০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত পলক, আদালতে নেওয়ার পথে অঘটন জেলে যাওয়ার কৌতূহলেই বন্ধুকে হত্যা: নারায়ণগঞ্জে কিশোরদের নৃশংস পরিকল্পনা ফাঁস সোনার দামে বড় পতন, এক ভরিতে কমল ২ হাজার ২১৬ টাকা—রূপার বাজারেও স্বস্তি আমেরিকা-ইরান শান্তি আলোচনা ভাঙনের পথে, রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছে তেহরান হাওরের ধানে হঠাৎ জল, সুনামগঞ্জে ভেঙে গেল গ্রামীণ সড়ক, আতঙ্কে কৃষক সহিংসতা যখন মতাদর্শের ভাষা হয়ে ওঠে মস্কোতে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক, যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের নতুন কূটনৈতিক চাল হরমুজ প্রণালি খোলার প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প, অচলাবস্থা কাটাতে জটিল কূটনীতি মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি ঝুঁকি: জাপান-অস্ট্রেলিয়ার ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের পথে ইন্দো-প্যাসিফিক এশিয়ায় নতুন সামরিক কৌশল: যুক্তরাষ্ট্রের ‘কিল ওয়েব’ পরিকল্পনায় একসঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও ফিলিপাইন

হিউএনচাঙ (পর্ব-১১৩)

সঙ্ঘারামের কর্তৃপক্ষ হিউএনচাঙকে সাদরে গ্রহণ করলেন। তাঁদের মধ্যে চার জন বিশিষ্ট ব্যক্তি সাত যোজন দূর থেকে হিউএনচাঙকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে এলেন। সঙ্ঘারামের কাছে যে বাড়ীতে মৌদগ-ল্যায়ন জন্মেছিলেন বলে প্রসিদ্ধি ছিল সেখানে তিনি একটু বিশ্রাম ও জলযোগ করলেন।

তার পর সেখান থেকে দুইশত ভিক্ষু ও কয়েক সহস্র গৃহস্থ তাঁকে ঘিরে পতাকা, ফুল ও গন্ধদ্রব্য হাতে নিয়ে তাঁর গুণ-গান করতে করতে তাঁকে নালন্দায় প্রবেশ করালেন। সেখানে অন্য সকলে এসে কুশলপ্রশ্নাদি করে তাঁকে স্থবিরের পাশে বসালেন। অন্যরাও বসলেন।

তখন আদেশ পেয়ে, ‘কর্মদান’ (ম্যানেজার) ঘণ্টা বাজিয়ে ঘোষণা করলেন- ‘ধর্মগুরু (হিউএনচাঙ) যতদিন সঙ্ঘারামে থাকবেন, সাধুদের রন্ধনপাত্র ও অন্য সামগ্রী অন্য সকলের মত তাঁরও ব্যবহার করবার ক্ষমতা থাকল।’

তার পর কুড়ি জন সম্ভ্রান্ত অধ্যাপককে বলা হল, ‘এ’কে ধর্মরত্বের কাছে নিয়ে যান।’ শীলভদ্রের প্রতি ভক্তি করে তাঁকে নাম ধরে না ডেকে ‘ধর্মরত্ন’ বলা হত।

(চলবে)

 

প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত পলক, আদালতে নেওয়ার পথে অঘটন

হিউএনচাঙ (পর্ব-১১৩)

০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

সঙ্ঘারামের কর্তৃপক্ষ হিউএনচাঙকে সাদরে গ্রহণ করলেন। তাঁদের মধ্যে চার জন বিশিষ্ট ব্যক্তি সাত যোজন দূর থেকে হিউএনচাঙকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে এলেন। সঙ্ঘারামের কাছে যে বাড়ীতে মৌদগ-ল্যায়ন জন্মেছিলেন বলে প্রসিদ্ধি ছিল সেখানে তিনি একটু বিশ্রাম ও জলযোগ করলেন।

তার পর সেখান থেকে দুইশত ভিক্ষু ও কয়েক সহস্র গৃহস্থ তাঁকে ঘিরে পতাকা, ফুল ও গন্ধদ্রব্য হাতে নিয়ে তাঁর গুণ-গান করতে করতে তাঁকে নালন্দায় প্রবেশ করালেন। সেখানে অন্য সকলে এসে কুশলপ্রশ্নাদি করে তাঁকে স্থবিরের পাশে বসালেন। অন্যরাও বসলেন।

তখন আদেশ পেয়ে, ‘কর্মদান’ (ম্যানেজার) ঘণ্টা বাজিয়ে ঘোষণা করলেন- ‘ধর্মগুরু (হিউএনচাঙ) যতদিন সঙ্ঘারামে থাকবেন, সাধুদের রন্ধনপাত্র ও অন্য সামগ্রী অন্য সকলের মত তাঁরও ব্যবহার করবার ক্ষমতা থাকল।’

তার পর কুড়ি জন সম্ভ্রান্ত অধ্যাপককে বলা হল, ‘এ’কে ধর্মরত্বের কাছে নিয়ে যান।’ শীলভদ্রের প্রতি ভক্তি করে তাঁকে নাম ধরে না ডেকে ‘ধর্মরত্ন’ বলা হত।

(চলবে)