০৩:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আত্মমুগ্ধ মানুষ? বিশ্বজুড়ে জরিপে চমকপ্রদ ফল কমেডি দুনিয়ায় বড় প্রত্যাবর্তন: নতুন সিরিজ ‘রেজি ডিঙ্কিন্স’ ফিরিয়ে আনছে ত্রিশ রকের সেই ঝড় আমেরিকার ‘রাজপরিবার’ কাহিনি: কেনেডি প্রেমগাথা সিরিজে বাস্তবের চেয়ে নাটকই বেশি? ওজন কমানোর বড়ি: চিকিৎসায় নতুন যুগ নাকি নতুন ঝুঁকি? মানুষের রক্তেই ঝুঁকছে মশা! বন ধ্বংসে বাড়ছে নতুন বিপদ রোজার রাতে আমিরাতের ‘ঘাবগা’ ঐতিহ্য: পরিবার-বন্ধুদের মিলনে ভরে ওঠে রাত তেল সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক করল আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা কী এই ইরানের সমুদ্র মাইন: যা হয়ে উঠতে পারে এই যুদ্ধে আমেরিকার জন্য ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন ভারতে জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কা নেই, সংসদে আশ্বাস জ্বালানি মন্ত্রীর ইতিবাচক ধারায় সপ্তাহ শেষ করল ডিএসই ও সিএসই সূচক

মার্কিন রেকর্ড শুল্কে চাপা পড়ছে কাম্বোডিয়ার সৌররপ্তানি

কাম্বোডিয়া সৌরশিল্প শুল্ক–সংকটের ধাক্কায় দেশটির সৌরপ্যানেল রপ্তানি গত দুই বছরে বড় পতনে পড়েছে। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রমুখী রপ্তানি ছিল ২.১ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু ২০২৪ সালে তা প্রায় ৬০% কমে ৮৩০ মিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। এই পতনের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের তদন্ত, শুল্ক আরোপের ধারাবাহিকতা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্বিন্যাস।
২০২৪ সালের ৬ জুন প্রেসিডেন্টিয়াল প্রোক্লেমেশন ১০৪১৪–এর দুই বছরের শুল্কমওকুফের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া থেকে আসা চীনা উপকরণনির্ভর সৌর সেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় অ্যান্টি–ডাম্পিং ও কাউন্টারভেইলিং ডিউটি (AD/CVD) কার্যকর করে। এর পর থেকেই কাম্বোডিয়া সৌরশিল্পের অবস্থা দ্রুত অবনতির দিকে যায়।

US Slaps 3,500% Tariff on Cambodian Solar Panel Exports, Threatening Sector's Viability | Kiripost

২০২৫ সালের এপ্রিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে কাম্বোডিয়া থেকে আমদানি করা সৌর সেল ও মডিউলের ওপর শুল্কহার কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩,৪০৩.৯৬% পর্যন্ত নির্ধারিত হয়। স্বাধীন প্রতিবেদনে সর্বোচ্চ হার ৩,৫২১% পর্যন্ত উল্লেখ রয়েছে। এর ফলে হোনেন সোলার ও সোলার লং PV টেকসহ কয়েকটি বড় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মারাত্মক চাপের মুখে পড়ে। নথিপত্রে দেখা যায়, তদন্তে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না করায় এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করা হয়।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয় ২০২৫ সালের আগস্টে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ভারত, লাওস ও ইন্দোনেশিয়া থেকে সৌর আমদানির ওপর সম্ভাব্য অ্যান্টি–ডাম্পিং ও ভর্তুকি তদন্ত শুরু করে। এর আগে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো ইতিমধ্যেই উচ্চ শুল্কের আওতায় চলে আসে। এতে অনেক চীনা–স্বত্বভুক্ত প্রতিষ্ঠান উৎপাদন নতুন গন্তব্যে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

কাম্বোডিয়ার বেশ কয়েকটি কারখানা ইতিমধ্যেই উৎপাদন সঙ্কুচিত করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রমুখী নতুন অর্ডারও ব্যাপকভাবে কমেছে। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে যে তারা চীনা পণ্য পুনঃরপ্তানি করছে। তাদের দাবি, স্থানীয়ভাবে এসেম্বলি ও উৎপাদনই করা হয়েছে। তবে শুল্ক–ঝুঁকি বাড়তে থাকায় শিল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আত্মমুগ্ধ মানুষ? বিশ্বজুড়ে জরিপে চমকপ্রদ ফল

মার্কিন রেকর্ড শুল্কে চাপা পড়ছে কাম্বোডিয়ার সৌররপ্তানি

০৩:১৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কাম্বোডিয়া সৌরশিল্প শুল্ক–সংকটের ধাক্কায় দেশটির সৌরপ্যানেল রপ্তানি গত দুই বছরে বড় পতনে পড়েছে। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রমুখী রপ্তানি ছিল ২.১ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু ২০২৪ সালে তা প্রায় ৬০% কমে ৮৩০ মিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। এই পতনের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের তদন্ত, শুল্ক আরোপের ধারাবাহিকতা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্বিন্যাস।
২০২৪ সালের ৬ জুন প্রেসিডেন্টিয়াল প্রোক্লেমেশন ১০৪১৪–এর দুই বছরের শুল্কমওকুফের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া থেকে আসা চীনা উপকরণনির্ভর সৌর সেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় অ্যান্টি–ডাম্পিং ও কাউন্টারভেইলিং ডিউটি (AD/CVD) কার্যকর করে। এর পর থেকেই কাম্বোডিয়া সৌরশিল্পের অবস্থা দ্রুত অবনতির দিকে যায়।

US Slaps 3,500% Tariff on Cambodian Solar Panel Exports, Threatening Sector's Viability | Kiripost

২০২৫ সালের এপ্রিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে কাম্বোডিয়া থেকে আমদানি করা সৌর সেল ও মডিউলের ওপর শুল্কহার কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩,৪০৩.৯৬% পর্যন্ত নির্ধারিত হয়। স্বাধীন প্রতিবেদনে সর্বোচ্চ হার ৩,৫২১% পর্যন্ত উল্লেখ রয়েছে। এর ফলে হোনেন সোলার ও সোলার লং PV টেকসহ কয়েকটি বড় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মারাত্মক চাপের মুখে পড়ে। নথিপত্রে দেখা যায়, তদন্তে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না করায় এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করা হয়।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয় ২০২৫ সালের আগস্টে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ভারত, লাওস ও ইন্দোনেশিয়া থেকে সৌর আমদানির ওপর সম্ভাব্য অ্যান্টি–ডাম্পিং ও ভর্তুকি তদন্ত শুরু করে। এর আগে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো ইতিমধ্যেই উচ্চ শুল্কের আওতায় চলে আসে। এতে অনেক চীনা–স্বত্বভুক্ত প্রতিষ্ঠান উৎপাদন নতুন গন্তব্যে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

কাম্বোডিয়ার বেশ কয়েকটি কারখানা ইতিমধ্যেই উৎপাদন সঙ্কুচিত করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রমুখী নতুন অর্ডারও ব্যাপকভাবে কমেছে। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে যে তারা চীনা পণ্য পুনঃরপ্তানি করছে। তাদের দাবি, স্থানীয়ভাবে এসেম্বলি ও উৎপাদনই করা হয়েছে। তবে শুল্ক–ঝুঁকি বাড়তে থাকায় শিল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।