০৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
জৈবপ্রযুক্তির নতুন বিশ্বযুদ্ধে ভারতের সামনে যে ঐতিহাসিক সুযোগ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা স্থগিত , অনিশ্চয়তায় সমঝোতা ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে কুড়িগ্রামের চরে গৃহহীন ৩০ পরিবার, ঝুঁকিতে আরও শতাধিক আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন ঘিরে সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই, বললেন ডিএমপি কমিশনার শ্রমিক শ্রেণির ক্ষোভ, ভাঙা আস্থা এবং ব্রিটিশ রাজনীতির নতুন সন্ধিক্ষণ মার্কিন-ইরান সমঝোতার পরও অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য, লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ১৬ হোটেলের চেয়েও ব্যয়বহুল আশ্রয়শিবির! যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন নিয়ে নতুন বিতর্ক জনাথন ডেভিডের হ্যাটট্রিকে কাতারকে উড়িয়ে কানাডার ঐতিহাসিক ৬-০ জয় মেক্সিকোর ঐতিহাসিক জয়, সবার আগে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্বাগতিকরা নতুন সমঝোতার পথে ওয়াশিংটন-তেহরান: কেন কূটনীতির ভাষাই হয়ে উঠেছিল সবচেয়ে বড় বাধা

স্রোতেরা কালনাগিনী

স্রোতেরা কালনাগিনী

স্বদেশ রায়

ঘুটঘুটে অন্ধকার মাঝে মাঝে নামে কালিন্দির বুকে
তখন নদীর জলের স্রোতেরা কালনাগিনী হয়—
তাদের নিঃশ্বাসে নামে বিষ।
চাঁদ চলে যায় আকাশের অনেক অনেক অন্ধকারের গভীরে
শুকতারা ওঠে কিনা তাও দেখতে পায় না কেউ!
কালিন্দির বুকের এ রাত, নিয়তি নয়, সত্য নয়, এ পৃথিবীর
আরেক কালো গরল, হয়তো মাঝে মাঝে উঠে
আসে পৃথিবীর আপন গহবর থেকে।

মানুষেরা এমন অন্ধকার পার হয়েছে বহুবার
সেই বরফ যুগ থেকে—
দেখেছে কালিন্দির স্রোতের মতো—
এক ঝাঁক মানুষের মত লোমশ জীব, নিঃশ্বাসও বিষাক্ত—
সে নিঃশ্বাসে শুধু মানুষ নয়, শেষ হয়ে যায়
পৃথিবীকে আচ্ছাদিত করে রাখে যে তৃণ সেও।

তবুও মানুষ জানে ঘুটঘুটে অন্ধকারে
কালিন্দির বুক থেকে উঠে আসা ওইসব লোমশ দেহ
মানুষ নয়, পিশাচ নয়— নয় সামান্য ঘৃণ্য কীট, বরং অন্যকিছু।
এদের বিনাশ লেখা থাকে নিজ নিজ শরীরের গহবরে
সেই সব শরীর পঁচে কোথায় চলে যায়
জানে না পৃথিবী।
পৃথিবী শুধু দেখতে পায়—
আবার চাঁদ এসেছে
পাগলী মেয়ের চপল পায়ে
দৃঢ় আলো আর উজ্জ্বল আশায়—
তখন পাখিরা আবার জেগে ওঠে নীড়ে
ঠোঁট রাখে একে অপরের ঠোঁটে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জৈবপ্রযুক্তির নতুন বিশ্বযুদ্ধে ভারতের সামনে যে ঐতিহাসিক সুযোগ

স্রোতেরা কালনাগিনী

১১:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

স্রোতেরা কালনাগিনী

স্বদেশ রায়

ঘুটঘুটে অন্ধকার মাঝে মাঝে নামে কালিন্দির বুকে
তখন নদীর জলের স্রোতেরা কালনাগিনী হয়—
তাদের নিঃশ্বাসে নামে বিষ।
চাঁদ চলে যায় আকাশের অনেক অনেক অন্ধকারের গভীরে
শুকতারা ওঠে কিনা তাও দেখতে পায় না কেউ!
কালিন্দির বুকের এ রাত, নিয়তি নয়, সত্য নয়, এ পৃথিবীর
আরেক কালো গরল, হয়তো মাঝে মাঝে উঠে
আসে পৃথিবীর আপন গহবর থেকে।

মানুষেরা এমন অন্ধকার পার হয়েছে বহুবার
সেই বরফ যুগ থেকে—
দেখেছে কালিন্দির স্রোতের মতো—
এক ঝাঁক মানুষের মত লোমশ জীব, নিঃশ্বাসও বিষাক্ত—
সে নিঃশ্বাসে শুধু মানুষ নয়, শেষ হয়ে যায়
পৃথিবীকে আচ্ছাদিত করে রাখে যে তৃণ সেও।

তবুও মানুষ জানে ঘুটঘুটে অন্ধকারে
কালিন্দির বুক থেকে উঠে আসা ওইসব লোমশ দেহ
মানুষ নয়, পিশাচ নয়— নয় সামান্য ঘৃণ্য কীট, বরং অন্যকিছু।
এদের বিনাশ লেখা থাকে নিজ নিজ শরীরের গহবরে
সেই সব শরীর পঁচে কোথায় চলে যায়
জানে না পৃথিবী।
পৃথিবী শুধু দেখতে পায়—
আবার চাঁদ এসেছে
পাগলী মেয়ের চপল পায়ে
দৃঢ় আলো আর উজ্জ্বল আশায়—
তখন পাখিরা আবার জেগে ওঠে নীড়ে
ঠোঁট রাখে একে অপরের ঠোঁটে।