০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পুরুষদের হাতের লেখা কেন তুলনামূলক খারাপ? নতুন গবেষণায় উঠে এলো চমকপ্রদ কারণ অ্যানজ্যাক ডেতে একাই হাজির কেট মিডলটন, নজর কাড়ল বিরল রাজকীয় গয়নার গল্প দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা আবার দেখলে নতুন কী ধরা পড়ে সেজ সবুজে বসন্তের নরম ছোঁয়া, ফ্যাশনে নতুন ভারসাম্যের গল্প                 ব্রিজেট জোন্সের আগের রেনি জেলওয়েগার: পুরনো ছবিতে ফিরে দেখা তার শুরুর দিনগুলো জোই ক্রাভিটজের আঙুলে রহস্যময় আংটি, হ্যারি স্টাইলসকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে বিশ্বকাপের আগে উত্তর আমেরিকায় টানাপোড়েন: একসঙ্গে আয়োজন, কিন্তু সম্পর্কের ভাঙন আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদে ভাটা: গণভোটের আগে বাড়ছে অনিশ্চয়তা পেরুর নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা: ভোটের উৎসব থেকে অনিশ্চয়তার গভীর সংকট সুদানে যুদ্ধের মাঝেই আরএসএফের উত্থান, সামরিক শক্তি থেকে গড়ে উঠছে অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • 67

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভারতবর্ষের সাধারণ বর্ণনা

হিউএনচাঙ তাঁর গ্রন্থে সমগ্র ভারতবর্ষ সম্বন্ধে একটা সাধারণ বর্ণনা দিয়েছেন। এই বর্ণনার মুখ্য অংশগুলি নীচে সংকলিত হল।নাম। ভারতবর্ষের অধিবাসীরা ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশের ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করেন। কিন্তু সমস্ত দেশের কোনো একটা নাম ব্যবহার করেন না।

পুরাকালে কেউ একে ‘সিনতু’ বলেছেন, কেউ বা ‘হিএনতাই’ বলেছেন। আমার মতে ‘ইনতু’ নাম নির্ভুল আর ভালো। আমাদের ভাষায় ‘ইনতু’ মানে চন্দ্র।

আর সুর্যাস্তের পর যখন পৃথিবী অন্ধকারে আচ্ছন্ন থাকে, তখন চন্দ্রলোকই যেমন সমস্ত জীবলোকের সবচেয়ে আনন্দকর সহায় হয়, তেমনি অজ্ঞানান্ধকারে মগ্ন সংসার-চক্রে ঘূর্ণমান প্রাণীদের জন্যে এই দেশের সাধু ও জ্ঞানী ব্যক্তিরাই যুগে যুগে আলো বিকিরণ করে তাদের পথ দেখিয়েছেন।

এদেশের পরিবারগুলি যেসব জাতিতে বিভক্ত, তার মধ্যে ব্রাহ্মণরাই পবিত্রতা ও মহত্ত্বের জন্যে বিশিষ্ট। এই জন্যে সাধারণ লোকে এদেশকে ব্রাহ্মণের দেশও ব’লে থাকে।দেশের পরিমাণ ইত্যাদি। সমগ্র ভারতবর্ষকে সাধারণত পঞ্চ ভারত বলা হয়।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)

পুরুষদের হাতের লেখা কেন তুলনামূলক খারাপ? নতুন গবেষণায় উঠে এলো চমকপ্রদ কারণ

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৪)

০৯:০০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভারতবর্ষের সাধারণ বর্ণনা

হিউএনচাঙ তাঁর গ্রন্থে সমগ্র ভারতবর্ষ সম্বন্ধে একটা সাধারণ বর্ণনা দিয়েছেন। এই বর্ণনার মুখ্য অংশগুলি নীচে সংকলিত হল।নাম। ভারতবর্ষের অধিবাসীরা ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশের ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করেন। কিন্তু সমস্ত দেশের কোনো একটা নাম ব্যবহার করেন না।

পুরাকালে কেউ একে ‘সিনতু’ বলেছেন, কেউ বা ‘হিএনতাই’ বলেছেন। আমার মতে ‘ইনতু’ নাম নির্ভুল আর ভালো। আমাদের ভাষায় ‘ইনতু’ মানে চন্দ্র।

আর সুর্যাস্তের পর যখন পৃথিবী অন্ধকারে আচ্ছন্ন থাকে, তখন চন্দ্রলোকই যেমন সমস্ত জীবলোকের সবচেয়ে আনন্দকর সহায় হয়, তেমনি অজ্ঞানান্ধকারে মগ্ন সংসার-চক্রে ঘূর্ণমান প্রাণীদের জন্যে এই দেশের সাধু ও জ্ঞানী ব্যক্তিরাই যুগে যুগে আলো বিকিরণ করে তাদের পথ দেখিয়েছেন।

এদেশের পরিবারগুলি যেসব জাতিতে বিভক্ত, তার মধ্যে ব্রাহ্মণরাই পবিত্রতা ও মহত্ত্বের জন্যে বিশিষ্ট। এই জন্যে সাধারণ লোকে এদেশকে ব্রাহ্মণের দেশও ব’লে থাকে।দেশের পরিমাণ ইত্যাদি। সমগ্র ভারতবর্ষকে সাধারণত পঞ্চ ভারত বলা হয়।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)