১০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
চীনের বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌরঝড়ের আতঙ্ক কতটা বাস্তব, আর কতটা মোকাবিলা করা সম্ভব? রোনালদিনহোর অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন: ৪৬ বছর বয়সে ইতালির রাভেন্নায় যোগ দিলেন ব্রাজিল কিংবদন্তি ডলার নির্ভরতা কমাতে ইন্দোনেশিয়া-চীনের নতুন উদ্যোগ, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনে গতি পোশাক খাতে পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স সহজ করার দাবি বিজিএমইএর ট্রাম্প-ইরান আলোচনায় প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব, চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা ফেনীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২  নিরাপত্তার রাজনীতি ও দ্বিধাগ্রস্ত জনমত: জাপানের নতুন বাস্তবতা ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য স্থায়ী দুর্ঘটনা সুরক্ষা কর্মসূচি ২০২৭ সালের মধ্যে চালুর অঙ্গীকার নেপথ্যের ‘গুরু’, গোপন বার্তা ও তুলসি গ্যাবার্ডের রাজনৈতিক উত্থান ঘিরে ওয়াশিংটন পোস্টের বিস্ফোরক অনুসন্ধান

তুনহুয়াংয়ে আতিথেয়তার নতুন মাত্রা

তুনহুয়াং শহর মানেই ইতিহাস, মরুভূমির রহস্য আর রেশমপথের গল্প। এই প্রাচীন শহরের সৌন্দর্যে এবার যোগ হলো আধুনিক বিলাসিতার নতুন অধ্যায়, ওয়ান্ডা ভিস্তা কানমান তুনহুয়াং হোটেল। আপস- এই সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা হোটেলটি যেন তুনহুয়াংয়ের ইতিহাস ও সংস্কৃতির একেবারে সঙ্গে মিশে গেছে।

মিংশা মাউন্টেন আর ক্রিসেন্ট লেক থেকে হাঁটাপথের দূরত্বে, আর আশেপাশেই রয়েছে তুনহুয়াং ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার ও গ্র্যান্ড থিয়েটার। ফলে ভ্রমণ কিংবা ব্যবসা যেকোনো কারণেই এখানে আসা ভীষণ সুবিধাজনক।

এই হোটেলের প্রতিটি কোণ যেন গল্প বলে। প্রবেশদ্বারে চোখে পড়ে সোনালী পাতায় খচিত প্রাচীন ‘তিন খরগোশের কান ভাগাভাগি’ মোটিফ। ভেতরে ঢুকলেই মোগাও গুহার চিত্রকলা আর আধুনিক স্থাপত্য শৈলীর মিশ্রণে তৈরি শান্ত এক পরিবেশ। সরল রেখা, রঙ আর উড়ন্ত দেবতার চিত্র যেন আপনাকে ধ্যানমগ্ন করে তুলবে।

এই হোটেলে মাত্র ৬৯টি গেস্ট রুম কিন্তু প্রতিটি আলাদা বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। গুহাচিত্র, সিল্ক রোডের সংস্কৃতি, মরুভূমির প্রতীক আর বৌদ্ধ দর্শনের ছাপ মিলেমিশে তৈরি করেছে এক প্রশান্ত অভিজ্ঞতা। যেন ক্যামেল বেলসের টুংটাং শব্দে ভেসে যাচ্ছে সময়।

হোটেলের রেস্টুরেন্টগুলোও আলাদা অভিজ্ঞতা দেয়। দিনের শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী সিনোমোরিয়াম পোরিজ দিয়ে। প্রাচীন রাজদরবারি রান্নার আধুনিক রূপ দেখা যায় এখানে।স্থানীয় অ্যাপোসিনাম চা আর কারুশিল্পে তৈরি পেস্ট্রিও পাওয়া যায় এখানে। প্রতিটি পদ যেন স্বাদের পাশাপাশি ইতিহাসেরও ভ্রমণ করায়।

২০০ বর্গমিটারের মাল্টিফাংশনাল হল একসঙ্গে ৮০ জন অতিথিকে জায়গা দিতে পারে। আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধা আর কাস্টমাইজড কেটারিং, যা কর্পোরেট মিটিং কিংবা ব্যক্তিগত উদযাপন, সবকিছুর জন্যই উপযুক্ত।

