০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় চাওয়া ব্যক্তিদের পর্যটন-ব্যবসায়িক ভিসা বাতিল করবে ট্রাম্প প্রশাসন নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার কারণ কি হিমবাহ ধস? নতুন তথ্য যা বলছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে পারমাণবিক ক্ষুদ্র চুল্লি, ব্যয় হবে ২২০ কোটি ডলার ইরানে ডলারের দাম ছাড়াল ২০ লাখ রিয়াল, চরম সংকটে সাধারণ মানুষের জীবন ডলারের স্থিতিশীলতা, জাপানি ইয়েনে বড় পরিবর্তন নেই—জ্যাকসন হোলের দিকে নজর বাজারের কিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, শোনা গেল একের পর এক বিস্ফোরণ রাশিয়ার ওপর ‘স্লেজহ্যামার’ নিষেধাজ্ঞা, আগামী মাসে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে পাসের আশা কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আশায় ছিল গাড়ি নির্মাতারা, হঠাৎ দ্বিগুণ শুল্কের ধাক্কা এনভিডিয়ার আয় ৭০ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগের জোয়ার আরও কয়েক বছর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কর্মী ছাঁটাইয়ের জাকারবার্গের বড় পরিকল্পনা যেভাবে ভেস্তে গেল

হিউএনচাঙ (পর্ব-১১৩)

সঙ্ঘারামের কর্তৃপক্ষ হিউএনচাঙকে সাদরে গ্রহণ করলেন। তাঁদের মধ্যে চার জন বিশিষ্ট ব্যক্তি সাত যোজন দূর থেকে হিউএনচাঙকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে এলেন। সঙ্ঘারামের কাছে যে বাড়ীতে মৌদগ-ল্যায়ন জন্মেছিলেন বলে প্রসিদ্ধি ছিল সেখানে তিনি একটু বিশ্রাম ও জলযোগ করলেন।

তার পর সেখান থেকে দুইশত ভিক্ষু ও কয়েক সহস্র গৃহস্থ তাঁকে ঘিরে পতাকা, ফুল ও গন্ধদ্রব্য হাতে নিয়ে তাঁর গুণ-গান করতে করতে তাঁকে নালন্দায় প্রবেশ করালেন। সেখানে অন্য সকলে এসে কুশলপ্রশ্নাদি করে তাঁকে স্থবিরের পাশে বসালেন। অন্যরাও বসলেন।

তখন আদেশ পেয়ে, ‘কর্মদান’ (ম্যানেজার) ঘণ্টা বাজিয়ে ঘোষণা করলেন- ‘ধর্মগুরু (হিউএনচাঙ) যতদিন সঙ্ঘারামে থাকবেন, সাধুদের রন্ধনপাত্র ও অন্য সামগ্রী অন্য সকলের মত তাঁরও ব্যবহার করবার ক্ষমতা থাকল।’

তার পর কুড়ি জন সম্ভ্রান্ত অধ্যাপককে বলা হল, ‘এ’কে ধর্মরত্বের কাছে নিয়ে যান।’ শীলভদ্রের প্রতি ভক্তি করে তাঁকে নাম ধরে না ডেকে ‘ধর্মরত্ন’ বলা হত।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় চাওয়া ব্যক্তিদের পর্যটন-ব্যবসায়িক ভিসা বাতিল করবে ট্রাম্প প্রশাসন

হিউএনচাঙ (পর্ব-১১৩)

০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

সঙ্ঘারামের কর্তৃপক্ষ হিউএনচাঙকে সাদরে গ্রহণ করলেন। তাঁদের মধ্যে চার জন বিশিষ্ট ব্যক্তি সাত যোজন দূর থেকে হিউএনচাঙকে অভ্যর্থনা করে নিয়ে এলেন। সঙ্ঘারামের কাছে যে বাড়ীতে মৌদগ-ল্যায়ন জন্মেছিলেন বলে প্রসিদ্ধি ছিল সেখানে তিনি একটু বিশ্রাম ও জলযোগ করলেন।

তার পর সেখান থেকে দুইশত ভিক্ষু ও কয়েক সহস্র গৃহস্থ তাঁকে ঘিরে পতাকা, ফুল ও গন্ধদ্রব্য হাতে নিয়ে তাঁর গুণ-গান করতে করতে তাঁকে নালন্দায় প্রবেশ করালেন। সেখানে অন্য সকলে এসে কুশলপ্রশ্নাদি করে তাঁকে স্থবিরের পাশে বসালেন। অন্যরাও বসলেন।

তখন আদেশ পেয়ে, ‘কর্মদান’ (ম্যানেজার) ঘণ্টা বাজিয়ে ঘোষণা করলেন- ‘ধর্মগুরু (হিউএনচাঙ) যতদিন সঙ্ঘারামে থাকবেন, সাধুদের রন্ধনপাত্র ও অন্য সামগ্রী অন্য সকলের মত তাঁরও ব্যবহার করবার ক্ষমতা থাকল।’

তার পর কুড়ি জন সম্ভ্রান্ত অধ্যাপককে বলা হল, ‘এ’কে ধর্মরত্বের কাছে নিয়ে যান।’ শীলভদ্রের প্রতি ভক্তি করে তাঁকে নাম ধরে না ডেকে ‘ধর্মরত্ন’ বলা হত।

(চলবে)