০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মমতা–নির্বাচন কমিশন মুখোমুখি সংঘাত, অপমানের অভিযোগে বৈঠক বয়কট মুখ্যমন্ত্রীর ভারতের মহারাষ্ট্রের রাজনীতিকে নতুনভাবে গড়ে তোলা এক কৌশলী নেতা চোরাইপথে আর কোনও নির্বাচন হবে না, করতে দেব না: জামায়াত আমির ২০২৮ সালের মধ্যে দেশেই যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ সংযোজনের লক্ষ্য ভারতের শক্তিশালী প্রযুক্তি এবং ব্যাংক আয়ে জাপানের নিক্কেই নতুন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে কেন্ড্রিক ল্যামার ও ব্যাড বানি ঐতিহাসিক গ্র্যামি অনুষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তার করেন এআই-তে মনোনিবেশের জন্য অ্যাডোবি অ্যানিমেট সফটওয়্যার বন্ধ করছে উদ্ধারের মুখোশে লুটপাটের নীলনকশা: কিউবা থেকে ইরান, একই আমেরিকান গল্প জেন জিকে চাকরি বদলের জন্য লজ্জা নয়, সময় বুঝে থিতু হওয়াই সাফল্যের চাবিকাঠি বিগ বসের পর নতুন আমাল মালিক, মানসিক স্বাস্থ্যের কথা, স্বাধীন সংগীত আর জীবনের ‘সুন্দর’ অধ্যায়

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • 140

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভব্যতা প্রকাশ নয় রকমে হয়- ১ মিষ্ট সম্ভাষণ, ২ মাথা নুইয়ে সম্মান প্রদর্শন, ৩ দুই হাত উঁচু করে মাথা নোয়ানো, ৪ দুই হাত একত্র করে মস্তক নত করা, ৫ এক হাঁটু বেঁকানো, ৬ দুই হাঁটু গেড়ে বসা, ৭ হাত আর হাঁটু মাটিতে রাখা, ৮ পঞ্চচক্র (দুই হাঁটু, দুই কনুই আর কপাল) দ্বারা প্রণাম করা, ৯ সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত।

সবচেয়ে বেশি ভক্তি প্রদর্শন হচ্ছে একবার ভূমিতে প্রণত হয়ে তার পর হাঁটু গেড়ে বসে স্তুতি করা। দূরে থাকলে মাটিতে প্রণাম করলেই চলে; কাছে থাকলে পদচুম্বন ক’রে, গোড়ালিতে হাত দেওয়া রীতি।

উপরিতনের কাছে আজ্ঞা পেলে পরিচ্ছদ মাটির থেকে তুলে প্রণাম করতে হয়। যাঁকে প্রণাম করা হল তাঁর কর্তব্য মিষ্ট কথা ব’লে প্রণতের মাথা ছোঁয়া বা পিঠে হাত বুলানো আর সস্নেহে আদেশ বা উপদেশ দেওয়া।

ভক্তি প্রদর্শন করার জন্যে প্রণাম ছাড়া অনেক সময়ে একবার বা তিনবার প্রদক্ষিণ করা হয় বা অন্য রকমে বিশেষ ভক্তি দেখানো হয়।
কারো অসুখ করলে সে প্রথমে সাত দিন উপবাস করে। তাতেও না সারলে ঔষধ খায়।

কেউ মরলে আত্মীয়রা উচ্চস্বরে বিলাপ করে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা–নির্বাচন কমিশন মুখোমুখি সংঘাত, অপমানের অভিযোগে বৈঠক বয়কট মুখ্যমন্ত্রীর

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫২)

০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভব্যতা প্রকাশ নয় রকমে হয়- ১ মিষ্ট সম্ভাষণ, ২ মাথা নুইয়ে সম্মান প্রদর্শন, ৩ দুই হাত উঁচু করে মাথা নোয়ানো, ৪ দুই হাত একত্র করে মস্তক নত করা, ৫ এক হাঁটু বেঁকানো, ৬ দুই হাঁটু গেড়ে বসা, ৭ হাত আর হাঁটু মাটিতে রাখা, ৮ পঞ্চচক্র (দুই হাঁটু, দুই কনুই আর কপাল) দ্বারা প্রণাম করা, ৯ সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত।

সবচেয়ে বেশি ভক্তি প্রদর্শন হচ্ছে একবার ভূমিতে প্রণত হয়ে তার পর হাঁটু গেড়ে বসে স্তুতি করা। দূরে থাকলে মাটিতে প্রণাম করলেই চলে; কাছে থাকলে পদচুম্বন ক’রে, গোড়ালিতে হাত দেওয়া রীতি।

উপরিতনের কাছে আজ্ঞা পেলে পরিচ্ছদ মাটির থেকে তুলে প্রণাম করতে হয়। যাঁকে প্রণাম করা হল তাঁর কর্তব্য মিষ্ট কথা ব’লে প্রণতের মাথা ছোঁয়া বা পিঠে হাত বুলানো আর সস্নেহে আদেশ বা উপদেশ দেওয়া।

ভক্তি প্রদর্শন করার জন্যে প্রণাম ছাড়া অনেক সময়ে একবার বা তিনবার প্রদক্ষিণ করা হয় বা অন্য রকমে বিশেষ ভক্তি দেখানো হয়।
কারো অসুখ করলে সে প্রথমে সাত দিন উপবাস করে। তাতেও না সারলে ঔষধ খায়।

কেউ মরলে আত্মীয়রা উচ্চস্বরে বিলাপ করে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)