১১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

হিউএনচাঙ (পর্ব-২০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 139

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

এরা যে ভাষা ব্যবহার করতেন, যে ভাষায় শত শত সংস্কৃত গ্রন্থ এঁরা অনুবাদ করেছেন সে ভাষা এখন মৃত (আধুনিক পণ্ডিতরা তার নাম দিয়েছেন তুষারীয় বা তুথারীয়)। ভাষাবিদ্রা যদিও এ ভাষা এখনো ভালো করে বুঝতে পারেন নি, তবুও যতটুকু বুঝতে পেরেছেন, তাতে মনে হয় যে, প্রাচীন ভারতীয় বা ইরানীয় কোনো ভাষারই সঙ্গে এর তত মিল নেই, যত মিল আছে পুরাতন ইটালিয়ান ও কেল্টিক ভাষার সঙ্গে।

তৃতীয় আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে যে, এদের একদিকে চীন অন্যদিকে (আল্টাইয়ে) তুরুস্ক হলেও এরা নিজেরা চীনাও ছিল না, তুরুস্কও ছিল না।দেওয়াল-পট ইত্যাদিতে অন্বিত মূর্তি থেকে বোঝা যায় যে, এরা আর্যজাতীয়ই ছিল, আর ইটালীয়ান ও কেল্টিক জাতির সঙ্গেই এদের আকৃতির বেশি সাদৃশ্য ছিল।

সপ্তম শতাব্দীতে এরা যে পরিচ্ছদ, আসবাব ব্যবহার করত, তার সঙ্গে ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ফ্রান্স ও জার্মানীর সাজসজ্জা, জীবনযাত্রার অদ্ভুত মিল দেখা যায়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৯)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

হিউএনচাঙ (পর্ব-২০)

০৯:০০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

এরা যে ভাষা ব্যবহার করতেন, যে ভাষায় শত শত সংস্কৃত গ্রন্থ এঁরা অনুবাদ করেছেন সে ভাষা এখন মৃত (আধুনিক পণ্ডিতরা তার নাম দিয়েছেন তুষারীয় বা তুথারীয়)। ভাষাবিদ্রা যদিও এ ভাষা এখনো ভালো করে বুঝতে পারেন নি, তবুও যতটুকু বুঝতে পেরেছেন, তাতে মনে হয় যে, প্রাচীন ভারতীয় বা ইরানীয় কোনো ভাষারই সঙ্গে এর তত মিল নেই, যত মিল আছে পুরাতন ইটালিয়ান ও কেল্টিক ভাষার সঙ্গে।

তৃতীয় আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে যে, এদের একদিকে চীন অন্যদিকে (আল্টাইয়ে) তুরুস্ক হলেও এরা নিজেরা চীনাও ছিল না, তুরুস্কও ছিল না।দেওয়াল-পট ইত্যাদিতে অন্বিত মূর্তি থেকে বোঝা যায় যে, এরা আর্যজাতীয়ই ছিল, আর ইটালীয়ান ও কেল্টিক জাতির সঙ্গেই এদের আকৃতির বেশি সাদৃশ্য ছিল।

সপ্তম শতাব্দীতে এরা যে পরিচ্ছদ, আসবাব ব্যবহার করত, তার সঙ্গে ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ফ্রান্স ও জার্মানীর সাজসজ্জা, জীবনযাত্রার অদ্ভুত মিল দেখা যায়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৯)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৯)