এই হোটেল শুধু বিলাসিতা নয়, দেয় মানসিক শান্তিরও ব্যবস্থা। আয়েস করে বিশ্রাম নেওয়ার কক্ষ, খোলা আকাশের পুল, চা কক্ষ আর লাউঞ্জ বার, সব মিলিয়ে এটি যেন এক সাংস্কৃতিক আশ্রয়।

তুনহুয়াং-এর ঐতিহাসিক ঐশ্বর্য আর আধুনিক আতিথেয়তার চমৎকার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে ওয়ান্ডা ভিস্তা কানমান তুনহুয়াং হোটেল। বলা যায়, উত্তর-পশ্চিম চীনের আতিথেয়তা জগতে এটি এক নতুন মানদণ্ড।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তুনহুয়াংয়ে আতিথেয়তার নতুন মাত্রা

০৫:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

তুনহুয়াং শহর মানেই ইতিহাস, মরুভূমির রহস্য আর রেশমপথের গল্প। এই প্রাচীন শহরের সৌন্দর্যে এবার যোগ হলো আধুনিক বিলাসিতার নতুন অধ্যায়, ওয়ান্ডা ভিস্তা কানমান তুনহুয়াং হোটেল। আপস- এই সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা হোটেলটি যেন তুনহুয়াংয়ের ইতিহাস ও সংস্কৃতির একেবারে সঙ্গে মিশে গেছে।

মিংশা মাউন্টেন আর ক্রিসেন্ট লেক থেকে হাঁটাপথের দূরত্বে, আর আশেপাশেই রয়েছে তুনহুয়াং ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার ও গ্র্যান্ড থিয়েটার। ফলে ভ্রমণ কিংবা ব্যবসা যেকোনো কারণেই এখানে আসা ভীষণ সুবিধাজনক।

এই হোটেলের প্রতিটি কোণ যেন গল্প বলে। প্রবেশদ্বারে চোখে পড়ে সোনালী পাতায় খচিত প্রাচীন ‘তিন খরগোশের কান ভাগাভাগি’ মোটিফ। ভেতরে ঢুকলেই মোগাও গুহার চিত্রকলা আর আধুনিক স্থাপত্য শৈলীর মিশ্রণে তৈরি শান্ত এক পরিবেশ। সরল রেখা, রঙ আর উড়ন্ত দেবতার চিত্র যেন আপনাকে ধ্যানমগ্ন করে তুলবে।

এই হোটেলে মাত্র ৬৯টি গেস্ট রুম কিন্তু প্রতিটি আলাদা বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। গুহাচিত্র, সিল্ক রোডের সংস্কৃতি, মরুভূমির প্রতীক আর বৌদ্ধ দর্শনের ছাপ মিলেমিশে তৈরি করেছে এক প্রশান্ত অভিজ্ঞতা। যেন ক্যামেল বেলসের টুংটাং শব্দে ভেসে যাচ্ছে সময়।

হোটেলের রেস্টুরেন্টগুলোও আলাদা অভিজ্ঞতা দেয়। দিনের শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী সিনোমোরিয়াম পোরিজ দিয়ে। প্রাচীন রাজদরবারি রান্নার আধুনিক রূপ দেখা যায় এখানে।স্থানীয় অ্যাপোসিনাম চা আর কারুশিল্পে তৈরি পেস্ট্রিও পাওয়া যায় এখানে। প্রতিটি পদ যেন স্বাদের পাশাপাশি ইতিহাসেরও ভ্রমণ করায়।

২০০ বর্গমিটারের মাল্টিফাংশনাল হল একসঙ্গে ৮০ জন অতিথিকে জায়গা দিতে পারে। আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধা আর কাস্টমাইজড কেটারিং, যা কর্পোরেট মিটিং কিংবা ব্যক্তিগত উদযাপন, সবকিছুর জন্যই উপযুক্ত।

এই হোটেল শুধু বিলাসিতা নয়, দেয় মানসিক শান্তিরও ব্যবস্থা। আয়েস করে বিশ্রাম নেওয়ার কক্ষ, খোলা আকাশের পুল, চা কক্ষ আর লাউঞ্জ বার, সব মিলিয়ে এটি যেন এক সাংস্কৃতিক আশ্রয়।

তুনহুয়াং-এর ঐতিহাসিক ঐশ্বর্য আর আধুনিক আতিথেয়তার চমৎকার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে ওয়ান্ডা ভিস্তা কানমান তুনহুয়াং হোটেল। বলা যায়, উত্তর-পশ্চিম চীনের আতিথেয়তা জগতে এটি এক নতুন মানদণ্ড।