০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
সংরক্ষিত বন নয়, কৃষিজমিই ভরসা—বন্য বিড়াল রক্ষায় নতুন গবেষণার বার্তা যুদ্ধের প্রভাবে আবার শক্তিশালী ডলার, নিরাপদ বিনিয়োগে ফিরে আসছে হলিউড অভিনেত্রী মেরি বেথ হার্ট আর নেই, আলঝেইমারসে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ৭৯ বছর বয়সে মৃত্যু চীনের টেলিকম খাতে বিনিয়োগ কমছে, চাপে জেডটিই মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে শ্রীলঙ্কায় বিদ্যুতের দাম প্রায় ৪০% বৃদ্ধি, আরও বাড়ার আশঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম ৪ ডলার ছাড়াল, চাপে ভোক্তা অর্থনীতি ইউরোপের ‘গানস বনাম বাটার’ সংকট তীব্রতর, ইরান যুদ্ধ নতুন চাপ তৈরি করেছে জ্বালানি সংকটে আবারও ‘কমিউনিটি প্যান্ট্রি’ আন্দোলন বাংলার ভোটার তালিকা থেকে মীর জাফরের ৩৪৬ বংশধর বাদ, নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত ফের ঊর্ধ্বমুখী সোনার বাজার: ভরিতে বাড়ল ৩,২৬৬ টাকা, ২২ ক্যারেট এখন ২,৪৪,৭১১ টাকা

রণক্ষেত্রে (পর্ব-৬৩)

সপ্তম পরিচ্ছেদ

এমন সময় চুবুক কাছে এসে দাঁড়ালেন।

বললুম, ‘বসুন। চা খাবেন নাকি একটু?’

‘সময় নেই। বরিস, যাবে নাকি আমার সঙ্গে? কও।’

‘হ্যাঁ,’ সঙ্গে সঙ্গে জবাব দিলুম আমি। কোথায় তিনি আমায় সঙ্গে নিয়ে যেতে চাইছেন তা জানতে পর্যন্ত চাইলুম না।

‘তাইলে, জলদি চা-টুক শেষ কর। আমাদের জন্যি গাড়ি দাঁড়িয়ে আচে।’

‘গাড়ি কী জন্যে, চুবুক?’

আমাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে তখন চুবুক বললেন যে আমাদের বাহিনী তার পরদিন ভোরে যাত্রা শুরু করে ওই জায়গাটা থেকে অল্প খানিক দূরে বেগিচেভের খনি-মজুরদের যে সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ করছে তার সঙ্গে মিলতে যাবে। তারপর ওদের সঙ্গে মিলিত হবার পর একসঙ্গে আমরা লাল ফৌজের প্রধান অংশের সঙ্গে মেলবার জন্যে এগোতে থাকব।

কিন্তু এটা করতে গেলে আমাদের ওই তিনজন সাংঘাতিক আহত লোককে সঙ্গে করে বয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না, কারণ এই যাত্রায় আমাদের শ্বেতরক্ষী আর জার্মানদের দখল-করা এলাকা পার হয়ে যেতে হবে।

আমরা তখন যেখানে ছিলুম সেখান থেকে কাছেই ছিল একটা মৌমাছিচাষের বাগান। জায়গাটা অজ পাঁড়া-গা, লোক-চলাচলের এলাকা থেকে একটু দূরে। তাছাড়া মৌমাছি-পালক লোকটি ছিল লাল ফৌজের প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন। আহতরা সেরে না-ওঠা পর্যন্ত সে তাদের আশ্রয় দিতে রাজী হয়েছিল। চুবুক তখন ওই বাগান থেকেই একটা একঘোড়ায় টানা গাড়ি নিয়ে আসছিলেন। জানালেন, অন্ধকার থাকতে-থাকতেই আহতদের সরিয়ে ফেলতে হবে।

‘আর কেউ আমাদের সঙ্গে যাচ্ছে?’

‘না। শুধু আমরা দুজনা। আমি একাই সামলাতে পারতাম, তবে ঘোড়াটা একটুক বেয়াড়া বলেই মুস্কিল। আমাদের একজনরে ঘোড়ার লাগাম ধরে ওরে চালাতি হবে, অপর জন জখমি কমরেডদের দেখাশোনা করবে। তা, তুমি যাবে নাকি?’

 

সংরক্ষিত বন নয়, কৃষিজমিই ভরসা—বন্য বিড়াল রক্ষায় নতুন গবেষণার বার্তা

রণক্ষেত্রে (পর্ব-৬৩)

০৮:০০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

সপ্তম পরিচ্ছেদ

এমন সময় চুবুক কাছে এসে দাঁড়ালেন।

বললুম, ‘বসুন। চা খাবেন নাকি একটু?’

‘সময় নেই। বরিস, যাবে নাকি আমার সঙ্গে? কও।’

‘হ্যাঁ,’ সঙ্গে সঙ্গে জবাব দিলুম আমি। কোথায় তিনি আমায় সঙ্গে নিয়ে যেতে চাইছেন তা জানতে পর্যন্ত চাইলুম না।

‘তাইলে, জলদি চা-টুক শেষ কর। আমাদের জন্যি গাড়ি দাঁড়িয়ে আচে।’

‘গাড়ি কী জন্যে, চুবুক?’

আমাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে তখন চুবুক বললেন যে আমাদের বাহিনী তার পরদিন ভোরে যাত্রা শুরু করে ওই জায়গাটা থেকে অল্প খানিক দূরে বেগিচেভের খনি-মজুরদের যে সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ করছে তার সঙ্গে মিলতে যাবে। তারপর ওদের সঙ্গে মিলিত হবার পর একসঙ্গে আমরা লাল ফৌজের প্রধান অংশের সঙ্গে মেলবার জন্যে এগোতে থাকব।

কিন্তু এটা করতে গেলে আমাদের ওই তিনজন সাংঘাতিক আহত লোককে সঙ্গে করে বয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না, কারণ এই যাত্রায় আমাদের শ্বেতরক্ষী আর জার্মানদের দখল-করা এলাকা পার হয়ে যেতে হবে।

আমরা তখন যেখানে ছিলুম সেখান থেকে কাছেই ছিল একটা মৌমাছিচাষের বাগান। জায়গাটা অজ পাঁড়া-গা, লোক-চলাচলের এলাকা থেকে একটু দূরে। তাছাড়া মৌমাছি-পালক লোকটি ছিল লাল ফৌজের প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন। আহতরা সেরে না-ওঠা পর্যন্ত সে তাদের আশ্রয় দিতে রাজী হয়েছিল। চুবুক তখন ওই বাগান থেকেই একটা একঘোড়ায় টানা গাড়ি নিয়ে আসছিলেন। জানালেন, অন্ধকার থাকতে-থাকতেই আহতদের সরিয়ে ফেলতে হবে।

‘আর কেউ আমাদের সঙ্গে যাচ্ছে?’

‘না। শুধু আমরা দুজনা। আমি একাই সামলাতে পারতাম, তবে ঘোড়াটা একটুক বেয়াড়া বলেই মুস্কিল। আমাদের একজনরে ঘোড়ার লাগাম ধরে ওরে চালাতি হবে, অপর জন জখমি কমরেডদের দেখাশোনা করবে। তা, তুমি যাবে নাকি?’