০৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সংকটে দিশেহারা দেশ: বাড়ছে খরচ, থমকে যাচ্ছে উৎপাদন বোনের মরদেহ কাঁধে ব্যাংকে হাজির ভাই, অর্থ তুলতে না পেরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ১৬০০ টাকা খরচ, বিক্রি ৬০০—হাওরে ধান নিয়ে কৃষকের হাহাকার সুপ্রিম কোর্টে বিক্ষোভ: মনোনয়ন বাতিলে ক্ষুব্ধ আইনজীবীদের মিছিল সাজা থেকে সওয়াল: রাজীব হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত পেরারিভালনের আইনজীবী হয়ে ওঠার গল্প হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অবরোধ দীর্ঘায়িতের প্রস্তুতি, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন চাপ ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে চার্লসের রসিকতা: ‘আমরা না থাকলে আপনারা আজ ফরাসি বলতেন’ চীনের বিশাল বায়োব্যাংক দৌড়, ওষুধ গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রকে টক্কর দেওয়ার পরিকল্পনা শিল্প ও তারকাদের ঝলকে নিউ মিউজিয়াম গালা, সম্মাননায় লিসা ফিলিপস দুই মাসের বিরতি শেষে তেঁতুলিয়ায় ফিরছে জেলেদের স্বপ্ন, ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশের আশায় প্রস্তুতি চূড়ান্ত

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 115

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

রাজাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, প্রশংসা আর আশীর্বাদসূচক এক লম্বা বক্তৃতা করে ধর্মগুরু বিদায় নিলেন।এখান থেকে হিউএনচাঙের পথযাত্রার ধারা বদলে গেল। এতদিন তিনি চীনসম্রাটের আদেশের বিরুদ্ধে গোপনে রাজকর্মচারীদের ভয়ে ভয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন।

কারো কাছে সাহায্য পাবার দাবি ছিল না। তুরফানরাজার আশ্রয় ও সুপারিশপত্র পাওয়ায় তাঁর এই লাভ হল যে, তিনি শক্তিশালী পশ্চিম তুরুস্কদের আশ্রয় পাবার অধিকার পেলেন।

আর তুরফান থেকে হিন্দুকুশ পর্বত পর্যন্ত প্রদেশের শাসনকর্তা ছিলেন তুরুস্ক সম্রাটের ছেলে, যিনি আবার তুরফান রাজার জামাতা ছিলেন। কাজেই পথে রাজকর্মচারীদের ভয় আর রইল না।

যাত্রা করবার দিন তুরফানরাজ তাঁর সমস্ত সভাসদ, সব ভিক্ষুরা আর নগরের অধিকাংশ লোক নগরের বাইরে পর্যন্ত ধর্মগুরুর সঙ্গে গিয়ে বিদায় গ্রহণ করলেন। তুরফানরাজ সজলচোখে ধর্মগুরুর কাছে বিদায় নিলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

জ্বালানি সংকটে দিশেহারা দেশ: বাড়ছে খরচ, থমকে যাচ্ছে উৎপাদন

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৫)

০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

রাজাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, প্রশংসা আর আশীর্বাদসূচক এক লম্বা বক্তৃতা করে ধর্মগুরু বিদায় নিলেন।এখান থেকে হিউএনচাঙের পথযাত্রার ধারা বদলে গেল। এতদিন তিনি চীনসম্রাটের আদেশের বিরুদ্ধে গোপনে রাজকর্মচারীদের ভয়ে ভয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন।

কারো কাছে সাহায্য পাবার দাবি ছিল না। তুরফানরাজার আশ্রয় ও সুপারিশপত্র পাওয়ায় তাঁর এই লাভ হল যে, তিনি শক্তিশালী পশ্চিম তুরুস্কদের আশ্রয় পাবার অধিকার পেলেন।

আর তুরফান থেকে হিন্দুকুশ পর্বত পর্যন্ত প্রদেশের শাসনকর্তা ছিলেন তুরুস্ক সম্রাটের ছেলে, যিনি আবার তুরফান রাজার জামাতা ছিলেন। কাজেই পথে রাজকর্মচারীদের ভয় আর রইল না।

যাত্রা করবার দিন তুরফানরাজ তাঁর সমস্ত সভাসদ, সব ভিক্ষুরা আর নগরের অধিকাংশ লোক নগরের বাইরে পর্যন্ত ধর্মগুরুর সঙ্গে গিয়ে বিদায় গ্রহণ করলেন। তুরফানরাজ সজলচোখে ধর্মগুরুর কাছে বিদায় নিলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৪)