০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
টানা ফ্রেঞ্চের রহস্যধর্মী মাস্টারপিস “দ্য কিপার”: আইরিশ গ্রামের অন্ধকারের অন্তর্দৃষ্টি আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার ২০২৬: ছয়টি উপন্যাস পেল শীর্ষ ষ্ট্রিংলিস্ট, ঘোষণা নিয়ে সাহিত্য দুনিয়ায় আলোড়ন ওয়্যারলেস ফেস্টিভ্যালে কানিয়ে ওয়েস্টকে ঘিরে স্পনসর সরে যাচ্ছে, বাড়ছে সাংস্কৃতিক অস্বস্তি পিকসার্ট নির্মাতাদের জন্য নতুন আয়-পথ খুলছে, এআই ডিজাইন বাজারে বদল আসার ইঙ্গিত এআই অবকাঠামোর দৌড় থামাচ্ছে বিদ্যুৎ সংকট, যন্ত্রাংশের বিলম্ব আর শুল্কচাপ দুই সার কারখানার পর এবার বন্ধের পথে ডিএপিএফসিএল আজ রাতে পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে – ট্রাম্প প্রথমবারের মতো প্রাণীর টিকাকার্ড চালুর প্রস্তাব, স্বাস্থ্য ও জীবিকা সুরক্ষায় নতুন উদ্যোগ ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ১২৮ সংসদে বিরোধী দল অত্যন্ত সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করছে- স্পিকার

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৩)

খানিকটা প্রকাশ করেছিলেন ভারতীতে-“কলিকাতার প্লেগ রেগুলেশন যে উগ্রমূর্তি ধারণ করিয়া উঠে নাই

গোপালচন্দ্র যা উল্লেখ করেছেন দ্বিতীয় অধিবেশন সম্পর্কে তা বেঠিক নয়। তবে তা এভাবে বলা যায়। রবীন্দ্রনাথ এ অধিবেশনেই ‘ভারতমাতা’কে উদ্দেশ্য করে এই গানটি গেয়েছিলেন-

আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না

একি শুধু হাসি খেলা, প্রমোদের মেলা

শুধু মিছে কথা ছলনা।

আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না।

সভাপতি গান শুনে উচ্ছ্বসিত হয়ে তাঁকে ‘সুহা সিঙ্গার সব ইজরারেল’ বলে সম্বোধন করেন। গান-বাজনায় তখন ইজরায়েলিদেরই শ্রেষ্ঠ মনে করা হতো। এরপর এ অধিবেশনে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্লেণ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব করেছিলেন যার বঙ্গানুবাদ তিনি করেছিলেন। এর খানিকটা প্রকাশ করেছিলেন ভারতীতে-“কলিকাতার প্লেগ রেগুলেশন যে উগ্রমূর্তি ধারণ করিয়া উঠে নাই, সে জন্যে আমাদের নব বঙ্গাধিপের প্রতি বঙ্গদেশের কৃতজ্ঞতা উচ্ছ্বসিত হইয়া উঠিয়াছে।

যমদুতের উৎপীড়নের সহিত রাজদূতের বিভীষিকা যোগ হইলে প্রজাগণ একেবারে হতাশ হইয়া পড়িত। সতর্ক থাকিলে প্লেগের হস্ত অনেকে এড়াইবে, কিন্তু রেগুলেশনের হস্তে কাহারও রক্ষা নাই।”

ঢাকার শিখ সম্প্রদায়

সুজাতপুরে বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের পাশে গুরু দোয়ারাটিকেই [দ্র. প্রথম খণ্ড। আমরা মনে করতাম ঢাকা/পূর্ববঙ্গের একমাত্র শিখ নিদর্শন হিসেবে। কিন্তু এখন দেখছি এ ধারণাটি ঠিক নয়।

