০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
রোবটের পড়ে যাওয়া থেকে বিশ্বশক্তির উত্থান: প্রযুক্তির হাসির আড়ালে কঠিন বাস্তব পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 105

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কুচা শহর (সংস্কৃত কুচী) এ সময়ে মধ্য এশিয়ার সবচেয়ে প্রধান সহর ছিল। হিউএনচাঙ এখানকার ঐশ্বর্য আর সংস্কৃতি দেখে বিস্মিত হন।। ‘এ রাজ্য পূব থেকে পশ্চিমে এক হাজার লি বিস্তৃত। শহরের পরিধি ১৭-১৮ লি। মাটি লাল, জোয়ার আর গমের উপযুক্ত। এখানে চাল, আঙুর, বেদানা, আর প্রচুর পরিমাণে আলুবোখরা, নাসপাতি, পীচ, আঙু উৎপন্ন হয়।

সোনা লোহা তামা সিসা আর রাঙের খনি আছে। আবহাওয়া সুখদ। অধিবাসীরা সুচরিত্র। এদের লিপি ভারতীয়দের লিপির মতন (ব্রাহ্মী)। এখানকার বাদ্যকরদের বাঁশি আর সেতারে অসাধারণ দক্ষতা।’ অন্য চৈনিক বিবরণে আর আধুনিক প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায়ও এই সাক্ষ্য পাওয়া যায়। বিস্তৃত গোবি মরুভূমির মধ্যে এই মরূদ্যানের সমৃদ্ধি ও আমোদ-প্রমোদের খ্যাতি ছিল।

ইরান থেকে আনা প্রসাধন সামগ্রী এখানে বিক্রয় হত। এখানকার স্ত্রীলোকদের রমণীয়তার প্রসিদ্ধি ছিল।আধুনিক প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার দ্বারা এই প্রদেশ থেকে বহুকালের শিল্পসামগ্রী, পোড়া ইটের ও পলস্তরার তৈয়ারি (terracotta and stucco) মূর্তি ও অন্যান্য ভাস্কর্য, দেওয়ালপট ইত্যাদি পাওয়া গিয়েছে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৬)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৬)

রোবটের পড়ে যাওয়া থেকে বিশ্বশক্তির উত্থান: প্রযুক্তির হাসির আড়ালে কঠিন বাস্তব

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৭)

০৯:০০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কুচা শহর (সংস্কৃত কুচী) এ সময়ে মধ্য এশিয়ার সবচেয়ে প্রধান সহর ছিল। হিউএনচাঙ এখানকার ঐশ্বর্য আর সংস্কৃতি দেখে বিস্মিত হন।। ‘এ রাজ্য পূব থেকে পশ্চিমে এক হাজার লি বিস্তৃত। শহরের পরিধি ১৭-১৮ লি। মাটি লাল, জোয়ার আর গমের উপযুক্ত। এখানে চাল, আঙুর, বেদানা, আর প্রচুর পরিমাণে আলুবোখরা, নাসপাতি, পীচ, আঙু উৎপন্ন হয়।

সোনা লোহা তামা সিসা আর রাঙের খনি আছে। আবহাওয়া সুখদ। অধিবাসীরা সুচরিত্র। এদের লিপি ভারতীয়দের লিপির মতন (ব্রাহ্মী)। এখানকার বাদ্যকরদের বাঁশি আর সেতারে অসাধারণ দক্ষতা।’ অন্য চৈনিক বিবরণে আর আধুনিক প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায়ও এই সাক্ষ্য পাওয়া যায়। বিস্তৃত গোবি মরুভূমির মধ্যে এই মরূদ্যানের সমৃদ্ধি ও আমোদ-প্রমোদের খ্যাতি ছিল।

ইরান থেকে আনা প্রসাধন সামগ্রী এখানে বিক্রয় হত। এখানকার স্ত্রীলোকদের রমণীয়তার প্রসিদ্ধি ছিল।আধুনিক প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার দ্বারা এই প্রদেশ থেকে বহুকালের শিল্পসামগ্রী, পোড়া ইটের ও পলস্তরার তৈয়ারি (terracotta and stucco) মূর্তি ও অন্যান্য ভাস্কর্য, দেওয়ালপট ইত্যাদি পাওয়া গিয়েছে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৬)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৬)