০৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
হরমুজ সংকট কাটলেও বিশ্ব অর্থনীতির স্বস্তি ফিরতে সময় লাগবে ক্রিকেট পিচের বিজ্ঞান ও শিল্প: কেন একেক উইকেট বদলে দেয় ম্যাচের ভাগ্য রবিন হুডের অন্ধকার অধ্যায়: কিংবদন্তিকে নতুনভাবে দেখাল ‘দ্য ডেথ অব রবিন হুড’ প্লেভের সাফল্যে উজ্জীবিত দক্ষিণ কোরিয়ার ভার্চুয়াল আইডল বাজার, একের পর এক নতুন গ্রুপের আত্মপ্রকাশ গাজীপুরের টঙ্গীতে মবিল রিসাইক্লিং কারখানায় আগুন, দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে সাইবার হামলা কি যুদ্ধের সমান? আন্তর্জাতিক আইনের নতুন সীমারেখা শাহ মাহমুদ কোরেশি খালাস, ৯ মে মামলায় ইয়াসমিন রশিদসহ চার পিটিআই নেতা ১০ বছরের কারাদণ্ড এআই দুনিয়ায় নতুন শক্তি হতে চায় জেন স্ট্রিট, গোপনীয়তা ভেঙে বিনিয়োগে বড় পদক্ষেপ জাপানে ভিসা ফি পাঁচ গুণ, ৪৮ বছর পর বড় পরিবর্তন কার্যকর জুলাই থেকে ব্যাংকে বন্ধক রাখা সোনা উধাও! আতঙ্কে হাজারো গ্রাহক, বাড়ছে ক্ষোভ

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯২)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আগামী কনফারেন্সের অধিবেশন মহররমের বন্ধের সময় ২৪ পরগণায় হওয়ার কথা সকলকে নিমন্ত্রণ করেন।

গোপালচন্দ্র উল্লেখ করেছেন, ক্রাউন থিয়েটারে বেলা দুটোয় প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল এবং রবীন্দ্রনাথ একটি দেশের গান গেয়েছিলেন। সেটি হলো ‘আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না…”। কিন্তু পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে তথ্যাটি সঠিক না, বেলা তিনটায় অধিবেশন শুরু হয়েছিল এবং রবীন্দ্রনাথ একটি দেশের গান গেয়েছিলেন এবং সেটি হচ্ছে- ‘বন্দে মাতরম’।

বাড়তি তথ্যটুকু হলো সভাপতি রেভারেন্ড কালীচরণ ইংরেজিতে বক্তৃতা দিয়েছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর “তাঁহার বক্তৃতার কাতকাংশের বাঙ্গালা অনুবাদ সুমধুর স্বরে প্রাঞ্জল ভাষায় পাঠ করেন…।”

দ্বিতীয় দিনেও রবীন্দ্রনাথ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। গোপালচন্দ্র লিখেছেন, তিনি শুধু ঐদিন সুরেন্দ্রনাথের একটি প্রস্তাব বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। সেটি ঠিক, ভারতীতে তার উল্লেখ আছে, প্রতিবেদনে অবশ্য নেই। কিন্তু প্রতিবেদনে বাড়তি কিছু তথ্য আছে। যেমন-

“… সভাপতির অনুমতিক্রমে বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আগামী কনফারেন্সের অধিবেশন মহররমের বন্ধের সময় ২৪ পরগণায় হওয়ার কথা সকলকে নিমন্ত্রণ করেন। তিনি ভারত মাতার উদ্দেশ্যে একটি গান করিলেন এবং ধন্যবাদ প্রশংসাদির পরে এবারের মত কনফারেন্স সভা ভঙ্গ করা হয়।…

কনফারেন্সের বক্তৃতায় বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত প্রশংসা লাভ করাতে আমরা সুখী হইয়াছি। বাবু কালীচরণ ব্যানার্জি ও বাবু সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জির বক্তৃতার কোন কোন অংশ তিনি শ্রুতমাত্র সেই সভাস্থলে বসিয়াই এমনভাবে বঙ্গানুবাদ করিয়াছিলেন, যাহা পরে তদীয় সুকণ্ঠের পাঠ শুনিয়া সকলেই পুলকিত ও বিস্মিত হইয়াছেন।” উল্লেখ্য, তখন কবির বয়স মাত্র ৩৭বছর।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯১)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯১)

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ সংকট কাটলেও বিশ্ব অর্থনীতির স্বস্তি ফিরতে সময় লাগবে

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯২)

০৭:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আগামী কনফারেন্সের অধিবেশন মহররমের বন্ধের সময় ২৪ পরগণায় হওয়ার কথা সকলকে নিমন্ত্রণ করেন।

গোপালচন্দ্র উল্লেখ করেছেন, ক্রাউন থিয়েটারে বেলা দুটোয় প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল এবং রবীন্দ্রনাথ একটি দেশের গান গেয়েছিলেন। সেটি হলো ‘আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না…”। কিন্তু পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে তথ্যাটি সঠিক না, বেলা তিনটায় অধিবেশন শুরু হয়েছিল এবং রবীন্দ্রনাথ একটি দেশের গান গেয়েছিলেন এবং সেটি হচ্ছে- ‘বন্দে মাতরম’।

বাড়তি তথ্যটুকু হলো সভাপতি রেভারেন্ড কালীচরণ ইংরেজিতে বক্তৃতা দিয়েছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর “তাঁহার বক্তৃতার কাতকাংশের বাঙ্গালা অনুবাদ সুমধুর স্বরে প্রাঞ্জল ভাষায় পাঠ করেন…।”

দ্বিতীয় দিনেও রবীন্দ্রনাথ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। গোপালচন্দ্র লিখেছেন, তিনি শুধু ঐদিন সুরেন্দ্রনাথের একটি প্রস্তাব বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। সেটি ঠিক, ভারতীতে তার উল্লেখ আছে, প্রতিবেদনে অবশ্য নেই। কিন্তু প্রতিবেদনে বাড়তি কিছু তথ্য আছে। যেমন-

“… সভাপতির অনুমতিক্রমে বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আগামী কনফারেন্সের অধিবেশন মহররমের বন্ধের সময় ২৪ পরগণায় হওয়ার কথা সকলকে নিমন্ত্রণ করেন। তিনি ভারত মাতার উদ্দেশ্যে একটি গান করিলেন এবং ধন্যবাদ প্রশংসাদির পরে এবারের মত কনফারেন্স সভা ভঙ্গ করা হয়।…

কনফারেন্সের বক্তৃতায় বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত প্রশংসা লাভ করাতে আমরা সুখী হইয়াছি। বাবু কালীচরণ ব্যানার্জি ও বাবু সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জির বক্তৃতার কোন কোন অংশ তিনি শ্রুতমাত্র সেই সভাস্থলে বসিয়াই এমনভাবে বঙ্গানুবাদ করিয়াছিলেন, যাহা পরে তদীয় সুকণ্ঠের পাঠ শুনিয়া সকলেই পুলকিত ও বিস্মিত হইয়াছেন।” উল্লেখ্য, তখন কবির বয়স মাত্র ৩৭বছর।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯১)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯১)