০৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
 গণতন্ত্র দিবসে সংলাপ ও স্বৈরশাসনের অবসান দাবি এনএলডির  নেপিদোয় জান্তার সঙ্গে আরসিএসএসের সংলাপ, প্রত্যাখ্যান চার সশস্ত্র গোষ্ঠীর দুইশো বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যে সেমিকন ইন্ডিয়া উদ্বোধন করবেন মোদি চার বছরে নির্মিত পিংলু খাল চালু করল চীন, বদলে যাবে আঞ্চলিক বাণিজ্যপথ ভারতে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি সরানোর আহ্বান পাকিস্তান হকি ফেডারেশনের জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সমুদ্রসীমা বিরোধ মীমাংসায় বসল থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া ইরানকে সমর্থনের পুনরাবৃত্তি চীনের, ইয়েমেনে সংকট ছড়ানো নিয়ে সতর্কতা হরমুজ চাপের মধ্যে ওয়াশিংটনে রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবা অলিম্পিয়াডে থাইল্যান্ডকে হারাল ভারত, প্রথম বোর্ডে চমক হার অর্জুনের  লিয়াজোঁ কার্যালয় বিধ্বস্ত করার জন্য উত্তর কোরিয়াকে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ সিউল আদালতের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 448

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘জীবন তো যায় নি, বেঁচে তো রয়েছি। গোটা কতক পোশাক পরিচ্ছদ, জিনিসপত্র যাক বা থাক তাতে কী এমন আসে যায়?’ তখন সঙ্গীরা বুঝলেন যে হিউএনচাঙের হৃদয় ছিল নদীর গভীর জলের মত। নদীর উপরে ঢেউ হতে পারে কিন্তু গভীর জল বিচলিত হয় না।

পরদিন তাঁরা ইরাবতী (রাভি) নদীর তীরে এক নগরে (লাহোর?) পৌঁছলেন। সেখানকার লোক, অধিকাংশই বিধর্মী হলেও ধর্মগুরু আর তাঁর সঙ্গীদের জন্যে প্রচুর আহার্য পরিচ্ছদ ইত্যাদি সংগ্রহ করে দিল।

ধর্মগুরু এই নগরের কাছে এক আম্রকুঞ্জে ‘সাতশ বছর বয়স্ক’ এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পান। তিনি আবার মাধ্যমিক শাস্ত্রে মহাপণ্ডিত ছিলেন। হিউএনচাঙ এক মাস এখানে থেকে তাঁর কাছে শাস্ত্র পাঠ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

 গণতন্ত্র দিবসে সংলাপ ও স্বৈরশাসনের অবসান দাবি এনএলডির

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৪)

০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘জীবন তো যায় নি, বেঁচে তো রয়েছি। গোটা কতক পোশাক পরিচ্ছদ, জিনিসপত্র যাক বা থাক তাতে কী এমন আসে যায়?’ তখন সঙ্গীরা বুঝলেন যে হিউএনচাঙের হৃদয় ছিল নদীর গভীর জলের মত। নদীর উপরে ঢেউ হতে পারে কিন্তু গভীর জল বিচলিত হয় না।

পরদিন তাঁরা ইরাবতী (রাভি) নদীর তীরে এক নগরে (লাহোর?) পৌঁছলেন। সেখানকার লোক, অধিকাংশই বিধর্মী হলেও ধর্মগুরু আর তাঁর সঙ্গীদের জন্যে প্রচুর আহার্য পরিচ্ছদ ইত্যাদি সংগ্রহ করে দিল।

ধর্মগুরু এই নগরের কাছে এক আম্রকুঞ্জে ‘সাতশ বছর বয়স্ক’ এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পান। তিনি আবার মাধ্যমিক শাস্ত্রে মহাপণ্ডিত ছিলেন। হিউএনচাঙ এক মাস এখানে থেকে তাঁর কাছে শাস্ত্র পাঠ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)