০৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
ট্রাম্প বললেন ভেনেজুয়েলার আকাশপথ ‘সম্পূর্ণ বন্ধ’ বলে বিবেচিত হওয়া উচিত জিন্নাহর ফেডারেল কোর্ট ছিল এক সেতু: ২৭তম সংশোধনী সেই সেতুটি পুড়িয়ে দিল পাকিস্তানে রাজনৈতিক বন্দিদের সাক্ষাৎ–বিতর্ক: কারাবিধি আসলে কী বলে আমেরিকায় লেফটোভার বিপ্লব: মুদ্রাস্ফীতির চাপে রান্নাঘরে ফিরে আসছে সৃজনশীলতা ওয়াশিংটন হত্যাকাণ্ডের পর ট্রাম্পের নতুন অভিবাসন দমন: ‘রিভার্স মাইগ্রেশন’ এখন প্রশাসনের অগ্রাধিকার ইসরায়েলের সতর্কতা: ইরানের সঙ্গে আরেক দফা যুদ্ধ কি সামনে দাঁড়িয়ে? ইরানের নতুন বার্তা: পরমাণু আলোচনায় ফেরার বিরল সুযোগ এখনই ট্রাম্প প্রশাসনের অগ্রাধিকার নিয়ে উদ্বেগে অরিগনের উপকূলীয় মাছধরা শহর কাবুলের ইন্টারকনটিনেন্টাল: জাঁকজমক, যুদ্ধ আর মানুষের ভূতের মতো স্মৃতি সামুদ্রিক ফাঁদ টেনে তুলে নিল নেকড়ে: মানুষের রেখে যাওয়া ‘যন্ত্র’ ব্যবহার করে অবাক আচরণ

গাজায় নাসের হাসপাতাল বোমা হামলায় অন্তত ২০ নিহত, পাঁচ সাংবাদিকও প্রাণ হারালেন

২৫ আগস্ট সোমবার ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে অবস্থিত নাসের হাসপাতালে হামলা চালায়। এতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পাঁচজন সাংবাদিক ছিলেন। নিহত সাংবাদিকরা রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), আল জাজিরা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কাজ করতেন।

প্রথম হামলায় রয়টার্সের কন্ট্রাক্ট ক্যামেরাপার্সন হুসাম আল-মাসরি নিহত হন। তিনি হাসপাতালের ছাদের নিচতলার একটি স্থানে লাইভ সম্প্রচারের দায়িত্বে ছিলেন। এরপর হাসপাতালে দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হলে অন্যান্য সাংবাদিক, উদ্ধারকর্মী ও চিকিৎসকরাও নিহত হন।

নিহত ও আহতদের পরিচয়
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—

মরিয়ম আবু দাগ্গার (এপি ও অন্যান্য মাধ্যমে কাজ করতেন)

মোহাম্মদ সালামা (আল জাজিরা)

মুয়াজ আবু তাহা (ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, মাঝে মাঝে রয়টার্সেও কাজ করেছেন)

আহমেদ আবু আজিজ

এ ছাড়া রয়টার্সের আরেক আলোকচিত্রী হাতেম খালেদ গুরুতর আহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় একে ‘দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা’ বলে অভিহিত করেছে। তিনি বলেন, সাংবাদিক ও চিকিৎসকরা ইসরায়েলের কাছে মূল্যবান, তবে যুদ্ধ কেবল হামাসের সঙ্গে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) স্বীকার করেছে যে তারা নাসের হাসপাতালের আশপাশে হামলা চালিয়েছে। তারা জানিয়েছে, সেনাপ্রধান বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আইডিএফের ভাষায়, তারা কখনও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে না, তবে যুদ্ধক্ষেত্রে নিরীহ মানুষের ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
রয়টার্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সহকর্মী হুসাম আল-মাসরির মৃত্যুতে তারা মর্মাহত। একই সঙ্গে আহত হাতেম খালেদের জন্য জরুরি চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, তিনি বিষয়টি আগে জানতেন না এবং এ ধরনের ঘটনা তিনি দেখতে চান না। একই সঙ্গে তিনি যুদ্ধের অবসান প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) নিহত সাংবাদিক মরিয়ম আবু দাগ্গারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তিনি হাসপাতালে অবস্থান করেই দুর্ভিক্ষ ও অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করতেন।

