০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বকালের সবচেয়ে মহান প্রেমকাহিনী, যা একই সঙ্গে সবচেয়ে অদ্ভুত শান্তিচেতা নেতা ডাক দিয়েছিলেন অস্ত্র কেনার মাধ্যমে অভ্যুত্থান ঘটাতে, এখন তাকে কারাদণ্ড চিকিৎসা ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: চিকিৎসকের ভূমিকা কি সংকটে? আটককৃত অভিবাসীদের স্বাস্থ্যসেবায় চরম অবহেলা, অভিযোগ করেকিভিকের বিরুদ্ধে ইউরোপে অনুবাদকদের কাজের জন্য হুমকি: এআই-এর উত্থান ও শিল্পে পরিবর্তনের সম্ভাবনা ইন্দোনেশিয়ার পর্যটক ভিসা, সিঙ্গাপুরে ফিলিপিনো , এশিয়ার ৭টি হাইলাইট ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু আলোচনা: হরমুজ প্রণালী অর্ধেক বন্ধ, উত্তেজনার মধ্যেই জেনেভার কূটনৈতিক বৈঠক চীনের অজানা ট্রাক নির্মাতার ওপর এক ঝুঁকিপূর্ণ বাজি কীভাবে দক্ষিণ আফ্রিকায় সফল হল ইরানে নজরদারির জাল আরও বিস্তৃত, মোবাইলের তথ্য আর মুখ চিনে ধরপাকড়ে নতুন কৌশল ভগবান ও ৬ নাম্বার বাস

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • 147

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভব্যতা প্রকাশ নয় রকমে হয়- ১ মিষ্ট সম্ভাষণ, ২ মাথা নুইয়ে সম্মান প্রদর্শন, ৩ দুই হাত উঁচু করে মাথা নোয়ানো, ৪ দুই হাত একত্র করে মস্তক নত করা, ৫ এক হাঁটু বেঁকানো, ৬ দুই হাঁটু গেড়ে বসা, ৭ হাত আর হাঁটু মাটিতে রাখা, ৮ পঞ্চচক্র (দুই হাঁটু, দুই কনুই আর কপাল) দ্বারা প্রণাম করা, ৯ সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত।

সবচেয়ে বেশি ভক্তি প্রদর্শন হচ্ছে একবার ভূমিতে প্রণত হয়ে তার পর হাঁটু গেড়ে বসে স্তুতি করা। দূরে থাকলে মাটিতে প্রণাম করলেই চলে; কাছে থাকলে পদচুম্বন ক’রে, গোড়ালিতে হাত দেওয়া রীতি।

উপরিতনের কাছে আজ্ঞা পেলে পরিচ্ছদ মাটির থেকে তুলে প্রণাম করতে হয়। যাঁকে প্রণাম করা হল তাঁর কর্তব্য মিষ্ট কথা ব’লে প্রণতের মাথা ছোঁয়া বা পিঠে হাত বুলানো আর সস্নেহে আদেশ বা উপদেশ দেওয়া।

ভক্তি প্রদর্শন করার জন্যে প্রণাম ছাড়া অনেক সময়ে একবার বা তিনবার প্রদক্ষিণ করা হয় বা অন্য রকমে বিশেষ ভক্তি দেখানো হয়।
কারো অসুখ করলে সে প্রথমে সাত দিন উপবাস করে। তাতেও না সারলে ঔষধ খায়।

কেউ মরলে আত্মীয়রা উচ্চস্বরে বিলাপ করে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বকালের সবচেয়ে মহান প্রেমকাহিনী, যা একই সঙ্গে সবচেয়ে অদ্ভুত

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫২)

০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভব্যতা প্রকাশ নয় রকমে হয়- ১ মিষ্ট সম্ভাষণ, ২ মাথা নুইয়ে সম্মান প্রদর্শন, ৩ দুই হাত উঁচু করে মাথা নোয়ানো, ৪ দুই হাত একত্র করে মস্তক নত করা, ৫ এক হাঁটু বেঁকানো, ৬ দুই হাঁটু গেড়ে বসা, ৭ হাত আর হাঁটু মাটিতে রাখা, ৮ পঞ্চচক্র (দুই হাঁটু, দুই কনুই আর কপাল) দ্বারা প্রণাম করা, ৯ সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত।

সবচেয়ে বেশি ভক্তি প্রদর্শন হচ্ছে একবার ভূমিতে প্রণত হয়ে তার পর হাঁটু গেড়ে বসে স্তুতি করা। দূরে থাকলে মাটিতে প্রণাম করলেই চলে; কাছে থাকলে পদচুম্বন ক’রে, গোড়ালিতে হাত দেওয়া রীতি।

উপরিতনের কাছে আজ্ঞা পেলে পরিচ্ছদ মাটির থেকে তুলে প্রণাম করতে হয়। যাঁকে প্রণাম করা হল তাঁর কর্তব্য মিষ্ট কথা ব’লে প্রণতের মাথা ছোঁয়া বা পিঠে হাত বুলানো আর সস্নেহে আদেশ বা উপদেশ দেওয়া।

ভক্তি প্রদর্শন করার জন্যে প্রণাম ছাড়া অনেক সময়ে একবার বা তিনবার প্রদক্ষিণ করা হয় বা অন্য রকমে বিশেষ ভক্তি দেখানো হয়।
কারো অসুখ করলে সে প্রথমে সাত দিন উপবাস করে। তাতেও না সারলে ঔষধ খায়।

কেউ মরলে আত্মীয়রা উচ্চস্বরে বিলাপ করে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)