১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
ভাঙনের প্রান্তে বিশ্ব: শক্তির পুনর্বিন্যাস, জনসংখ্যা সংকট এবং অনিশ্চিত আগামী মধ্যবয়সের নীরব সংকট: খাদ্যাভ্যাসের ব্যাধিকে কেন গুরুত্ব দেওয়া জরুরি শিক্ষানীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বারবার বদল ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ‘সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ’ ম্যাচ, কড়া নিরাপত্তায় আটলান্টা ১৮ শতকের রুটির জাদু, প্রাচীন পদ্ধতিতে নতুন প্রজন্মের মুগ্ধতা হরমুজ প্রণালী নিরাপত্তায় ২০ শতাংশ ফি চাইল যুক্তরাষ্ট্র, তীব্র হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা বৈরিতা: ফুটবলের বাইরে দুই শতকের ইতিহাস, যুদ্ধ ও সম্পর্কের গল্প ভারতে পরীক্ষা সংস্কার ও জবাবদিহির দাবিতে অনশন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সোনম ওয়াংচুকের বার্তা সুপ্রিম কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত, তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ রথযাত্রা উৎসবে বড় ঘোষণা, পশ্চিমবঙ্গে আয়োজকদের ৫ লাখ টাকা করে অনুদান

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 411

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘জীবন তো যায় নি, বেঁচে তো রয়েছি। গোটা কতক পোশাক পরিচ্ছদ, জিনিসপত্র যাক বা থাক তাতে কী এমন আসে যায়?’ তখন সঙ্গীরা বুঝলেন যে হিউএনচাঙের হৃদয় ছিল নদীর গভীর জলের মত। নদীর উপরে ঢেউ হতে পারে কিন্তু গভীর জল বিচলিত হয় না।

পরদিন তাঁরা ইরাবতী (রাভি) নদীর তীরে এক নগরে (লাহোর?) পৌঁছলেন। সেখানকার লোক, অধিকাংশই বিধর্মী হলেও ধর্মগুরু আর তাঁর সঙ্গীদের জন্যে প্রচুর আহার্য পরিচ্ছদ ইত্যাদি সংগ্রহ করে দিল।

ধর্মগুরু এই নগরের কাছে এক আম্রকুঞ্জে ‘সাতশ বছর বয়স্ক’ এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পান। তিনি আবার মাধ্যমিক শাস্ত্রে মহাপণ্ডিত ছিলেন। হিউএনচাঙ এক মাস এখানে থেকে তাঁর কাছে শাস্ত্র পাঠ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙনের প্রান্তে বিশ্ব: শক্তির পুনর্বিন্যাস, জনসংখ্যা সংকট এবং অনিশ্চিত আগামী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৪)

০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘জীবন তো যায় নি, বেঁচে তো রয়েছি। গোটা কতক পোশাক পরিচ্ছদ, জিনিসপত্র যাক বা থাক তাতে কী এমন আসে যায়?’ তখন সঙ্গীরা বুঝলেন যে হিউএনচাঙের হৃদয় ছিল নদীর গভীর জলের মত। নদীর উপরে ঢেউ হতে পারে কিন্তু গভীর জল বিচলিত হয় না।

পরদিন তাঁরা ইরাবতী (রাভি) নদীর তীরে এক নগরে (লাহোর?) পৌঁছলেন। সেখানকার লোক, অধিকাংশই বিধর্মী হলেও ধর্মগুরু আর তাঁর সঙ্গীদের জন্যে প্রচুর আহার্য পরিচ্ছদ ইত্যাদি সংগ্রহ করে দিল।

ধর্মগুরু এই নগরের কাছে এক আম্রকুঞ্জে ‘সাতশ বছর বয়স্ক’ এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পান। তিনি আবার মাধ্যমিক শাস্ত্রে মহাপণ্ডিত ছিলেন। হিউএনচাঙ এক মাস এখানে থেকে তাঁর কাছে শাস্ত্র পাঠ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)