০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
মঞ্চে ‘ডগ ডে আফটারনুন’: ব্যাংক ডাকাতির গল্পে হাস্যরসের ছোঁয়া, তবু কোথায় যেন অপূর্ণতা বসন্তের সতেজতার প্রতীক স্প্রিং অনিয়ন বায়োহ্যাকিং: আজকের খাদ্য ও স্বাস্থ্য ট্রেন্ড কারা অনুসরণ করছে? টানা ফ্রেঞ্চের রহস্যধর্মী মাস্টারপিস “দ্য কিপার”: আইরিশ গ্রামের অন্ধকারের অন্তর্দৃষ্টি আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার ২০২৬: ছয়টি উপন্যাস পেল শীর্ষ ষ্ট্রিংলিস্ট, ঘোষণা নিয়ে সাহিত্য দুনিয়ায় আলোড়ন ওয়্যারলেস ফেস্টিভ্যালে কানিয়ে ওয়েস্টকে ঘিরে স্পনসর সরে যাচ্ছে, বাড়ছে সাংস্কৃতিক অস্বস্তি পিকসার্ট নির্মাতাদের জন্য নতুন আয়-পথ খুলছে, এআই ডিজাইন বাজারে বদল আসার ইঙ্গিত এআই অবকাঠামোর দৌড় থামাচ্ছে বিদ্যুৎ সংকট, যন্ত্রাংশের বিলম্ব আর শুল্কচাপ দুই সার কারখানার পর এবার বন্ধের পথে ডিএপিএফসিএল আজ রাতে পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে – ট্রাম্প

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৫)

সব ধরনের মানুষদের সঙ্গে তখন শিখরাও এসেছিলেন বিশেষ করে বিহার ও উত্তর ভারত থেকে নানকপন্থিরা।

অষ্টাদশ শতকের শুরুতে ঢাকা ছিল বিশ্বের দ্বাদশতম বৃহত্তর নগরী। সুতরাং, ঢাকার বৈভব অনুমেয়। রোজগারের ধান্ধায় ও সম্পদের আশায় শুধু ভারতবর্ষ নয়, ভারতবর্ষের নাইরে থেকেও মানুষজন আসতে লাগলেন। নানা ধর্মের, নানা বর্ণের মানুষ অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত ঢাকায় অভিবাসী হয়েছেন।

মুঘল রাজারা তখন ধর্মীয় দিক থেকে অনেকটা সহনশীল ছিলেন বিধায় মানুষজন নিজ নিজ ধর্ম পালনে খুব একটা বাধা তখন পাননি। ঢাকা পরিণত হয়েছিল এক মেট্রোপলিটন শহরে। গুরু বখশ জানাচ্ছেন, উত্তর ভারত থেকে অভিবাসন বেশি হয়েছিল এবং শায়েস্তা খান (১৬৬৪-১৬৭৮২ ১৬৮০-১৬৮৮) জানাচ্ছেন, বাংলার এটি হচ্ছে হিন্দুস্তানি ভাষার এক টুকরো বা অংশ।

শুধু তাই নয়, মুঘলরাও অভিবাসনে উৎসাহ জুগিয়েছেন। বহু বর্ণের, বহু ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করায় এক ধরনের উদারনীতি চালু ছিল। সব ধরনের মানুষদের সঙ্গে তখন শিখরাও এসেছিলেন বিশেষ করে বিহার ও উত্তর ভারত থেকে নানকপন্থিরা।

তারা বিভিন্ন জায়গায় সঙ্গত গড়ে তুলেছিলেন। এইসব সঙ্গত শুধু উপাসনালয়ই ছিল না এক ধরনের আশ্রয় কেন্দ্র বা সরাইখানাও ছিল। বৈরাগী সঙ্গও ছিল। এটি নানকপন্থিদের থেকে আলাদা ছিল, বলা যেতে পারে শিখ সাধুদের আখড়া। । সরকারের কাঠামোর ধরনেই এগুলো পরিচালিত হতো।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৪)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

মঞ্চে ‘ডগ ডে আফটারনুন’: ব্যাংক ডাকাতির গল্পে হাস্যরসের ছোঁয়া, তবু কোথায় যেন অপূর্ণতা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৫)

০৭:০০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

সব ধরনের মানুষদের সঙ্গে তখন শিখরাও এসেছিলেন বিশেষ করে বিহার ও উত্তর ভারত থেকে নানকপন্থিরা।

অষ্টাদশ শতকের শুরুতে ঢাকা ছিল বিশ্বের দ্বাদশতম বৃহত্তর নগরী। সুতরাং, ঢাকার বৈভব অনুমেয়। রোজগারের ধান্ধায় ও সম্পদের আশায় শুধু ভারতবর্ষ নয়, ভারতবর্ষের নাইরে থেকেও মানুষজন আসতে লাগলেন। নানা ধর্মের, নানা বর্ণের মানুষ অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত ঢাকায় অভিবাসী হয়েছেন।

মুঘল রাজারা তখন ধর্মীয় দিক থেকে অনেকটা সহনশীল ছিলেন বিধায় মানুষজন নিজ নিজ ধর্ম পালনে খুব একটা বাধা তখন পাননি। ঢাকা পরিণত হয়েছিল এক মেট্রোপলিটন শহরে। গুরু বখশ জানাচ্ছেন, উত্তর ভারত থেকে অভিবাসন বেশি হয়েছিল এবং শায়েস্তা খান (১৬৬৪-১৬৭৮২ ১৬৮০-১৬৮৮) জানাচ্ছেন, বাংলার এটি হচ্ছে হিন্দুস্তানি ভাষার এক টুকরো বা অংশ।

শুধু তাই নয়, মুঘলরাও অভিবাসনে উৎসাহ জুগিয়েছেন। বহু বর্ণের, বহু ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করায় এক ধরনের উদারনীতি চালু ছিল। সব ধরনের মানুষদের সঙ্গে তখন শিখরাও এসেছিলেন বিশেষ করে বিহার ও উত্তর ভারত থেকে নানকপন্থিরা।

তারা বিভিন্ন জায়গায় সঙ্গত গড়ে তুলেছিলেন। এইসব সঙ্গত শুধু উপাসনালয়ই ছিল না এক ধরনের আশ্রয় কেন্দ্র বা সরাইখানাও ছিল। বৈরাগী সঙ্গও ছিল। এটি নানকপন্থিদের থেকে আলাদা ছিল, বলা যেতে পারে শিখ সাধুদের আখড়া। । সরকারের কাঠামোর ধরনেই এগুলো পরিচালিত হতো।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৪)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৪)