ফিলিস্তিনি প্রতিক্রিয়া ও সাংবাদিক সংগঠনের অভিযোগ
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্সি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি সাংবাদিকদের সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।

ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়ন ইসরায়েলের এ হামলাকে ‘মুক্ত সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ’ আখ্যা দিয়েছে। তাদের দাবি, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ২৪০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) জানিয়েছে, এ পর্যন্ত গাজায় ১৮৯ জনসহ মোট ১৯৭ জন সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী নিহত হয়েছেন। সংস্থাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলকে দায়ী করার আহ্বান জানিয়েছে।

ইসরায়েলের অবস্থান
ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফ্রিন বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে এ ঘটনার তদন্ত করা বাধ্যতামূলক। তিনি স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্তের ফল প্রকাশের আশ্বাস দিয়েছেন।

তবে তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে সংবাদ পরিবেশন সবসময় ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষত যখন প্রতিপক্ষ হামাসের মতো সংগঠন সাধারণ মানুষের আড়ালে লুকিয়ে থাকে।

অতীতের ঘটনা
একই দিনে খান ইউনিসের মাওয়াসি এলাকায় সাংবাদিক হাসান দোহান ইসরায়েলি গুলিতে নিহত হন।

দুই সপ্তাহ আগে আল জাজিরার সাংবাদিক আনাস আল-শরিফসহ পাঁচ সাংবাদিক ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারান। ইসরায়েল দাবি করেছিল, আল-শরিফ হামাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যদিও আল জাজিরা তা অস্বীকার করে।

২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ লেবাননে রয়টার্স সাংবাদিক ইসাম আবদাল্লাহ ইসরায়েলি ট্যাংক হামলায় নিহত হন। সে ঘটনার তদন্ত এখনো প্রকাশ পায়নি।

গাজার সংবাদ কভারেজের বাস্তবতা
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েল বিদেশি সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশে বাধা দিয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো স্থানীয় ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ওপর নির্ভরশীল। রয়টার্স, এপি ও অন্যান্য সংবাদ সংস্থা মূলত তাদের মাধ্যমেই গাজার পরিস্থিতির খবর বিশ্বে পৌঁছে দিচ্ছে।


নাসের হাসপাতালে হামলা ইসরায়েল-গাজার চলমান সংঘাতে সাংবাদিক ও বেসামরিক নাগরিকদের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির একটি ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। সাংবাদিক সংগঠনগুলো এ ঘটনাকে মুক্ত সংবাদমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বর্ণনা করছে এবং আন্তর্জাতিক মহলের কাছে ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প বললেন ভেনেজুয়েলার আকাশপথ ‘সম্পূর্ণ বন্ধ’ বলে বিবেচিত হওয়া উচিত

গাজায় নাসের হাসপাতাল বোমা হামলায় অন্তত ২০ নিহত, পাঁচ সাংবাদিকও প্রাণ হারালেন

০২:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

২৫ আগস্ট সোমবার ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে অবস্থিত নাসের হাসপাতালে হামলা চালায়। এতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পাঁচজন সাংবাদিক ছিলেন। নিহত সাংবাদিকরা রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), আল জাজিরা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কাজ করতেন।

প্রথম হামলায় রয়টার্সের কন্ট্রাক্ট ক্যামেরাপার্সন হুসাম আল-মাসরি নিহত হন। তিনি হাসপাতালের ছাদের নিচতলার একটি স্থানে লাইভ সম্প্রচারের দায়িত্বে ছিলেন। এরপর হাসপাতালে দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হলে অন্যান্য সাংবাদিক, উদ্ধারকর্মী ও চিকিৎসকরাও নিহত হন।

নিহত ও আহতদের পরিচয়
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—

মরিয়ম আবু দাগ্গার (এপি ও অন্যান্য মাধ্যমে কাজ করতেন)

