০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
দর্পণের সামনে নিজেই আলোকচিত্রী: দুবাইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর নতুন আত্মপ্রতিকৃতি অভিজ্ঞতা কিনলিং পর্বতমালার নিষিদ্ধ আওতাই ট্রেইল অনুসন্ধান সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্বতারোহণ প্রতিকূলতা পেরিয়ে ঐতিহাসিক সাফল্য চীনের অর্থনীতি, জিডিপি ছুঁল ১৪০ ট্রিলিয়ন ইউয়ান বাড়ির আঙিনায় সবার জন্য সবজি বাগান, দুবাইয়ে এক আমিরাতির নীরব মানবিক বিপ্লব শীতের গভীরে বেইজিংয়ে বছরের প্রথম তুষারপাত, সাদা চাদরে ঢাকল নগরীর ঐতিহাসিক উদ্যান চীনা সংস্কৃতির উত্থান: বৈশ্বিক ধারণার উপর নরম শক্তির প্রভাব চীনে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ধস, বরফ ঝড়ে বন্ধ স্কুল, জারি জরুরি ব্যবস্থা দুই পুরুষ পান্ডার মিলন গুজব ছড়িয়ে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি, চেংদুতে ভুয়া খবরের পর্দাফাঁস শ্রীলঙ্কার দাবি: বিশ্বের সবচেয়ে বড় বেগুনি তারকা নীলা উন্মোচন উত্তর চীনের বিরল ধাতু ইস্পাত কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ৯

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • 127

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভব্যতা প্রকাশ নয় রকমে হয়- ১ মিষ্ট সম্ভাষণ, ২ মাথা নুইয়ে সম্মান প্রদর্শন, ৩ দুই হাত উঁচু করে মাথা নোয়ানো, ৪ দুই হাত একত্র করে মস্তক নত করা, ৫ এক হাঁটু বেঁকানো, ৬ দুই হাঁটু গেড়ে বসা, ৭ হাত আর হাঁটু মাটিতে রাখা, ৮ পঞ্চচক্র (দুই হাঁটু, দুই কনুই আর কপাল) দ্বারা প্রণাম করা, ৯ সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত।

সবচেয়ে বেশি ভক্তি প্রদর্শন হচ্ছে একবার ভূমিতে প্রণত হয়ে তার পর হাঁটু গেড়ে বসে স্তুতি করা। দূরে থাকলে মাটিতে প্রণাম করলেই চলে; কাছে থাকলে পদচুম্বন ক’রে, গোড়ালিতে হাত দেওয়া রীতি।

উপরিতনের কাছে আজ্ঞা পেলে পরিচ্ছদ মাটির থেকে তুলে প্রণাম করতে হয়। যাঁকে প্রণাম করা হল তাঁর কর্তব্য মিষ্ট কথা ব’লে প্রণতের মাথা ছোঁয়া বা পিঠে হাত বুলানো আর সস্নেহে আদেশ বা উপদেশ দেওয়া।

ভক্তি প্রদর্শন করার জন্যে প্রণাম ছাড়া অনেক সময়ে একবার বা তিনবার প্রদক্ষিণ করা হয় বা অন্য রকমে বিশেষ ভক্তি দেখানো হয়।
কারো অসুখ করলে সে প্রথমে সাত দিন উপবাস করে। তাতেও না সারলে ঔষধ খায়।

কেউ মরলে আত্মীয়রা উচ্চস্বরে বিলাপ করে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

জনপ্রিয় সংবাদ

দর্পণের সামনে নিজেই আলোকচিত্রী: দুবাইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর নতুন আত্মপ্রতিকৃতি অভিজ্ঞতা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫২)

০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভব্যতা প্রকাশ নয় রকমে হয়- ১ মিষ্ট সম্ভাষণ, ২ মাথা নুইয়ে সম্মান প্রদর্শন, ৩ দুই হাত উঁচু করে মাথা নোয়ানো, ৪ দুই হাত একত্র করে মস্তক নত করা, ৫ এক হাঁটু বেঁকানো, ৬ দুই হাঁটু গেড়ে বসা, ৭ হাত আর হাঁটু মাটিতে রাখা, ৮ পঞ্চচক্র (দুই হাঁটু, দুই কনুই আর কপাল) দ্বারা প্রণাম করা, ৯ সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত।

সবচেয়ে বেশি ভক্তি প্রদর্শন হচ্ছে একবার ভূমিতে প্রণত হয়ে তার পর হাঁটু গেড়ে বসে স্তুতি করা। দূরে থাকলে মাটিতে প্রণাম করলেই চলে; কাছে থাকলে পদচুম্বন ক’রে, গোড়ালিতে হাত দেওয়া রীতি।

উপরিতনের কাছে আজ্ঞা পেলে পরিচ্ছদ মাটির থেকে তুলে প্রণাম করতে হয়। যাঁকে প্রণাম করা হল তাঁর কর্তব্য মিষ্ট কথা ব’লে প্রণতের মাথা ছোঁয়া বা পিঠে হাত বুলানো আর সস্নেহে আদেশ বা উপদেশ দেওয়া।

ভক্তি প্রদর্শন করার জন্যে প্রণাম ছাড়া অনেক সময়ে একবার বা তিনবার প্রদক্ষিণ করা হয় বা অন্য রকমে বিশেষ ভক্তি দেখানো হয়।
কারো অসুখ করলে সে প্রথমে সাত দিন উপবাস করে। তাতেও না সারলে ঔষধ খায়।

কেউ মরলে আত্মীয়রা উচ্চস্বরে বিলাপ করে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)