০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-১১)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • 115

সাম্রাজ্যিক জাগানের দাবি ছিল যে চীন বহির্বিশ্বের অন্য কারো কাছ থেকেই সাপ্লাই গ্রহণ নিজের দখলে রাখতে।

১৯৩৭ সালে সম্পাদিত চীন-সোভিয়েত চুক্তির বদৌলতে চিয়াং কাই শেকের জাতীয়তাবাদী সেনাবাহিনী ও চীনা বিমান বাহিনী এতো বিপুল পরিমাণ সামরিক সমর্থন ও সাহায্য পায় যে তারা জাপানিদের অফেনসিভের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। এবং ১৯৩৯ সালের মধ্যে তারা “চাংশা” (Changshe) “গুয়াংনি” (Guangxi) যুদ্ধে বিজরি হয়: চীনের গভীর অভ্যন্তর পর্বত বিস্তৃত জাপানের ‘লাইন অব কমিউনিকেশনস একেবারেই নিরুপদ্ধ “শাশি” (Shastরদ্ধে জাপানিদের পরাজিত করে এবং বছর স্থায়ী “দক্ষিন অবস্থার মধ্যে পড়ে।

সৃষ্টি হয় অৎলাবস্থার। ফলে, অপরদিকে কমিউনিস্ট বাহিনী ওয়াংশিত যুদ্ধে ‘অন্তর্থাত ও গেরিলা রণকৌশলের মাধ্যমে জাপানিদের পরাজিত করে “ন” (Nanning) দখল করে নেয়। ১৯৩৯ সালের নভেম্বর নামে, ১৯৪০ সালের আগস্ট মাসে কমিউনিস্ট বাহিনী তখন মধ্য চীনে ‘কাউন্টার মাংসে চিয়াং কাই শেকের বাহিনী যখন বিরাট মাপের শীতকালীন ‘অফেনসিডে অফেনসিত” শুরু করে।

১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৪৫ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত স্থায়ী চীন, জাপান যুক্ত হয়তো অনেক আগেই শেষ হতে পারত, যদি জাপান চিয়াং কাই শেকের অর্থনৈতিক ও অন্যান্য হাড় প্রদানের শর্ত মেনে নিত। কিন্তু সাম্রাজ্যিক জাগানের দাবি ছিল যে চীন বহির্বিশ্বের অন্য কারো কাছ থেকেই সাপ্লাই গ্রহণ নিজের দখলে রাখতে। ফলে, পুরোমাত্রায় যুদ্ধ শুরু হয়।

চীনকে পঙ্গু করার করতে পারবে না, চেয়েছিল চীনের নিরঙ্কুশ অর্থনৈতিক ও কাঁচামালের নিয়ন্ত্রণ পন্থা হিসেবে জাপান চীনের সামদ্রিক বন্দরগুলো এক এক করে দখল করে নেয়: সামুদ্রিক বন্দরে সমৃদ্ধ চীন ১৯৩৭-১৯৩৮ সালে সহসা ‘বন্দরহীন’ দেশে পরিণত হয়। এমনকি জাপানের অনুরোধে ইংরেজরা তাদের হংকং বন্দরও চীনের ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ করে দেয়।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-১০)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-১০)

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-১১)

০৯:০০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

সাম্রাজ্যিক জাগানের দাবি ছিল যে চীন বহির্বিশ্বের অন্য কারো কাছ থেকেই সাপ্লাই গ্রহণ নিজের দখলে রাখতে।

১৯৩৭ সালে সম্পাদিত চীন-সোভিয়েত চুক্তির বদৌলতে চিয়াং কাই শেকের জাতীয়তাবাদী সেনাবাহিনী ও চীনা বিমান বাহিনী এতো বিপুল পরিমাণ সামরিক সমর্থন ও সাহায্য পায় যে তারা জাপানিদের অফেনসিভের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। এবং ১৯৩৯ সালের মধ্যে তারা “চাংশা” (Changshe) “গুয়াংনি” (Guangxi) যুদ্ধে বিজরি হয়: চীনের গভীর অভ্যন্তর পর্বত বিস্তৃত জাপানের ‘লাইন অব কমিউনিকেশনস একেবারেই নিরুপদ্ধ “শাশি” (Shastরদ্ধে জাপানিদের পরাজিত করে এবং বছর স্থায়ী “দক্ষিন অবস্থার মধ্যে পড়ে।

সৃষ্টি হয় অৎলাবস্থার। ফলে, অপরদিকে কমিউনিস্ট বাহিনী ওয়াংশিত যুদ্ধে ‘অন্তর্থাত ও গেরিলা রণকৌশলের মাধ্যমে জাপানিদের পরাজিত করে “ন” (Nanning) দখল করে নেয়। ১৯৩৯ সালের নভেম্বর নামে, ১৯৪০ সালের আগস্ট মাসে কমিউনিস্ট বাহিনী তখন মধ্য চীনে ‘কাউন্টার মাংসে চিয়াং কাই শেকের বাহিনী যখন বিরাট মাপের শীতকালীন ‘অফেনসিডে অফেনসিত” শুরু করে।

১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৪৫ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত স্থায়ী চীন, জাপান যুক্ত হয়তো অনেক আগেই শেষ হতে পারত, যদি জাপান চিয়াং কাই শেকের অর্থনৈতিক ও অন্যান্য হাড় প্রদানের শর্ত মেনে নিত। কিন্তু সাম্রাজ্যিক জাগানের দাবি ছিল যে চীন বহির্বিশ্বের অন্য কারো কাছ থেকেই সাপ্লাই গ্রহণ নিজের দখলে রাখতে। ফলে, পুরোমাত্রায় যুদ্ধ শুরু হয়।

চীনকে পঙ্গু করার করতে পারবে না, চেয়েছিল চীনের নিরঙ্কুশ অর্থনৈতিক ও কাঁচামালের নিয়ন্ত্রণ পন্থা হিসেবে জাপান চীনের সামদ্রিক বন্দরগুলো এক এক করে দখল করে নেয়: সামুদ্রিক বন্দরে সমৃদ্ধ চীন ১৯৩৭-১৯৩৮ সালে সহসা ‘বন্দরহীন’ দেশে পরিণত হয়। এমনকি জাপানের অনুরোধে ইংরেজরা তাদের হংকং বন্দরও চীনের ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ করে দেয়।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-১০)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-১০)