১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে জনসংখ্যা কমছে: লস অ্যাঞ্জেলেস, মায়ামিতে পতন, অভিবাসন নীতির বড় প্রভাব ড্রোন যুদ্ধের নতুন বাস্তবতা: রাশিয়ার কৌশল শিখে ইরানের প্রস্তুতি, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধচিত্র যুদ্ধের তিন সপ্তাহেই বিপুল ক্ষতি: মার্কিন সামরিক সম্পদ হারানোর হিসাব চমকে দিচ্ছে জ্বালানি দামের ধাক্কায় বিশ্ব অর্থনীতি চাপে, ঋণের বোঝায় সীমায় পৌঁছাচ্ছে সরকারগুলো মরুভূমিতে স্কি স্বপ্ন ভেঙে গেল: সৌদি আরবের ট্রোজেনা প্রকল্পে বড় ধাক্কা অপ্রত্যাশিত সম্পর্কের গল্পে নতুন ঝড়: ‘ফ্যান্টাসি লাইফ’-এ মধ্যবয়সের শূন্যতা ও ভালোবাসার খোঁজ মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টে যাচ্ছে সমীকরণ: ইরানের দখলে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ, চাপে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: এশিয়ার বন্দরে জট, বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় সংকট ভূমিকম্পের এক বছর পরও থমকে পুনর্গঠন, মিয়ানমারে দুঃস্বপ্ন এখনো জীবন্ত ইরান থেকে পালানোর পথ তুরস্ক সীমান্ত: অন্তহীন যুদ্ধের ক্লান্তি আর মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং এ আবার সমস্যা:  টোকিও-দিল্লি ফ্লাইট কলকাতায় অবতরণ

কলকাতায় নিরাপদে অবতরণ

টোকিওর হানেদা বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট AI357 রবিবার কলকাতায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়। যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা কেবিনের ভিতরে ক্রমাগত উষ্ণ তাপমাত্রার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। এ কারণে ‘সতর্কতামূলক অবতরণ’ করা হয় বলে এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে। বিমানটি কলকাতায় নিরাপদে নামার পর প্রযুক্তিগত পরীক্ষা চলছে।

এক বিবৃতিতে এয়ার ইন্ডিয়া বলেছে, “২৯ জুন ২০২৫ তারিখে হানেদা থেকে দিল্লিগামী AI357 ফ্লাইটটি কেবিনে ক্রমাগত উষ্ণ তাপমাত্রার কারণে সতর্কতামূলকভাবে কলকাতায় অবতরণ করে। বিমানটি নিরাপদে নেমেছে এবং এখন পরীক্ষা চলছে।”

যাত্রীদের সহায়তা ও বিকল্প ব্যবস্থা

এয়ার ইন্ডিয়া আশ্বস্ত করেছে যে কলকাতায় তাদের মাটির কর্মীরা যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছেন এবং দিল্লি পৌঁছানোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমাদের যাত্রীদের যে অসুবিধা হয়েছে, তার জন্য আমরা দুঃখিত।”

আগের দিনের আরেক ঘটনা

এর ঠিক এক দিন আগে, শুক্রবার ২৭ জুন, মুম্বাই থেকে চেন্নাইগামী AI639 ফ্লাইটটিও মাঝ আকাশ থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। কেবিনে পুড়ে যাওয়ার গন্ধ পাওয়া গেলে ক্রুরা সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিমানটিকে মুম্বাইতে ফিরিয়ে আনেন। এয়ার ইন্ডিয়া জানায়, বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে এবং যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য বিকল্প বিমান ব্যবস্থা করা হয়।

সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, “ফ্লাইট AI639-এর ক্রু কেবিনে পোড়া গন্ধের কারণে সতর্কতামূলকভাবে ফিরে আসে। মুম্বাইয়ে আমাদের সহকর্মীরা যাত্রীদের সকল প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন।”

টেকনিক্যাল নির্ভরযোগ্যতা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

পরপর দুটি এমন ঘটনা এয়ার ইন্ডিয়ার টেকনিক্যাল নির্ভরযোগ্যতা এবং যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে এমন সময়ে যখন টাটা গ্রুপের মালিকানায় সংস্থাটি বড় ধরনের বহর ও পরিষেবা সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা DGCA উভয় ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছে বলে জানা গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে জনসংখ্যা কমছে: লস অ্যাঞ্জেলেস, মায়ামিতে পতন, অভিবাসন নীতির বড় প্রভাব

এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং এ আবার সমস্যা:  টোকিও-দিল্লি ফ্লাইট কলকাতায় অবতরণ

০৫:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

কলকাতায় নিরাপদে অবতরণ

টোকিওর হানেদা বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট AI357 রবিবার কলকাতায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়। যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা কেবিনের ভিতরে ক্রমাগত উষ্ণ তাপমাত্রার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। এ কারণে ‘সতর্কতামূলক অবতরণ’ করা হয় বলে এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে। বিমানটি কলকাতায় নিরাপদে নামার পর প্রযুক্তিগত পরীক্ষা চলছে।

এক বিবৃতিতে এয়ার ইন্ডিয়া বলেছে, “২৯ জুন ২০২৫ তারিখে হানেদা থেকে দিল্লিগামী AI357 ফ্লাইটটি কেবিনে ক্রমাগত উষ্ণ তাপমাত্রার কারণে সতর্কতামূলকভাবে কলকাতায় অবতরণ করে। বিমানটি নিরাপদে নেমেছে এবং এখন পরীক্ষা চলছে।”

যাত্রীদের সহায়তা ও বিকল্প ব্যবস্থা

এয়ার ইন্ডিয়া আশ্বস্ত করেছে যে কলকাতায় তাদের মাটির কর্মীরা যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছেন এবং দিল্লি পৌঁছানোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমাদের যাত্রীদের যে অসুবিধা হয়েছে, তার জন্য আমরা দুঃখিত।”

আগের দিনের আরেক ঘটনা

এর ঠিক এক দিন আগে, শুক্রবার ২৭ জুন, মুম্বাই থেকে চেন্নাইগামী AI639 ফ্লাইটটিও মাঝ আকাশ থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। কেবিনে পুড়ে যাওয়ার গন্ধ পাওয়া গেলে ক্রুরা সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিমানটিকে মুম্বাইতে ফিরিয়ে আনেন। এয়ার ইন্ডিয়া জানায়, বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে এবং যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য বিকল্প বিমান ব্যবস্থা করা হয়।

সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, “ফ্লাইট AI639-এর ক্রু কেবিনে পোড়া গন্ধের কারণে সতর্কতামূলকভাবে ফিরে আসে। মুম্বাইয়ে আমাদের সহকর্মীরা যাত্রীদের সকল প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন।”

টেকনিক্যাল নির্ভরযোগ্যতা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

পরপর দুটি এমন ঘটনা এয়ার ইন্ডিয়ার টেকনিক্যাল নির্ভরযোগ্যতা এবং যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে এমন সময়ে যখন টাটা গ্রুপের মালিকানায় সংস্থাটি বড় ধরনের বহর ও পরিষেবা সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা DGCA উভয় ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছে বলে জানা গেছে।