০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
২০২৭ সালে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ইন্দোনেশিয়ার, কমছে বাজেট ঘাটতিও চীনে ভক্সওয়াগেনের ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনায় নতুন শঙ্কা, কমছে বিক্রি ডানপন্থী উত্থানে এশিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাইল্যান্ডে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের নতুন উদ্যোগ, তবু বড় প্রশ্নে অবৈধ অস্ত্রের সহজলভ্যতা রেকিয়াভিকে ‘যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’: পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপের স্বপ্নে রিগ্যান-গর্বাচেভ গ্যাস সংকটে হবিগঞ্জে ১৭১ কারখানা বন্ধ, কর্মহীন লক্ষাধিক শ্রমিক কুষ্টিয়ায় বালুবাহী যান পদ্মায়, নিখোঁজ ৮ বছরের শিশু ১৫ আগস্ট ঘিরে ঢাকায় কঠোর নিরাপত্তা, মাঠে ডিএমপির বিশেষ ইউনিট নেপালের নতুন রাজনৈতিক তারকার আলো কেন ম্লান হয়ে আসছে সেন্ট্রাল পার্কে শেক্সপিয়রের ‘শীতের কাহিনি’, পুরোনো আবহে নতুন মুগ্ধতা

স্রোতেরা কালনাগিনী

স্রোতেরা কালনাগিনী

স্বদেশ রায়

ঘুটঘুটে অন্ধকার মাঝে মাঝে নামে কালিন্দির বুকে
তখন নদীর জলের স্রোতেরা কালনাগিনী হয়—
তাদের নিঃশ্বাসে নামে বিষ।
চাঁদ চলে যায় আকাশের অনেক অনেক অন্ধকারের গভীরে
শুকতারা ওঠে কিনা তাও দেখতে পায় না কেউ!
কালিন্দির বুকের এ রাত, নিয়তি নয়, সত্য নয়, এ পৃথিবীর
আরেক কালো গরল, হয়তো মাঝে মাঝে উঠে
আসে পৃথিবীর আপন গহবর থেকে।

মানুষেরা এমন অন্ধকার পার হয়েছে বহুবার
সেই বরফ যুগ থেকে—
দেখেছে কালিন্দির স্রোতের মতো—
এক ঝাঁক মানুষের মত লোমশ জীব, নিঃশ্বাসও বিষাক্ত—
সে নিঃশ্বাসে শুধু মানুষ নয়, শেষ হয়ে যায়
পৃথিবীকে আচ্ছাদিত করে রাখে যে তৃণ সেও।

তবুও মানুষ জানে ঘুটঘুটে অন্ধকারে
কালিন্দির বুক থেকে উঠে আসা ওইসব লোমশ দেহ
মানুষ নয়, পিশাচ নয়— নয় সামান্য ঘৃণ্য কীট, বরং অন্যকিছু।
এদের বিনাশ লেখা থাকে নিজ নিজ শরীরের গহবরে
সেই সব শরীর পঁচে কোথায় চলে যায়
জানে না পৃথিবী।
পৃথিবী শুধু দেখতে পায়—
আবার চাঁদ এসেছে
পাগলী মেয়ের চপল পায়ে
দৃঢ় আলো আর উজ্জ্বল আশায়—
তখন পাখিরা আবার জেগে ওঠে নীড়ে
ঠোঁট রাখে একে অপরের ঠোঁটে।

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৭ সালে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ইন্দোনেশিয়ার, কমছে বাজেট ঘাটতিও

স্রোতেরা কালনাগিনী

১১:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

স্রোতেরা কালনাগিনী

স্বদেশ রায়

ঘুটঘুটে অন্ধকার মাঝে মাঝে নামে কালিন্দির বুকে
তখন নদীর জলের স্রোতেরা কালনাগিনী হয়—
তাদের নিঃশ্বাসে নামে বিষ।
চাঁদ চলে যায় আকাশের অনেক অনেক অন্ধকারের গভীরে
শুকতারা ওঠে কিনা তাও দেখতে পায় না কেউ!
কালিন্দির বুকের এ রাত, নিয়তি নয়, সত্য নয়, এ পৃথিবীর
আরেক কালো গরল, হয়তো মাঝে মাঝে উঠে
আসে পৃথিবীর আপন গহবর থেকে।

মানুষেরা এমন অন্ধকার পার হয়েছে বহুবার
সেই বরফ যুগ থেকে—
দেখেছে কালিন্দির স্রোতের মতো—
এক ঝাঁক মানুষের মত লোমশ জীব, নিঃশ্বাসও বিষাক্ত—
সে নিঃশ্বাসে শুধু মানুষ নয়, শেষ হয়ে যায়
পৃথিবীকে আচ্ছাদিত করে রাখে যে তৃণ সেও।

তবুও মানুষ জানে ঘুটঘুটে অন্ধকারে
কালিন্দির বুক থেকে উঠে আসা ওইসব লোমশ দেহ
মানুষ নয়, পিশাচ নয়— নয় সামান্য ঘৃণ্য কীট, বরং অন্যকিছু।
এদের বিনাশ লেখা থাকে নিজ নিজ শরীরের গহবরে
সেই সব শরীর পঁচে কোথায় চলে যায়
জানে না পৃথিবী।
পৃথিবী শুধু দেখতে পায়—
আবার চাঁদ এসেছে
পাগলী মেয়ের চপল পায়ে
দৃঢ় আলো আর উজ্জ্বল আশায়—
তখন পাখিরা আবার জেগে ওঠে নীড়ে
ঠোঁট রাখে একে অপরের ঠোঁটে।