০৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
দীপ্তি শর্মার ৫/১০-এ পাকিস্তান ধরাশায়ী, বিশ্বকাপে ভারতের দুর্দান্ত শুরু বিশ্বকাপে আজ ফ্রান্স-সেনেগাল ও আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, ইরান দলকে ঘিরে নাটক ‘নাইভস আউট ৩’ নেটফ্লিক্সে: বেনোয়া ব্লাঁর নতুন রহস্য নেটফ্লিক্সের এমজে ডকু নিয়ে ক্ষুব্ধ ভক্তদের একাংশ কান ২০২৬: ঐশ্বরিয়া নাকি আলিয়া — ফ্যাশন বিতর্কে সামাজিক মাধ্যম দ্বিধাবিভক্ত আলিয়া ভাটের ‘আলফা’ টিজারে ওয়াইআরএফ স্পাই ইউনিভার্সে নতুন অধ্যায় ১৯ জুন আসছে ‘ককটেল ২’: শাহিদ-ক্রিতি-রাশ্মিকার ত্রিকোণ প্রেম বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চে বিটিএস, শাকিরা ও ম্যাডোনা বিটিএস-এর ১৩তম বার্ষিকী: ‘কাম ওভার’ স্ট্রিমিংয়ে, ‘সুইম’ বিলবোর্ডে শীর্ষে ব্রিটেনে ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধের পরিকল্পনা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • 83

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভারতবর্ষের সাধারণ বর্ণনা

হিউএনচাঙ তাঁর গ্রন্থে সমগ্র ভারতবর্ষ সম্বন্ধে একটা সাধারণ বর্ণনা দিয়েছেন। এই বর্ণনার মুখ্য অংশগুলি নীচে সংকলিত হল।নাম। ভারতবর্ষের অধিবাসীরা ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশের ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করেন। কিন্তু সমস্ত দেশের কোনো একটা নাম ব্যবহার করেন না।

পুরাকালে কেউ একে ‘সিনতু’ বলেছেন, কেউ বা ‘হিএনতাই’ বলেছেন। আমার মতে ‘ইনতু’ নাম নির্ভুল আর ভালো। আমাদের ভাষায় ‘ইনতু’ মানে চন্দ্র।

আর সুর্যাস্তের পর যখন পৃথিবী অন্ধকারে আচ্ছন্ন থাকে, তখন চন্দ্রলোকই যেমন সমস্ত জীবলোকের সবচেয়ে আনন্দকর সহায় হয়, তেমনি অজ্ঞানান্ধকারে মগ্ন সংসার-চক্রে ঘূর্ণমান প্রাণীদের জন্যে এই দেশের সাধু ও জ্ঞানী ব্যক্তিরাই যুগে যুগে আলো বিকিরণ করে তাদের পথ দেখিয়েছেন।

এদেশের পরিবারগুলি যেসব জাতিতে বিভক্ত, তার মধ্যে ব্রাহ্মণরাই পবিত্রতা ও মহত্ত্বের জন্যে বিশিষ্ট। এই জন্যে সাধারণ লোকে এদেশকে ব্রাহ্মণের দেশও ব’লে থাকে।দেশের পরিমাণ ইত্যাদি। সমগ্র ভারতবর্ষকে সাধারণত পঞ্চ ভারত বলা হয়।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

দীপ্তি শর্মার ৫/১০-এ পাকিস্তান ধরাশায়ী, বিশ্বকাপে ভারতের দুর্দান্ত শুরু

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৪)

০৯:০০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভারতবর্ষের সাধারণ বর্ণনা

হিউএনচাঙ তাঁর গ্রন্থে সমগ্র ভারতবর্ষ সম্বন্ধে একটা সাধারণ বর্ণনা দিয়েছেন। এই বর্ণনার মুখ্য অংশগুলি নীচে সংকলিত হল।নাম। ভারতবর্ষের অধিবাসীরা ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশের ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করেন। কিন্তু সমস্ত দেশের কোনো একটা নাম ব্যবহার করেন না।

পুরাকালে কেউ একে ‘সিনতু’ বলেছেন, কেউ বা ‘হিএনতাই’ বলেছেন। আমার মতে ‘ইনতু’ নাম নির্ভুল আর ভালো। আমাদের ভাষায় ‘ইনতু’ মানে চন্দ্র।

আর সুর্যাস্তের পর যখন পৃথিবী অন্ধকারে আচ্ছন্ন থাকে, তখন চন্দ্রলোকই যেমন সমস্ত জীবলোকের সবচেয়ে আনন্দকর সহায় হয়, তেমনি অজ্ঞানান্ধকারে মগ্ন সংসার-চক্রে ঘূর্ণমান প্রাণীদের জন্যে এই দেশের সাধু ও জ্ঞানী ব্যক্তিরাই যুগে যুগে আলো বিকিরণ করে তাদের পথ দেখিয়েছেন।

এদেশের পরিবারগুলি যেসব জাতিতে বিভক্ত, তার মধ্যে ব্রাহ্মণরাই পবিত্রতা ও মহত্ত্বের জন্যে বিশিষ্ট। এই জন্যে সাধারণ লোকে এদেশকে ব্রাহ্মণের দেশও ব’লে থাকে।দেশের পরিমাণ ইত্যাদি। সমগ্র ভারতবর্ষকে সাধারণত পঞ্চ ভারত বলা হয়।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)