০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি ভারতে ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রপ্তানিতে বাড়ল অতিরিক্ত কর, অপরিবর্তিত পেট্রোল ‘আংটি আছে তো আসুন, না থাকলে একাই আসুন’—টেলর-ট্রাভিসের বিয়ের নিয়মে চাঞ্চল্য ঘুমের সমস্যায় স্বস্তি দিচ্ছে ভারী কম্বল, বাড়ছে জনপ্রিয়তা এক নজরে সেরা হিটেড কম্বল ও হিটিং কুশন: আরাম, উষ্ণতা ও বহনযোগ্যতার পরীক্ষায় কে এগিয়ে? ম্যাসাজ পিস্তল কিনবেন? পরীক্ষায় এগিয়ে যে মডেলগুলো, জানুন বিস্তারিত তেলের দাম কমার স্বস্তি, তবে কৃষি খাতে ব্যয়ের চাপ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ বসনিয়া কোচ বারবারেজের বিস্ময়কর সাফল্য, বিশ্বকাপে চোখ এখন নকআউট পর্বে এসি-সিআই উদ্যোগে আসিয়ানের সৃজনশীল অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা, বাড়বে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • 122

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এখানকার ভিক্ষুরা হীনযানী হলেও তাঁরা বেশ জ্ঞানী ছিলেন আর ধর্মগুরুর সঙ্গে তাঁদের বেশ বনিবনাও হল। এমন কি, হিউএনচাঙ বলেন যে, এখানে প্রজ্ঞাকর নামে এক পণ্ডিতের মুখে কাত্যায়নের ‘অভি-ধর্ম’ আর ‘বিভাষাসূত্রের’ কঠিন জায়গার ব্যাখ্যা শুনে তিনি খুব উপকৃত হন। তিনি একমাস এখানে বাস ক’রে হীনযানের বিভাষা শাস্ত্র অধ্যয়ন করলেন।

বাহুলীকের পর ধর্মগুরু হিন্দুকুশের ভিতরে প্রবেশ করলেন। এই পর্বত অতিক্রম করা খুব কষ্টকর হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘এই পথ তুষারনদ আর মরুভূমির পথ থেকে দ্বিগুণ কঠিন। সর্বত্র সবসময়েই তুষারের ঘূর্ণী ঝড় বইছে। পর্বতের দৈত্য-দানব, দস্যুরা লোককে খুব কষ্ট দেয়।’

অবশেষে হিউএনচাঙ হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণীর এক উপত্যকায় বামিয়ানে উপস্থিত হলেন। এখানেও রাজা ও ভিক্ষুরা শহরের বাইরে এসে তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে গেলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪১)

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪২)

০৯:০০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এখানকার ভিক্ষুরা হীনযানী হলেও তাঁরা বেশ জ্ঞানী ছিলেন আর ধর্মগুরুর সঙ্গে তাঁদের বেশ বনিবনাও হল। এমন কি, হিউএনচাঙ বলেন যে, এখানে প্রজ্ঞাকর নামে এক পণ্ডিতের মুখে কাত্যায়নের ‘অভি-ধর্ম’ আর ‘বিভাষাসূত্রের’ কঠিন জায়গার ব্যাখ্যা শুনে তিনি খুব উপকৃত হন। তিনি একমাস এখানে বাস ক’রে হীনযানের বিভাষা শাস্ত্র অধ্যয়ন করলেন।

বাহুলীকের পর ধর্মগুরু হিন্দুকুশের ভিতরে প্রবেশ করলেন। এই পর্বত অতিক্রম করা খুব কষ্টকর হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘এই পথ তুষারনদ আর মরুভূমির পথ থেকে দ্বিগুণ কঠিন। সর্বত্র সবসময়েই তুষারের ঘূর্ণী ঝড় বইছে। পর্বতের দৈত্য-দানব, দস্যুরা লোককে খুব কষ্ট দেয়।’

অবশেষে হিউএনচাঙ হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণীর এক উপত্যকায় বামিয়ানে উপস্থিত হলেন। এখানেও রাজা ও ভিক্ষুরা শহরের বাইরে এসে তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে গেলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪১)