১০:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • 81

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

অপরাধ এবং তার প্রাপ্য শাস্তি

সাধারণভাবে ইনকারা ছিল শৃঙ্খলাপরায়ণ জাতি। আইন ভাঙ্গার সেরকম মানসিকতা তাঁদের ছিল না। জীবনের যাবতীয় প্রয়োজন মেটাত শাসক বা সরকার, তাই অপরাধ প্রবণতা জন্মাতে পারেনি।

অপরাধ বলে কিছু না থাকার জন্য জেলখানা তৈরির দরকার পড়েনি। অপরাধের নানা ধরনের মধ্যে ছিল খুন, ইনকাকে নানাভাবে অপমান এবং দেবতাদের বিরুদ্ধে কুৎসা। অপরাধের শাস্তি হিসেবে ছিল মৃত্যু। এছাড়া অপরাধীকে পাহাড়ের সূচালো চূড়ায় বসিয়ে দেওয়া হত এবং পর্বতের চূড়া থেকে নীচে পড়ে অপঘাত মৃত্যুবরণ করতে হত।

ছোট ও কম অপরাধের শাস্তি হিসাবে ছিল হাত বা পা-এর অংশ কেটে দেওয়া বা চোখ উপড়ে নেওয়া। আবার কখনো কখনো অপরাধীকে রাস্তায় বসিয়ে ভিক্ষা করতে বাধ করা হত। সাধারণ মানুষ এই শাস্তি দেখে বুঝতে পারত অপরাধ করলে এরকম শাস্তি পেতে হবে।

এছাড়া দাম্পত্য অপরাধ করলে বর বা কনে বা উভয়কে দেওয়ালের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে দেওয়া হত এবং না খেতে পেয়ে মৃত্যু বরণ করতে হত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৭)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৭)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৮)

০৭:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

অপরাধ এবং তার প্রাপ্য শাস্তি

সাধারণভাবে ইনকারা ছিল শৃঙ্খলাপরায়ণ জাতি। আইন ভাঙ্গার সেরকম মানসিকতা তাঁদের ছিল না। জীবনের যাবতীয় প্রয়োজন মেটাত শাসক বা সরকার, তাই অপরাধ প্রবণতা জন্মাতে পারেনি।

অপরাধ বলে কিছু না থাকার জন্য জেলখানা তৈরির দরকার পড়েনি। অপরাধের নানা ধরনের মধ্যে ছিল খুন, ইনকাকে নানাভাবে অপমান এবং দেবতাদের বিরুদ্ধে কুৎসা। অপরাধের শাস্তি হিসেবে ছিল মৃত্যু। এছাড়া অপরাধীকে পাহাড়ের সূচালো চূড়ায় বসিয়ে দেওয়া হত এবং পর্বতের চূড়া থেকে নীচে পড়ে অপঘাত মৃত্যুবরণ করতে হত।

ছোট ও কম অপরাধের শাস্তি হিসাবে ছিল হাত বা পা-এর অংশ কেটে দেওয়া বা চোখ উপড়ে নেওয়া। আবার কখনো কখনো অপরাধীকে রাস্তায় বসিয়ে ভিক্ষা করতে বাধ করা হত। সাধারণ মানুষ এই শাস্তি দেখে বুঝতে পারত অপরাধ করলে এরকম শাস্তি পেতে হবে।

এছাড়া দাম্পত্য অপরাধ করলে বর বা কনে বা উভয়কে দেওয়ালের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে দেওয়া হত এবং না খেতে পেয়ে মৃত্যু বরণ করতে হত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৭)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৭)