০২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে বিশ্বকাপ শুরু, চেকিয়াকে হারিয়ে নকআউটের পথে দক্ষিণ কোরিয়া নতুন ভূরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে মধ্য এশিয়া: কেন এখন সবার নজর এই অঞ্চলকে ঘিরে পাকিস্তানে দারিদ্র্য বেড়ে ২৮.৯ শতাংশ, শিক্ষা খাতে ব্যয় নেমেছে রেকর্ড সর্বনিম্নে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমছে, ন্যাটোতে নতুন উদ্বেগ: ইউরোপ থেকে এক-তৃতীয়াংশ যুদ্ধবিমান প্রত্যাহারের পরিকল্পনা স্পেসএক্সের ঐতিহাসিক শেয়ারবাজারে অভিষেক, ৭৫ বিলিয়ন ডলার তুলে রেকর্ড গড়লেন ইলন মাস্ক বিমান দুর্ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ‘এরোপ্লেন বয়’, এক বছর পরও আতঙ্ক কাটেনি আরিয়ানের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে মধ্যরাতের চুরি, ‘পরিকল্পিত নাশকতা’ সন্দেহ কাজলের নড়াইলের ৫৭ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান নগদ অর্থ নয়, উন্নয়নের পরবর্তী লড়াই জ্ঞান ও সক্ষমতার শুধু বিজেপি-বিরোধিতা নয়, ভারতের বিরোধী জোটের ভিত্তি হতে হবে ফেডারেল গণতন্ত্র

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৮৬)

খড়ো ঘরে অগ্নিভয়, টীনের ঘরে তাপ: কাঠের ঘরে ঝঞ্চা বাত্যা, কোঠায় ভূমি কাঁপ; কার চেয়ে কোনটি বড় কোনটি বা নিরাপদ।

এ ঘটনা সম্পর্কে ঐ সময় যে কয়টি পথ কবিতার সন্ধান পেয়েছি সেগুলোর নাম ও ঢাকা প্রকাশে প্রকাশিত ভূমিকম্প সংক্রান্ত কিছু সংবাদ সংকলিত করছি। পথ কবিতায় পূর্ববঙ্গের ভূমিকম্প সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে লেখা হয়েছে। ঢাকা প্রকাশে পূর্ববঙ্গের অন্যান্য অঞ্চল সম্পর্কে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল সেগুলো সংকলিত হয়নি। পথ কবিতা তিনটি হলো-

১. গঙ্গাপ্রসাদ সাহা, ভয়ানক ভূমিকম্প। রামচন্দ্র অনন্ত কর্তৃক ময়মনসিংহের বাসন্তী যন্ত্রে মুদ্রিত। পৃ. ২৪। মূল্য: ৪ আনা। মুদ্রণ সংখ্যা ১০০০।
২. ভগবানচন্দ্র দাস, বিষাদ সম্বাদ। মুরারি মোহন বিশ্বাস কর্তৃক রাজশাহীর তমোঘ্র যন্ত্রে মুদ্রিত। পৃ. ১২৮। মূল্য: ৮ আনা। মুদ্রণ সংখ্যা ৮০০। ১৮৯৯।
৩. মোহাম্মদ রহিম বক্স, শোকার্ণব। শেখ আব্দুল জব্বার কর্তৃক বগুড়ার চৌধুরী প্রেসে মুদ্রিত। পৃ. ৭০। মূল্য: ৪ আনা। মুদ্রণ সংখ্যা ১০০০। ১৮৯৮।

সাধারণের প্রতিক্রিয়া কবিতাকারে ছাপা হয়েছিল পত্রিকায়। সেটি উদ্ধৃত করছি-

প্রেরিত পত্র !!!
আর কেহ দালানে বাস ক’র নারে ক’র না।
ভূমি কাঁপে দালান জতো কেঁপে কেপে ম’র না।

বড় সাধে দালান বেঁধে কর কত বাহানা; বড় সুখী মনে মনে যা ভেবেছ তাহা না। খড়ো ঘরে অগ্নিভয়, টীনের ঘরে তাপ: কাঠের ঘরে ঝঞ্চা বাত্যা, কোঠায় ভূমি কাঁপ; কার চেয়ে কোনটি বড় কোনটি বা নিরাপদ। ভেবেছ না ভুলিয়াছ পাইয়া বহু সম্পদ।

গ্রাম ছেড়ে সহর ধরে বেশি সুখী হতে চাও: আহারে বিহারে সুখ অথচ টাকা বাচাও।
কিন্তু নাহি জান তোমা পেয়েছে কোন্ মোহ রোগ;

শহরে বসিয়া ভোগ কত রূপের দুর্ভোগ। বিধির অদৃষ্ট লিপি সাথে সাথে সদা ফিরে: যেখানে যা হবে তোমা করাবে তেমনি করে।

