০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
বিনিয়োগে ভূরাজনীতির ছায়া ঘনাচ্ছে, ঝুঁকি হিসাবেই নতুন বাস্তবতা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় ফুটপাতি হাঁকডাক, মান নিয়ে প্রশ্ন আজ বসন্ত পঞ্চমী, বিদ্যাদেবী সরস্বতীর আরাধনায় মেতে উঠেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা গণতন্ত্রের স্বপ্নে মবোক্রেসির বাস্তবতা: সংখ্যালঘুদের ভোটাধিকার ও নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্র–রাশিয়া–ইউক্রেন নিরাপত্তা আলোচনা, ভৌগোলিক প্রশ্নেই আটকে শান্তির সমাধান সরকারি ব্যাংক একীভূতকরণের ইঙ্গিত, ব্যাংকের সংখ্যা কমানোর পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক আকাশচুম্বী ভবন, পর্যটনের সুযোগসহ ‘নতুন গাজার’ পরিকল্পনা জানালো যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নাকচ রংপুর মেডিকেলে টানা ধর্মঘট, নিরাপত্তাহীনতায় চিকিৎসা বন্ধে চরম ঝুঁকিতে রোগীরা কেরানীগঞ্জে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে গুলিবিদ্ধ ইউনিয়ন নেতা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 276

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘জীবন তো যায় নি, বেঁচে তো রয়েছি। গোটা কতক পোশাক পরিচ্ছদ, জিনিসপত্র যাক বা থাক তাতে কী এমন আসে যায়?’ তখন সঙ্গীরা বুঝলেন যে হিউএনচাঙের হৃদয় ছিল নদীর গভীর জলের মত। নদীর উপরে ঢেউ হতে পারে কিন্তু গভীর জল বিচলিত হয় না।

পরদিন তাঁরা ইরাবতী (রাভি) নদীর তীরে এক নগরে (লাহোর?) পৌঁছলেন। সেখানকার লোক, অধিকাংশই বিধর্মী হলেও ধর্মগুরু আর তাঁর সঙ্গীদের জন্যে প্রচুর আহার্য পরিচ্ছদ ইত্যাদি সংগ্রহ করে দিল।

ধর্মগুরু এই নগরের কাছে এক আম্রকুঞ্জে ‘সাতশ বছর বয়স্ক’ এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পান। তিনি আবার মাধ্যমিক শাস্ত্রে মহাপণ্ডিত ছিলেন। হিউএনচাঙ এক মাস এখানে থেকে তাঁর কাছে শাস্ত্র পাঠ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগে ভূরাজনীতির ছায়া ঘনাচ্ছে, ঝুঁকি হিসাবেই নতুন বাস্তবতা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৪)

০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘জীবন তো যায় নি, বেঁচে তো রয়েছি। গোটা কতক পোশাক পরিচ্ছদ, জিনিসপত্র যাক বা থাক তাতে কী এমন আসে যায়?’ তখন সঙ্গীরা বুঝলেন যে হিউএনচাঙের হৃদয় ছিল নদীর গভীর জলের মত। নদীর উপরে ঢেউ হতে পারে কিন্তু গভীর জল বিচলিত হয় না।

পরদিন তাঁরা ইরাবতী (রাভি) নদীর তীরে এক নগরে (লাহোর?) পৌঁছলেন। সেখানকার লোক, অধিকাংশই বিধর্মী হলেও ধর্মগুরু আর তাঁর সঙ্গীদের জন্যে প্রচুর আহার্য পরিচ্ছদ ইত্যাদি সংগ্রহ করে দিল।

ধর্মগুরু এই নগরের কাছে এক আম্রকুঞ্জে ‘সাতশ বছর বয়স্ক’ এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পান। তিনি আবার মাধ্যমিক শাস্ত্রে মহাপণ্ডিত ছিলেন। হিউএনচাঙ এক মাস এখানে থেকে তাঁর কাছে শাস্ত্র পাঠ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)