০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
বসন্তের সতেজতার প্রতীক স্প্রিং অনিয়ন বায়োহ্যাকিং: আজকের খাদ্য ও স্বাস্থ্য ট্রেন্ড কারা অনুসরণ করছে? টানা ফ্রেঞ্চের রহস্যধর্মী মাস্টারপিস “দ্য কিপার”: আইরিশ গ্রামের অন্ধকারের অন্তর্দৃষ্টি আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার ২০২৬: ছয়টি উপন্যাস পেল শীর্ষ ষ্ট্রিংলিস্ট, ঘোষণা নিয়ে সাহিত্য দুনিয়ায় আলোড়ন ওয়্যারলেস ফেস্টিভ্যালে কানিয়ে ওয়েস্টকে ঘিরে স্পনসর সরে যাচ্ছে, বাড়ছে সাংস্কৃতিক অস্বস্তি পিকসার্ট নির্মাতাদের জন্য নতুন আয়-পথ খুলছে, এআই ডিজাইন বাজারে বদল আসার ইঙ্গিত এআই অবকাঠামোর দৌড় থামাচ্ছে বিদ্যুৎ সংকট, যন্ত্রাংশের বিলম্ব আর শুল্কচাপ দুই সার কারখানার পর এবার বন্ধের পথে ডিএপিএফসিএল আজ রাতে পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে – ট্রাম্প প্রথমবারের মতো প্রাণীর টিকাকার্ড চালুর প্রস্তাব, স্বাস্থ্য ও জীবিকা সুরক্ষায় নতুন উদ্যোগ

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯২)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আগামী কনফারেন্সের অধিবেশন মহররমের বন্ধের সময় ২৪ পরগণায় হওয়ার কথা সকলকে নিমন্ত্রণ করেন।

গোপালচন্দ্র উল্লেখ করেছেন, ক্রাউন থিয়েটারে বেলা দুটোয় প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল এবং রবীন্দ্রনাথ একটি দেশের গান গেয়েছিলেন। সেটি হলো ‘আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না…”। কিন্তু পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে তথ্যাটি সঠিক না, বেলা তিনটায় অধিবেশন শুরু হয়েছিল এবং রবীন্দ্রনাথ একটি দেশের গান গেয়েছিলেন এবং সেটি হচ্ছে- ‘বন্দে মাতরম’।

বাড়তি তথ্যটুকু হলো সভাপতি রেভারেন্ড কালীচরণ ইংরেজিতে বক্তৃতা দিয়েছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর “তাঁহার বক্তৃতার কাতকাংশের বাঙ্গালা অনুবাদ সুমধুর স্বরে প্রাঞ্জল ভাষায় পাঠ করেন…।”

দ্বিতীয় দিনেও রবীন্দ্রনাথ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। গোপালচন্দ্র লিখেছেন, তিনি শুধু ঐদিন সুরেন্দ্রনাথের একটি প্রস্তাব বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। সেটি ঠিক, ভারতীতে তার উল্লেখ আছে, প্রতিবেদনে অবশ্য নেই। কিন্তু প্রতিবেদনে বাড়তি কিছু তথ্য আছে। যেমন-

“… সভাপতির অনুমতিক্রমে বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আগামী কনফারেন্সের অধিবেশন মহররমের বন্ধের সময় ২৪ পরগণায় হওয়ার কথা সকলকে নিমন্ত্রণ করেন। তিনি ভারত মাতার উদ্দেশ্যে একটি গান করিলেন এবং ধন্যবাদ প্রশংসাদির পরে এবারের মত কনফারেন্স সভা ভঙ্গ করা হয়।…

কনফারেন্সের বক্তৃতায় বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত প্রশংসা লাভ করাতে আমরা সুখী হইয়াছি। বাবু কালীচরণ ব্যানার্জি ও বাবু সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জির বক্তৃতার কোন কোন অংশ তিনি শ্রুতমাত্র সেই সভাস্থলে বসিয়াই এমনভাবে বঙ্গানুবাদ করিয়াছিলেন, যাহা পরে তদীয় সুকণ্ঠের পাঠ শুনিয়া সকলেই পুলকিত ও বিস্মিত হইয়াছেন।” উল্লেখ্য, তখন কবির বয়স মাত্র ৩৭বছর।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯১)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯১)

জনপ্রিয় সংবাদ

বসন্তের সতেজতার প্রতীক স্প্রিং অনিয়ন

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯২)

০৭:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আগামী কনফারেন্সের অধিবেশন মহররমের বন্ধের সময় ২৪ পরগণায় হওয়ার কথা সকলকে নিমন্ত্রণ করেন।

গোপালচন্দ্র উল্লেখ করেছেন, ক্রাউন থিয়েটারে বেলা দুটোয় প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল এবং রবীন্দ্রনাথ একটি দেশের গান গেয়েছিলেন। সেটি হলো ‘আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না…”। কিন্তু পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে তথ্যাটি সঠিক না, বেলা তিনটায় অধিবেশন শুরু হয়েছিল এবং রবীন্দ্রনাথ একটি দেশের গান গেয়েছিলেন এবং সেটি হচ্ছে- ‘বন্দে মাতরম’।

বাড়তি তথ্যটুকু হলো সভাপতি রেভারেন্ড কালীচরণ ইংরেজিতে বক্তৃতা দিয়েছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর “তাঁহার বক্তৃতার কাতকাংশের বাঙ্গালা অনুবাদ সুমধুর স্বরে প্রাঞ্জল ভাষায় পাঠ করেন…।”

দ্বিতীয় দিনেও রবীন্দ্রনাথ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। গোপালচন্দ্র লিখেছেন, তিনি শুধু ঐদিন সুরেন্দ্রনাথের একটি প্রস্তাব বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। সেটি ঠিক, ভারতীতে তার উল্লেখ আছে, প্রতিবেদনে অবশ্য নেই। কিন্তু প্রতিবেদনে বাড়তি কিছু তথ্য আছে। যেমন-

“… সভাপতির অনুমতিক্রমে বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আগামী কনফারেন্সের অধিবেশন মহররমের বন্ধের সময় ২৪ পরগণায় হওয়ার কথা সকলকে নিমন্ত্রণ করেন। তিনি ভারত মাতার উদ্দেশ্যে একটি গান করিলেন এবং ধন্যবাদ প্রশংসাদির পরে এবারের মত কনফারেন্স সভা ভঙ্গ করা হয়।…

কনফারেন্সের বক্তৃতায় বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত প্রশংসা লাভ করাতে আমরা সুখী হইয়াছি। বাবু কালীচরণ ব্যানার্জি ও বাবু সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জির বক্তৃতার কোন কোন অংশ তিনি শ্রুতমাত্র সেই সভাস্থলে বসিয়াই এমনভাবে বঙ্গানুবাদ করিয়াছিলেন, যাহা পরে তদীয় সুকণ্ঠের পাঠ শুনিয়া সকলেই পুলকিত ও বিস্মিত হইয়াছেন।” উল্লেখ্য, তখন কবির বয়স মাত্র ৩৭বছর।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯১)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯১)