মোহাম্মদ সালামা (আল জাজিরা)

মুয়াজ আবু তাহা (ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, মাঝে মাঝে রয়টার্সেও কাজ করেছেন)

আহমেদ আবু আজিজ

এ ছাড়া রয়টার্সের আরেক আলোকচিত্রী হাতেম খালেদ গুরুতর আহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় একে ‘দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা’ বলে অভিহিত করেছে। তিনি বলেন, সাংবাদিক ও চিকিৎসকরা ইসরায়েলের কাছে মূল্যবান, তবে যুদ্ধ কেবল হামাসের সঙ্গে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) স্বীকার করেছে যে তারা নাসের হাসপাতালের আশপাশে হামলা চালিয়েছে। তারা জানিয়েছে, সেনাপ্রধান বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আইডিএফের ভাষায়, তারা কখনও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে না, তবে যুদ্ধক্ষেত্রে নিরীহ মানুষের ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
রয়টার্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সহকর্মী হুসাম আল-মাসরির মৃত্যুতে তারা মর্মাহত। একই সঙ্গে আহত হাতেম খালেদের জন্য জরুরি চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, তিনি বিষয়টি আগে জানতেন না এবং এ ধরনের ঘটনা তিনি দেখতে চান না। একই সঙ্গে তিনি যুদ্ধের অবসান প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) নিহত সাংবাদিক মরিয়ম আবু দাগ্গারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তিনি হাসপাতালে অবস্থান করেই দুর্ভিক্ষ ও অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করতেন।

ফিলিস্তিনি প্রতিক্রিয়া ও সাংবাদিক সংগঠনের অভিযোগ
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্সি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি সাংবাদিকদের সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।

ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়ন ইসরায়েলের এ হামলাকে ‘মুক্ত সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ’ আখ্যা দিয়েছে। তাদের দাবি, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ২৪০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) জানিয়েছে, এ পর্যন্ত গাজায় ১৮৯ জনসহ মোট ১৯৭ জন সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী নিহত হয়েছেন। সংস্থাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলকে দায়ী করার আহ্বান জানিয়েছে।

ইসরায়েলের অবস্থান
ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফ্রিন বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে এ ঘটনার তদন্ত করা বাধ্যতামূলক। তিনি স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্তের ফল প্রকাশের আশ্বাস দিয়েছেন।

তবে তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে সংবাদ পরিবেশন সবসময় ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষত যখন প্রতিপক্ষ হামাসের মতো সংগঠন সাধারণ মানুষের আড়ালে লুকিয়ে থাকে।

অতীতের ঘটনা
একই দিনে খান ইউনিসের মাওয়াসি এলাকায় সাংবাদিক হাসান দোহান ইসরায়েলি গুলিতে নিহত হন।

দুই সপ্তাহ আগে আল জাজিরার সাংবাদিক আনাস আল-শরিফসহ পাঁচ সাংবাদিক ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারান। ইসরায়েল দাবি করেছিল, আল-শরিফ হামাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যদিও আল জাজিরা তা অস্বীকার করে।

২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ লেবাননে রয়টার্স সাংবাদিক ইসাম আবদাল্লাহ ইসরায়েলি ট্যাংক হামলায় নিহত হন। সে ঘটনার তদন্ত এখনো প্রকাশ পায়নি।

গাজার সংবাদ কভারেজের বাস্তবতা
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েল বিদেশি সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশে বাধা দিয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো স্থানীয় ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ওপর নির্ভরশীল। রয়টার্স, এপি ও অন্যান্য সংবাদ সংস্থা মূলত তাদের মাধ্যমেই গাজার পরিস্থিতির খবর বিশ্বে পৌঁছে দিচ্ছে।


নাসের হাসপাতালে হামলা ইসরায়েল-গাজার চলমান সংঘাতে সাংবাদিক ও বেসামরিক নাগরিকদের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির একটি ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। সাংবাদিক সংগঠনগুলো এ ঘটনাকে মুক্ত সংবাদমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বর্ণনা করছে এবং আন্তর্জাতিক মহলের কাছে ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছে।