১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিক্ষানীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বারবার বদল ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ‘সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ’ ম্যাচ, কড়া নিরাপত্তায় আটলান্টা ১৮ শতকের রুটির জাদু, প্রাচীন পদ্ধতিতে নতুন প্রজন্মের মুগ্ধতা হরমুজ প্রণালী নিরাপত্তায় ২০ শতাংশ ফি চাইল যুক্তরাষ্ট্র, তীব্র হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা বৈরিতা: ফুটবলের বাইরে দুই শতকের ইতিহাস, যুদ্ধ ও সম্পর্কের গল্প ভারতে পরীক্ষা সংস্কার ও জবাবদিহির দাবিতে অনশন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সোনম ওয়াংচুকের বার্তা সুপ্রিম কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত, তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ রথযাত্রা উৎসবে বড় ঘোষণা, পশ্চিমবঙ্গে আয়োজকদের ৫ লাখ টাকা করে অনুদান আকাশ ছুঁতে মাটির নিচে শিল্পীর অনন্য যাত্রা, ডেনমার্কে খুলল শততম আলো-আকাশের স্থাপনা মনিপুর সংকট: কুকি-জোদের আলোচনার উদ্যোগে মিজোরামের দ্বারস্থ, শান্তির পথে নতুন চেষ্টা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • 224

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

সামাজিক প্রথা

হিউএনচাঙ সাধারণভাবে জাতিভেদ বর্ণনা করেছেন। এর খুঁটিনাটির গোলক-ধাঁধাঁর মধ্যে প্রবেশ ক’রে সময় নষ্ট করেন নি। তিনি বলেছেন- নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিবাহ হয় না। স্ত্রীলোকদের একবারের বেশী বিবাহ হয় না। বিধবার বিবাহ হয় না।

আচার ব্যবহার: সাধারণ লোক আমুদে কিন্তু খাঁটি। টাকা পয়সা সম্বন্ধে, ব্যবহারে, বিচার কাজে সাধু ও সৎ; জুয়াচোর বা ঠক বা বিশ্বাসঘাতক নয়। পরলোকের ভয় করে। আচার-ব্যবহার নম্র আর সুমিষ্ট।

চোর-ডাকাতের সংখ্যা কম। আইনভঙ্গকারীর বেশ সুক্ষ্মভাবে বিচার হয় আর অপরাধীদের কয়েদ করা হয়; বিশ্বাসঘাতকতা করলে বা পিতা-মাতাকে কষ্ট দিলে অপরাধীর হাত পা বা নাক-কান কেটে লোকালয় থেকে দূর ক’রে দেওয়া হয়।

অন্য অপরাধে অর্থদণ্ড হয়। অপরাধ অন্বেষণের সময়ে আসামীকে কষ্ট দেওয়া হয় না। বিচারক যদি মনে করেন যে, অপরাধ প্রমাণ হয়েছে তবে আসামী অপরাধ স্বীকার না করলে সন্দেহ-স্থলে, জল বা আগুন বা ওজন বা বিষ দ্বারা পরীক্ষা করা হয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫০)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষানীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বারবার বদল

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫১)

০৯:০০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

সামাজিক প্রথা

হিউএনচাঙ সাধারণভাবে জাতিভেদ বর্ণনা করেছেন। এর খুঁটিনাটির গোলক-ধাঁধাঁর মধ্যে প্রবেশ ক’রে সময় নষ্ট করেন নি। তিনি বলেছেন- নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিবাহ হয় না। স্ত্রীলোকদের একবারের বেশী বিবাহ হয় না। বিধবার বিবাহ হয় না।

আচার ব্যবহার: সাধারণ লোক আমুদে কিন্তু খাঁটি। টাকা পয়সা সম্বন্ধে, ব্যবহারে, বিচার কাজে সাধু ও সৎ; জুয়াচোর বা ঠক বা বিশ্বাসঘাতক নয়। পরলোকের ভয় করে। আচার-ব্যবহার নম্র আর সুমিষ্ট।

চোর-ডাকাতের সংখ্যা কম। আইনভঙ্গকারীর বেশ সুক্ষ্মভাবে বিচার হয় আর অপরাধীদের কয়েদ করা হয়; বিশ্বাসঘাতকতা করলে বা পিতা-মাতাকে কষ্ট দিলে অপরাধীর হাত পা বা নাক-কান কেটে লোকালয় থেকে দূর ক’রে দেওয়া হয়।

অন্য অপরাধে অর্থদণ্ড হয়। অপরাধ অন্বেষণের সময়ে আসামীকে কষ্ট দেওয়া হয় না। বিচারক যদি মনে করেন যে, অপরাধ প্রমাণ হয়েছে তবে আসামী অপরাধ স্বীকার না করলে সন্দেহ-স্থলে, জল বা আগুন বা ওজন বা বিষ দ্বারা পরীক্ষা করা হয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫০)