১০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • 99

প্রদীপ কুমার মজুমদার 

অঙ্কবোধক চিহ্ন সম্পর্কে আবু রৈহান মহম্মদ ইবন আহমদ আল বিরুণীর লেখা গ্রন্থ পাঠ করলে অনেক কিছু আমরা জানতে পারি। আলবিরুণী আরবী, পারসী, সংস্কৃত ভাষায় পণ্ডিত ছিলেন। আবার গণিত, বিজ্ঞান দর্শন প্রভৃতি বিষয়েও সম্যক জ্ঞান ছিল।

তিনি “কিতাব অল অরকম্” এবং “তজকীরা ফি অল হিসাব ওয়াল মদ বি অল অরকম অল সিন্দ ওয়াল হিন্দ” নামে সংখ্যার উপর দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর লিখিত অথার অল বাকিয়াতে তিনি সংখ্যাকে অল অরকম অল হিন্দ বলেছেন। এবং অক্ষর সংখ্যা থেকে এগুলি ভিন্ন সে কথাও উল্লেখ করেছেন (হারুফ অল জুম্মল বা হিসাব অল জুম্মল)।

আরবীয় সংখ্যা চিহ্ন সম্বন্ধে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি তার গ্রন্থ “তারিক অল হিন্দ” এ বলেছেন “বর্ণমালাগুলি বিভিন্ন আকৃতির, সংখ্যা বোধক চিহ্নগুলিও সেইরূপ। এগুলিকে অঙ্ক নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। যে সংখ্যাবোধক চিহ্নগুলি আমরা ব্যবহার করি সেগুলির আদি হিন্দু চিহ্ন।”

অন্যত্র আলবিরূণী বলেছেন। “আমরা যেভাবে অঙ্কবোধক চিহ্ন ব্যবহার করি। হিন্দুরা এ ব্যাপারে কতটা অগ্রসর হয়েছে সে সম্পর্কে আমি (আলবিরূণী) একটি গ্রন্থ প্রণয়ন করেছি।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৮)

০৭:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার 

অঙ্কবোধক চিহ্ন সম্পর্কে আবু রৈহান মহম্মদ ইবন আহমদ আল বিরুণীর লেখা গ্রন্থ পাঠ করলে অনেক কিছু আমরা জানতে পারি। আলবিরুণী আরবী, পারসী, সংস্কৃত ভাষায় পণ্ডিত ছিলেন। আবার গণিত, বিজ্ঞান দর্শন প্রভৃতি বিষয়েও সম্যক জ্ঞান ছিল।

তিনি “কিতাব অল অরকম্” এবং “তজকীরা ফি অল হিসাব ওয়াল মদ বি অল অরকম অল সিন্দ ওয়াল হিন্দ” নামে সংখ্যার উপর দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর লিখিত অথার অল বাকিয়াতে তিনি সংখ্যাকে অল অরকম অল হিন্দ বলেছেন। এবং অক্ষর সংখ্যা থেকে এগুলি ভিন্ন সে কথাও উল্লেখ করেছেন (হারুফ অল জুম্মল বা হিসাব অল জুম্মল)।

আরবীয় সংখ্যা চিহ্ন সম্বন্ধে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি তার গ্রন্থ “তারিক অল হিন্দ” এ বলেছেন “বর্ণমালাগুলি বিভিন্ন আকৃতির, সংখ্যা বোধক চিহ্নগুলিও সেইরূপ। এগুলিকে অঙ্ক নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। যে সংখ্যাবোধক চিহ্নগুলি আমরা ব্যবহার করি সেগুলির আদি হিন্দু চিহ্ন।”

অন্যত্র আলবিরূণী বলেছেন। “আমরা যেভাবে অঙ্কবোধক চিহ্ন ব্যবহার করি। হিন্দুরা এ ব্যাপারে কতটা অগ্রসর হয়েছে সে সম্পর্কে আমি (আলবিরূণী) একটি গ্রন্থ প্রণয়ন করেছি।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৭)