০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
আরও বড় ছাঁটাইয়ের পথে অ্যামাজন, কর্পোরেট স্তরে প্রায় ত্রিশ হাজার চাকরি ঝুঁকিতে অস্কারের ইতিহাসে রেকর্ড গড়ল ‘সিনার্স’, ১৬ মনোনয়নে শীর্ষে ভ্যাম্পায়ার থ্রিলার নার্সদের পাশে নেই ইউনিয়ন, পরিচয় রাজনীতির কাছে হার মানল কর্মজীবী নারীর মর্যাদা ওডিশায় যাজকের ওপর হামলা ঘিরে উত্তাল রাজনীতি, ধারাবাহিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় প্রশ্নের মুখে রাজ্য প্রশাসন ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’ ঘিরে দোটানায় দিল্লি, অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কূটনীতি ভারতের রব রেইনার: শোবিজে মানবিকতার এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প যা চান, বিশ্বকূটনীতির রাশ তাঁর হাতেই আমেরিকার ২৫০ বছরের ব্যবসায়িক শক্তি যেভাবে বিশ্ব সংস্কৃতি গড়েছে মিত্রতা থেকে মুখ ফেরাল ওয়াশিংটন, কুর্দিদের ছেড়ে নতুন সিরিয়ার পাশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারপ্রধান ও প্রেস সচিবের বক্তব্যে সন্দেহ অনিবার্য: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • 130

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভব্যতা প্রকাশ নয় রকমে হয়- ১ মিষ্ট সম্ভাষণ, ২ মাথা নুইয়ে সম্মান প্রদর্শন, ৩ দুই হাত উঁচু করে মাথা নোয়ানো, ৪ দুই হাত একত্র করে মস্তক নত করা, ৫ এক হাঁটু বেঁকানো, ৬ দুই হাঁটু গেড়ে বসা, ৭ হাত আর হাঁটু মাটিতে রাখা, ৮ পঞ্চচক্র (দুই হাঁটু, দুই কনুই আর কপাল) দ্বারা প্রণাম করা, ৯ সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত।

সবচেয়ে বেশি ভক্তি প্রদর্শন হচ্ছে একবার ভূমিতে প্রণত হয়ে তার পর হাঁটু গেড়ে বসে স্তুতি করা। দূরে থাকলে মাটিতে প্রণাম করলেই চলে; কাছে থাকলে পদচুম্বন ক’রে, গোড়ালিতে হাত দেওয়া রীতি।

উপরিতনের কাছে আজ্ঞা পেলে পরিচ্ছদ মাটির থেকে তুলে প্রণাম করতে হয়। যাঁকে প্রণাম করা হল তাঁর কর্তব্য মিষ্ট কথা ব’লে প্রণতের মাথা ছোঁয়া বা পিঠে হাত বুলানো আর সস্নেহে আদেশ বা উপদেশ দেওয়া।

ভক্তি প্রদর্শন করার জন্যে প্রণাম ছাড়া অনেক সময়ে একবার বা তিনবার প্রদক্ষিণ করা হয় বা অন্য রকমে বিশেষ ভক্তি দেখানো হয়।
কারো অসুখ করলে সে প্রথমে সাত দিন উপবাস করে। তাতেও না সারলে ঔষধ খায়।

কেউ মরলে আত্মীয়রা উচ্চস্বরে বিলাপ করে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

জনপ্রিয় সংবাদ

আরও বড় ছাঁটাইয়ের পথে অ্যামাজন, কর্পোরেট স্তরে প্রায় ত্রিশ হাজার চাকরি ঝুঁকিতে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫২)

০৯:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভব্যতা প্রকাশ নয় রকমে হয়- ১ মিষ্ট সম্ভাষণ, ২ মাথা নুইয়ে সম্মান প্রদর্শন, ৩ দুই হাত উঁচু করে মাথা নোয়ানো, ৪ দুই হাত একত্র করে মস্তক নত করা, ৫ এক হাঁটু বেঁকানো, ৬ দুই হাঁটু গেড়ে বসা, ৭ হাত আর হাঁটু মাটিতে রাখা, ৮ পঞ্চচক্র (দুই হাঁটু, দুই কনুই আর কপাল) দ্বারা প্রণাম করা, ৯ সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত।

সবচেয়ে বেশি ভক্তি প্রদর্শন হচ্ছে একবার ভূমিতে প্রণত হয়ে তার পর হাঁটু গেড়ে বসে স্তুতি করা। দূরে থাকলে মাটিতে প্রণাম করলেই চলে; কাছে থাকলে পদচুম্বন ক’রে, গোড়ালিতে হাত দেওয়া রীতি।

উপরিতনের কাছে আজ্ঞা পেলে পরিচ্ছদ মাটির থেকে তুলে প্রণাম করতে হয়। যাঁকে প্রণাম করা হল তাঁর কর্তব্য মিষ্ট কথা ব’লে প্রণতের মাথা ছোঁয়া বা পিঠে হাত বুলানো আর সস্নেহে আদেশ বা উপদেশ দেওয়া।

ভক্তি প্রদর্শন করার জন্যে প্রণাম ছাড়া অনেক সময়ে একবার বা তিনবার প্রদক্ষিণ করা হয় বা অন্য রকমে বিশেষ ভক্তি দেখানো হয়।
কারো অসুখ করলে সে প্রথমে সাত দিন উপবাস করে। তাতেও না সারলে ঔষধ খায়।

কেউ মরলে আত্মীয়রা উচ্চস্বরে বিলাপ করে।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)