০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 136

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

রাজাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, প্রশংসা আর আশীর্বাদসূচক এক লম্বা বক্তৃতা করে ধর্মগুরু বিদায় নিলেন।এখান থেকে হিউএনচাঙের পথযাত্রার ধারা বদলে গেল। এতদিন তিনি চীনসম্রাটের আদেশের বিরুদ্ধে গোপনে রাজকর্মচারীদের ভয়ে ভয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন।

কারো কাছে সাহায্য পাবার দাবি ছিল না। তুরফানরাজার আশ্রয় ও সুপারিশপত্র পাওয়ায় তাঁর এই লাভ হল যে, তিনি শক্তিশালী পশ্চিম তুরুস্কদের আশ্রয় পাবার অধিকার পেলেন।

আর তুরফান থেকে হিন্দুকুশ পর্বত পর্যন্ত প্রদেশের শাসনকর্তা ছিলেন তুরুস্ক সম্রাটের ছেলে, যিনি আবার তুরফান রাজার জামাতা ছিলেন। কাজেই পথে রাজকর্মচারীদের ভয় আর রইল না।

যাত্রা করবার দিন তুরফানরাজ তাঁর সমস্ত সভাসদ, সব ভিক্ষুরা আর নগরের অধিকাংশ লোক নগরের বাইরে পর্যন্ত ধর্মগুরুর সঙ্গে গিয়ে বিদায় গ্রহণ করলেন। তুরফানরাজ সজলচোখে ধর্মগুরুর কাছে বিদায় নিলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৫)

০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

রাজাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, প্রশংসা আর আশীর্বাদসূচক এক লম্বা বক্তৃতা করে ধর্মগুরু বিদায় নিলেন।এখান থেকে হিউএনচাঙের পথযাত্রার ধারা বদলে গেল। এতদিন তিনি চীনসম্রাটের আদেশের বিরুদ্ধে গোপনে রাজকর্মচারীদের ভয়ে ভয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন।

কারো কাছে সাহায্য পাবার দাবি ছিল না। তুরফানরাজার আশ্রয় ও সুপারিশপত্র পাওয়ায় তাঁর এই লাভ হল যে, তিনি শক্তিশালী পশ্চিম তুরুস্কদের আশ্রয় পাবার অধিকার পেলেন।

আর তুরফান থেকে হিন্দুকুশ পর্বত পর্যন্ত প্রদেশের শাসনকর্তা ছিলেন তুরুস্ক সম্রাটের ছেলে, যিনি আবার তুরফান রাজার জামাতা ছিলেন। কাজেই পথে রাজকর্মচারীদের ভয় আর রইল না।

যাত্রা করবার দিন তুরফানরাজ তাঁর সমস্ত সভাসদ, সব ভিক্ষুরা আর নগরের অধিকাংশ লোক নগরের বাইরে পর্যন্ত ধর্মগুরুর সঙ্গে গিয়ে বিদায় গ্রহণ করলেন। তুরফানরাজ সজলচোখে ধর্মগুরুর কাছে বিদায় নিলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)