১১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মালয়েশিয়ার অর্থনীতি চাঙ্গা, কিন্তু সুফল পৌঁছাচ্ছে না সাধারণ মানুষের ঘরে জাপানি মাঙ্গা চরিত্রের নামে সন্তানের নাম রাখছেন ইন্দোনেশিয়ার বাবা-মায়েরা স্যামসাংয়ে বোনাস-বৈষম্য নিয়ে ক্ষোভ, চিপ ও স্মার্টফোন কর্মীদের মধ্যে বাড়ছে বিভাজন কাশ্মীরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিস্তার, বাড়ছে দুর্যোগের শঙ্কা সন্তানদের হত্যার মামলায় মায়ের পক্ষে জনসমর্থন, কিন্তু আড়ালে পড়ে যাচ্ছে তিন শিশুর মৃত্যু নজরদারির নতুন সাম্রাজ্য ফ্লক, ৮৩০ কোটি ডলারের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেন ক্ষোভ বাড়ছে আগামী দিনের চাকরির বাজারে স্থায়ী চাকরির বদলে বাড়ছে অস্থায়ী কাজ, বদলে যাচ্ছে কর্মজগতের চিত্র বিলাসী গদি থেকে চিকিৎসা প্রযুক্তি: ধনকুবেরদের প্রিয় তিন লাখ টাকার ঘুমের যন্ত্র এবার সারাবে নিদ্রাজনিত শ্বাসকষ্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এজেন্ট আপনার টাকা খরচ করলে, আপনি অনুমতি দিয়েছিলেন কি না প্রমাণ করবে কে? মতের অমিল নয়, ‘ভুল’ মনে করাই মানুষকে বেশি ক্ষুব্ধ করে

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
  • 165

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বনজ সম্পদ সংগ্রহ এবং বন্যপ্রাণী শিকার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা দরকার ইনকারা সাধারণত দিনে দুইবার খায় প্রথমবার সকালে এবং দ্বিতীয়বার বিকেল বা সন্ধ্যায়। তবে এবাদেও অনেক সময় ঘরে প্রবেশ করার আগে বাইরেও সমবেত প্রথায় খাবার খেয়ে নেয়। এই খাবার-এর মধ্যে থাকত নানারকমের শাকসবজি।

এছাড়া তিতিকাকা হ্রদের কাছে মাছ শিকার করেও খাবার অভ্যাস ছিল। এছাড়া মাংসের মধ্যে কুকুর মেরে তা মাটির পাত্রে রান্না করত। সবজি ও নাছ বাদেও আনন্দের জোয়ারে ভাসার জন্য ভুট্টা, শস্য বা কিনোয়া (Quinoa) থেকে একরকম মদ তৈরি করত। একে ইনকারা বলত চিচা (Chicha)। এই চিড়া তৈরির দায়িত্ব ছিল বাড়ির পঙ্গু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ সদস্যদের উপর।

ইনকা পরিবারের মেয়েরা কোন কিছুই নষ্ট করত না। ঘরে ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ব শস্য জমিয়ে রাখত। এ বাদেও জামা-কাপড় পোশাক তৈরির কাজেও জীবিকা বা পারিবারিক দায়িত্ব ভাগ করা হত। কোন পোশাক কে পরবে তা অনেক সময়েই গোষ্ঠীর পরিচয়ে নির্ধারিত হত। ইনকাদের জীবন, জীবিকা, অর্থনীতি এবং সামাজিক জীবনযাত্রার বুনোট বা কাঠামো ছিল মূলত কৃষিনির্ভর।

কৃষি ক্ষেত খামার, বন, বনজ সম্পদ, স্থাপত্য, সম্পর্ক, দেশজ শিল্প, ঔষধি, আয়ুর্বেদ সব কিছুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল পেশা কাঠামো। আজ ইনকারা কেমন, কোথায় এবং কী আর্থ-সামাজিক পরিচয় বহন করছে সে প্রসঙ্গে আলোচনা করা হল পরবর্তী অধ্যায়ে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৪)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ার অর্থনীতি চাঙ্গা, কিন্তু সুফল পৌঁছাচ্ছে না সাধারণ মানুষের ঘরে

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৫)

০৭:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বনজ সম্পদ সংগ্রহ এবং বন্যপ্রাণী শিকার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা দরকার ইনকারা সাধারণত দিনে দুইবার খায় প্রথমবার সকালে এবং দ্বিতীয়বার বিকেল বা সন্ধ্যায়। তবে এবাদেও অনেক সময় ঘরে প্রবেশ করার আগে বাইরেও সমবেত প্রথায় খাবার খেয়ে নেয়। এই খাবার-এর মধ্যে থাকত নানারকমের শাকসবজি।

এছাড়া তিতিকাকা হ্রদের কাছে মাছ শিকার করেও খাবার অভ্যাস ছিল। এছাড়া মাংসের মধ্যে কুকুর মেরে তা মাটির পাত্রে রান্না করত। সবজি ও নাছ বাদেও আনন্দের জোয়ারে ভাসার জন্য ভুট্টা, শস্য বা কিনোয়া (Quinoa) থেকে একরকম মদ তৈরি করত। একে ইনকারা বলত চিচা (Chicha)। এই চিড়া তৈরির দায়িত্ব ছিল বাড়ির পঙ্গু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ সদস্যদের উপর।

ইনকা পরিবারের মেয়েরা কোন কিছুই নষ্ট করত না। ঘরে ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ব শস্য জমিয়ে রাখত। এ বাদেও জামা-কাপড় পোশাক তৈরির কাজেও জীবিকা বা পারিবারিক দায়িত্ব ভাগ করা হত। কোন পোশাক কে পরবে তা অনেক সময়েই গোষ্ঠীর পরিচয়ে নির্ধারিত হত। ইনকাদের জীবন, জীবিকা, অর্থনীতি এবং সামাজিক জীবনযাত্রার বুনোট বা কাঠামো ছিল মূলত কৃষিনির্ভর।

কৃষি ক্ষেত খামার, বন, বনজ সম্পদ, স্থাপত্য, সম্পর্ক, দেশজ শিল্প, ঔষধি, আয়ুর্বেদ সব কিছুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল পেশা কাঠামো। আজ ইনকারা কেমন, কোথায় এবং কী আর্থ-সামাজিক পরিচয় বহন করছে সে প্রসঙ্গে আলোচনা করা হল পরবর্তী অধ্যায়ে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৪)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭৪)