর্গ মুনি খ-১০ ধরেছেন। শূন্যকে পূর্ণ বলেও লেখা হয়েছে অনেক জায়গায়। হয়তো আকাশ পূর্ণতার প্রতীক বলে শূক্তকে পূর্ণ বলা হয়েছে। এই প্রসদে শুরু যজুর্বেদের একটি শ্লোক ধরছি:

“ও পূর্ণমদঃ পূর্ণমিদং পূর্ণাৎ পূর্ণমুদচ্যতে

পূর্ণস্থ্য পূর্ণমাদায় পূর্ণমেবাবশিষ্যতে।

অমর সিংহ এবং হেমচন্দ্রের মতে শূন্যের নাম তুচ্ছ। অবশ্য ঋগ্বেদের এক জায়গায় বলা হয়েছে “তুচ্ছেনাভ, পিহিতং”।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৯)

নীলফামারীতে শিয়ালের হামলা: মাঠে কাজ করতে গিয়ে বৃদ্ধসহ আহত ৭, আতঙ্কে গ্রামবাসী

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৮০)

০৭:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

শূন্য, (বিন্দু) জলবিন্দু যেমন অতিক্ষুদ্র এবং নিরবয়ব। এতই ক্ষুদ্র যে শূন্য মনে হয়। হয়তো এ থেকেই শূন্য অর্থ বিন্দু ধরা হয়ে থাকে। শূন্যের পরিবর্তে দিব, আকাশ, অভাব, খ, অভ্র, নভঃ, ব্যোম, অম্বর, পুষ্কর, অনন্ত, জলধরপথ, গগন, বিয়ৎ, বিষ্ণুপদ, অন্তরীক্ষ, মরুৎপথ, প্রভৃতি নাম সংখ্যা ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন যে শূন্য ও বিন্দু কথাটির মধ্যে শূন্য কথাটিই প্রাচীন। কারণ শূন্য কথাটি পিঙ্গল ছন্দঃ সূত্রে, বাখশালীর পাণ্ডুলিপিতে, পঞ্চসিদ্ধান্তিকা প্রভৃতি গ্রন্থে দেখতে পাওয়া যায়।

খ. শব্দটি অগ্নি পুরাণে পাওয়া যায়। অবশ্য বরাহের বৃহজাতকে খ- ১০ ধরা হয়েছে। গর্গ মুনি খ-১০ ধরেছেন। শূন্যকে পূর্ণ বলেও লেখা হয়েছে অনেক জায়গায়। হয়তো আকাশ পূর্ণতার প্রতীক বলে শূক্তকে পূর্ণ বলা হয়েছে। এই প্রসদে শুরু যজুর্বেদের একটি শ্লোক ধরছি:

“ও পূর্ণমদঃ পূর্ণমিদং পূর্ণাৎ পূর্ণমুদচ্যতে

পূর্ণস্থ্য পূর্ণমাদায় পূর্ণমেবাবশিষ্যতে।

অমর সিংহ এবং হেমচন্দ্রের মতে শূন্যের নাম তুচ্ছ। অবশ্য ঋগ্বেদের এক জায়গায় বলা হয়েছে “তুচ্ছেনাভ, পিহিতং”।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৯)