০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মে শিশুদের নিরাপত্তা: আইনগত সীমাবদ্ধতা ও দায়িত্ব বিতর্ক আশা আছি জোসেফের অভিযোগ: লেভ সরকার লজ্জাজনকভাবে নিঃশব্দ সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪২% প্রতিষ্ঠান এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নেতা দুবাইয়ে ডিজিটাল বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত: WORLDEF ২০২৬ সফল সমাপ্ত শ্রীলঙ্কা’তে বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ঘোষণা: কর ছাড় সহ আর্থিক কেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ সংযুক্ত আরব আমিরাতে অর্থনীতি শক্তিশালী এবং ত্বরান্বিত বৃদ্ধির পথে অ্যারুন্ধতী রায় বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বিরতি: গাজা নিয়ে জুরি সভাপতি মন্তব্যের প্রতিবাদ বগুড়ার শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ফায়ার স্টেশনে ঢুকে নিহত ফায়ারফাইটার বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আসছে অরেঞ্জ বন্ড ও সুকুক রমজানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

স্রোতেরা কালনাগিনী

স্রোতেরা কালনাগিনী

স্বদেশ রায়

ঘুটঘুটে অন্ধকার মাঝে মাঝে নামে কালিন্দির বুকে
তখন নদীর জলের স্রোতেরা কালনাগিনী হয়—
তাদের নিঃশ্বাসে নামে বিষ।
চাঁদ চলে যায় আকাশের অনেক অনেক অন্ধকারের গভীরে
শুকতারা ওঠে কিনা তাও দেখতে পায় না কেউ!
কালিন্দির বুকের এ রাত, নিয়তি নয়, সত্য নয়, এ পৃথিবীর
আরেক কালো গরল, হয়তো মাঝে মাঝে উঠে
আসে পৃথিবীর আপন গহবর থেকে।

মানুষেরা এমন অন্ধকার পার হয়েছে বহুবার
সেই বরফ যুগ থেকে—
দেখেছে কালিন্দির স্রোতের মতো—
এক ঝাঁক মানুষের মত লোমশ জীব, নিঃশ্বাসও বিষাক্ত—
সে নিঃশ্বাসে শুধু মানুষ নয়, শেষ হয়ে যায়
পৃথিবীকে আচ্ছাদিত করে রাখে যে তৃণ সেও।

তবুও মানুষ জানে ঘুটঘুটে অন্ধকারে
কালিন্দির বুক থেকে উঠে আসা ওইসব লোমশ দেহ
মানুষ নয়, পিশাচ নয়— নয় সামান্য ঘৃণ্য কীট, বরং অন্যকিছু।
এদের বিনাশ লেখা থাকে নিজ নিজ শরীরের গহবরে
সেই সব শরীর পঁচে কোথায় চলে যায়
জানে না পৃথিবী।
পৃথিবী শুধু দেখতে পায়—
আবার চাঁদ এসেছে
পাগলী মেয়ের চপল পায়ে
দৃঢ় আলো আর উজ্জ্বল আশায়—
তখন পাখিরা আবার জেগে ওঠে নীড়ে
ঠোঁট রাখে একে অপরের ঠোঁটে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মে শিশুদের নিরাপত্তা: আইনগত সীমাবদ্ধতা ও দায়িত্ব বিতর্ক

স্রোতেরা কালনাগিনী

১১:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

স্রোতেরা কালনাগিনী

স্বদেশ রায়

ঘুটঘুটে অন্ধকার মাঝে মাঝে নামে কালিন্দির বুকে
তখন নদীর জলের স্রোতেরা কালনাগিনী হয়—
তাদের নিঃশ্বাসে নামে বিষ।
চাঁদ চলে যায় আকাশের অনেক অনেক অন্ধকারের গভীরে
শুকতারা ওঠে কিনা তাও দেখতে পায় না কেউ!
কালিন্দির বুকের এ রাত, নিয়তি নয়, সত্য নয়, এ পৃথিবীর
আরেক কালো গরল, হয়তো মাঝে মাঝে উঠে
আসে পৃথিবীর আপন গহবর থেকে।

মানুষেরা এমন অন্ধকার পার হয়েছে বহুবার
সেই বরফ যুগ থেকে—
দেখেছে কালিন্দির স্রোতের মতো—
এক ঝাঁক মানুষের মত লোমশ জীব, নিঃশ্বাসও বিষাক্ত—
সে নিঃশ্বাসে শুধু মানুষ নয়, শেষ হয়ে যায়
পৃথিবীকে আচ্ছাদিত করে রাখে যে তৃণ সেও।

তবুও মানুষ জানে ঘুটঘুটে অন্ধকারে
কালিন্দির বুক থেকে উঠে আসা ওইসব লোমশ দেহ
মানুষ নয়, পিশাচ নয়— নয় সামান্য ঘৃণ্য কীট, বরং অন্যকিছু।
এদের বিনাশ লেখা থাকে নিজ নিজ শরীরের গহবরে
সেই সব শরীর পঁচে কোথায় চলে যায়
জানে না পৃথিবী।
পৃথিবী শুধু দেখতে পায়—
আবার চাঁদ এসেছে
পাগলী মেয়ের চপল পায়ে
দৃঢ় আলো আর উজ্জ্বল আশায়—
তখন পাখিরা আবার জেগে ওঠে নীড়ে
ঠোঁট রাখে একে অপরের ঠোঁটে।