সুখ চেয়ে দুঃখ পাও, দুঃখীরাও সুখ পায়। শিখ নাকি দেখিয়া ঠেকিয়া বহু পায় পায়। অতএব সুখ আশা ছাড় ছাড় ভ্রাতৃগণ, শ্রী দুর্গাচরণে সদা নিজেকে কর মগন। তাঁহার নামের গুণে দুঃখ হতে পারে না। অনলে অনিলে জ্বলে কালে তাকে ধরে না।

(প্রেরিত স্বচ্ছ কোনো সম্ভ্রান্ত সুশিক্ষিত বৈদ্য বংশধরের একখানি পত্র প্রকাশ করা গেল। ইহাতে আমাদের মতের সঙ্গে সামান্য ভেদ পরিলক্ষিত হইবে তাহা আগামীতে বিবেচ্য।)

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৮৫)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৮৫)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে বিশ্বকাপ শুরু, চেকিয়াকে হারিয়ে নকআউটের পথে দক্ষিণ কোরিয়া

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৮৬)

০৭:০০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খড়ো ঘরে অগ্নিভয়, টীনের ঘরে তাপ: কাঠের ঘরে ঝঞ্চা বাত্যা, কোঠায় ভূমি কাঁপ; কার চেয়ে কোনটি বড় কোনটি বা নিরাপদ।

এ ঘটনা সম্পর্কে ঐ সময় যে কয়টি পথ কবিতার সন্ধান পেয়েছি সেগুলোর নাম ও ঢাকা প্রকাশে প্রকাশিত ভূমিকম্প সংক্রান্ত কিছু সংবাদ সংকলিত করছি। পথ কবিতায় পূর্ববঙ্গের ভূমিকম্প সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে লেখা হয়েছে। ঢাকা প্রকাশে পূর্ববঙ্গের অন্যান্য অঞ্চল সম্পর্কে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল সেগুলো সংকলিত হয়নি। পথ কবিতা তিনটি হলো-

১. গঙ্গাপ্রসাদ সাহা, ভয়ানক ভূমিকম্প। রামচন্দ্র অনন্ত কর্তৃক ময়মনসিংহের বাসন্তী যন্ত্রে মুদ্রিত। পৃ. ২৪। মূল্য: ৪ আনা। মুদ্রণ সংখ্যা ১০০০।
২. ভগবানচন্দ্র দাস, বিষাদ সম্বাদ। মুরারি মোহন বিশ্বাস কর্তৃক রাজশাহীর তমোঘ্র যন্ত্রে মুদ্রিত। পৃ. ১২৮। মূল্য: ৮ আনা। মুদ্রণ সংখ্যা ৮০০। ১৮৯৯।
৩. মোহাম্মদ রহিম বক্স, শোকার্ণব। শেখ আব্দুল জব্বার কর্তৃক বগুড়ার চৌধুরী প্রেসে মুদ্রিত। পৃ. ৭০। মূল্য: ৪ আনা। মুদ্রণ সংখ্যা ১০০০। ১৮৯৮।

সাধারণের প্রতিক্রিয়া কবিতাকারে ছাপা হয়েছিল পত্রিকায়। সেটি উদ্ধৃত করছি-

প্রেরিত পত্র !!!
আর কেহ দালানে বাস ক’র নারে ক’র না।
ভূমি কাঁপে দালান জতো কেঁপে কেপে ম’র না।

বড় সাধে দালান বেঁধে কর কত বাহানা; বড় সুখী মনে মনে যা ভেবেছ তাহা না। খড়ো ঘরে অগ্নিভয়, টীনের ঘরে তাপ: কাঠের ঘরে ঝঞ্চা বাত্যা, কোঠায় ভূমি কাঁপ; কার চেয়ে কোনটি বড় কোনটি বা নিরাপদ। ভেবেছ না ভুলিয়াছ পাইয়া বহু সম্পদ।

গ্রাম ছেড়ে সহর ধরে বেশি সুখী হতে চাও: আহারে বিহারে সুখ অথচ টাকা বাচাও।
কিন্তু নাহি জান তোমা পেয়েছে কোন্ মোহ রোগ;

শহরে বসিয়া ভোগ কত রূপের দুর্ভোগ। বিধির অদৃষ্ট লিপি সাথে সাথে সদা ফিরে: যেখানে যা হবে তোমা করাবে তেমনি করে।

সুখ চেয়ে দুঃখ পাও, দুঃখীরাও সুখ পায়। শিখ নাকি দেখিয়া ঠেকিয়া বহু পায় পায়। অতএব সুখ আশা ছাড় ছাড় ভ্রাতৃগণ, শ্রী দুর্গাচরণে সদা নিজেকে কর মগন। তাঁহার নামের গুণে দুঃখ হতে পারে না। অনলে অনিলে জ্বলে কালে তাকে ধরে না।

(প্রেরিত স্বচ্ছ কোনো সম্ভ্রান্ত সুশিক্ষিত বৈদ্য বংশধরের একখানি পত্র প্রকাশ করা গেল। ইহাতে আমাদের মতের সঙ্গে সামান্য ভেদ পরিলক্ষিত হইবে তাহা আগামীতে বিবেচ্য।)

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৮৫)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৮৫)