শিখদের মন্দির গুরু দোয়ারা। কিন্তু শিখ বা শুরু দোয়ারা নিয়ে মাথা ঘামাইনি। আরো পরে, যখন ঢাকা নিয়ে লেখালেখি শুরু করি তখন স্বাভাবিকভাবেই গুরু দোয়ারা নিয়ে কিছু জানার ইচ্ছে হয়। শুধু জানলাম সাত মসজিদ ও সঙ্গতটোলায় দুটি গুরু দোয়ারা ছিল কিন্তু তা এখন বিলুপ্ত। সঙ্গতটোলা নামটিই শুধু ঢাকায় এখন শিখদের স্মৃতি বহন করছে। আর দৃশ্যমান হলো সুজাতপুর অর্থাৎ কলা ভবনের পাশের গুরু দোয়ারিটি।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯২)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯২)

জনপ্রিয় সংবাদ

টানা ফ্রেঞ্চের রহস্যধর্মী মাস্টারপিস “দ্য কিপার”: আইরিশ গ্রামের অন্ধকারের অন্তর্দৃষ্টি

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৩)

০৭:০০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খানিকটা প্রকাশ করেছিলেন ভারতীতে-“কলিকাতার প্লেগ রেগুলেশন যে উগ্রমূর্তি ধারণ করিয়া উঠে নাই

গোপালচন্দ্র যা উল্লেখ করেছেন দ্বিতীয় অধিবেশন সম্পর্কে তা বেঠিক নয়। তবে তা এভাবে বলা যায়। রবীন্দ্রনাথ এ অধিবেশনেই ‘ভারতমাতা’কে উদ্দেশ্য করে এই গানটি গেয়েছিলেন-

আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না

একি শুধু হাসি খেলা, প্রমোদের মেলা

শুধু মিছে কথা ছলনা।

আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না।

সভাপতি গান শুনে উচ্ছ্বসিত হয়ে তাঁকে ‘সুহা সিঙ্গার সব ইজরারেল’ বলে সম্বোধন করেন। গান-বাজনায় তখন ইজরায়েলিদেরই শ্রেষ্ঠ মনে করা হতো। এরপর এ অধিবেশনে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্লেণ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব করেছিলেন যার বঙ্গানুবাদ তিনি করেছিলেন। এর খানিকটা প্রকাশ করেছিলেন ভারতীতে-“কলিকাতার প্লেগ রেগুলেশন যে উগ্রমূর্তি ধারণ করিয়া উঠে নাই, সে জন্যে আমাদের নব বঙ্গাধিপের প্রতি বঙ্গদেশের কৃতজ্ঞতা উচ্ছ্বসিত হইয়া উঠিয়াছে।

যমদুতের উৎপীড়নের সহিত রাজদূতের বিভীষিকা যোগ হইলে প্রজাগণ একেবারে হতাশ হইয়া পড়িত। সতর্ক থাকিলে প্লেগের হস্ত অনেকে এড়াইবে, কিন্তু রেগুলেশনের হস্তে কাহারও রক্ষা নাই।”

ঢাকার শিখ সম্প্রদায়

সুজাতপুরে বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের পাশে গুরু দোয়ারাটিকেই [দ্র. প্রথম খণ্ড। আমরা মনে করতাম ঢাকা/পূর্ববঙ্গের একমাত্র শিখ নিদর্শন হিসেবে। কিন্তু এখন দেখছি এ ধারণাটি ঠিক নয়।

শিখদের মন্দির গুরু দোয়ারা। কিন্তু শিখ বা শুরু দোয়ারা নিয়ে মাথা ঘামাইনি। আরো পরে, যখন ঢাকা নিয়ে লেখালেখি শুরু করি তখন স্বাভাবিকভাবেই গুরু দোয়ারা নিয়ে কিছু জানার ইচ্ছে হয়। শুধু জানলাম সাত মসজিদ ও সঙ্গতটোলায় দুটি গুরু দোয়ারা ছিল কিন্তু তা এখন বিলুপ্ত। সঙ্গতটোলা নামটিই শুধু ঢাকায় এখন শিখদের স্মৃতি বহন করছে। আর দৃশ্যমান হলো সুজাতপুর অর্থাৎ কলা ভবনের পাশের গুরু দোয়ারিটি।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯২)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯২)