১২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
ওহাইও নদীতে একসঙ্গে ঝাঁপ, প্রাণ গেল পাঁচজনের: সাঁতারু বাঁচাতে গিয়ে দুই পরিবারের মর্মান্তিক মৃত্যু বাংলাদেশ নয়, মহাসাগরে শক্তি বাড়াতে নতুন বিশাল সহায়ক যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ করছে চীন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্র হতে না পারলে চীনের প্রবৃদ্ধি চ্যালেঞ্জে পড়বে অর্ধেক খরচে নতুন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র আনছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়বে আকাশ প্রতিরক্ষার সক্ষমতা চীনের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনা: সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলায় প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিউবায় চীনের তিনটি গোয়েন্দা ঘাঁটির দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, নজরে মার্কিন সামরিক তৎপরতা ফাইভ-স্টার অবকাশে বন্ধুত্ব, শোক আর গোপন রহস্যের গল্প, দর্শকদের মন জয় করছে নতুন ধারাবাহিক খুঁতখুঁতে শিশুর খাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে মিলতে পারে সহজ সমাধান জাপানের অর্থনৈতিক জলসীমায় প্রথমবার চীনা যুদ্ধজাহাজের সরাসরি গুলি, বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা সুন্দরবনের জেলে নিখোঁজ: স্বাধীন তদন্তের দাবি, আইন সংস্কার নিয়েও উদ্বেগ

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 418

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘জীবন তো যায় নি, বেঁচে তো রয়েছি। গোটা কতক পোশাক পরিচ্ছদ, জিনিসপত্র যাক বা থাক তাতে কী এমন আসে যায়?’ তখন সঙ্গীরা বুঝলেন যে হিউএনচাঙের হৃদয় ছিল নদীর গভীর জলের মত। নদীর উপরে ঢেউ হতে পারে কিন্তু গভীর জল বিচলিত হয় না।

পরদিন তাঁরা ইরাবতী (রাভি) নদীর তীরে এক নগরে (লাহোর?) পৌঁছলেন। সেখানকার লোক, অধিকাংশই বিধর্মী হলেও ধর্মগুরু আর তাঁর সঙ্গীদের জন্যে প্রচুর আহার্য পরিচ্ছদ ইত্যাদি সংগ্রহ করে দিল।

ধর্মগুরু এই নগরের কাছে এক আম্রকুঞ্জে ‘সাতশ বছর বয়স্ক’ এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পান। তিনি আবার মাধ্যমিক শাস্ত্রে মহাপণ্ডিত ছিলেন। হিউএনচাঙ এক মাস এখানে থেকে তাঁর কাছে শাস্ত্র পাঠ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ওহাইও নদীতে একসঙ্গে ঝাঁপ, প্রাণ গেল পাঁচজনের: সাঁতারু বাঁচাতে গিয়ে দুই পরিবারের মর্মান্তিক মৃত্যু

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৪)

০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন। তাতে তিনি বললেন, ‘জীবন তো যায় নি, বেঁচে তো রয়েছি। গোটা কতক পোশাক পরিচ্ছদ, জিনিসপত্র যাক বা থাক তাতে কী এমন আসে যায়?’ তখন সঙ্গীরা বুঝলেন যে হিউএনচাঙের হৃদয় ছিল নদীর গভীর জলের মত। নদীর উপরে ঢেউ হতে পারে কিন্তু গভীর জল বিচলিত হয় না।

পরদিন তাঁরা ইরাবতী (রাভি) নদীর তীরে এক নগরে (লাহোর?) পৌঁছলেন। সেখানকার লোক, অধিকাংশই বিধর্মী হলেও ধর্মগুরু আর তাঁর সঙ্গীদের জন্যে প্রচুর আহার্য পরিচ্ছদ ইত্যাদি সংগ্রহ করে দিল।

ধর্মগুরু এই নগরের কাছে এক আম্রকুঞ্জে ‘সাতশ বছর বয়স্ক’ এক বৃদ্ধের সাক্ষাৎ পান। তিনি আবার মাধ্যমিক শাস্ত্রে মহাপণ্ডিত ছিলেন। হিউএনচাঙ এক মাস এখানে থেকে তাঁর কাছে শাস্ত্র পাঠ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭৩)