০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মিত্র ও নীতিমালা ছেড়ে দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা ‘ভুট্টার মেয়ে’ রিওর রাস্তায় থামতেই চায় না ‘বই তলো’ উন্মাদনা, ক্লান্ত শরীরেও উৎসবের জোয়ার নিজের শর্তে টিভিতে নোবেলজয়ী ওরহান পামুক, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে মুক্তি পেল ‘দ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স’ সিরিজ জাপানের মুনাফা প্রতিষ্ঠানগুলোও চাকরি কাটছে, যুবশক্তি পুনর্বিন্যাসে উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সতর্ক করল দুবাই স্কুল, সামাজিক মিডিয়ায় পোস্টে হতে পারে বড় প্রভাব রমজান উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হাজারো বন্দির মুক্তি অভিবাসনই অর্থনীতির ভরসা? স্পেনের সাহসী সিদ্ধান্তে নতুন বিতর্ক রমজানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জীবনযাত্রার বদল সংস্কৃতির মিলন মেলার আমন্ত্রণে আবুধাবি: ‘এমিরাতি ভ্যালুজ ইফতার’ শুরু

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৫)

সব ধরনের মানুষদের সঙ্গে তখন শিখরাও এসেছিলেন বিশেষ করে বিহার ও উত্তর ভারত থেকে নানকপন্থিরা।

অষ্টাদশ শতকের শুরুতে ঢাকা ছিল বিশ্বের দ্বাদশতম বৃহত্তর নগরী। সুতরাং, ঢাকার বৈভব অনুমেয়। রোজগারের ধান্ধায় ও সম্পদের আশায় শুধু ভারতবর্ষ নয়, ভারতবর্ষের নাইরে থেকেও মানুষজন আসতে লাগলেন। নানা ধর্মের, নানা বর্ণের মানুষ অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত ঢাকায় অভিবাসী হয়েছেন।

মুঘল রাজারা তখন ধর্মীয় দিক থেকে অনেকটা সহনশীল ছিলেন বিধায় মানুষজন নিজ নিজ ধর্ম পালনে খুব একটা বাধা তখন পাননি। ঢাকা পরিণত হয়েছিল এক মেট্রোপলিটন শহরে। গুরু বখশ জানাচ্ছেন, উত্তর ভারত থেকে অভিবাসন বেশি হয়েছিল এবং শায়েস্তা খান (১৬৬৪-১৬৭৮২ ১৬৮০-১৬৮৮) জানাচ্ছেন, বাংলার এটি হচ্ছে হিন্দুস্তানি ভাষার এক টুকরো বা অংশ।

শুধু তাই নয়, মুঘলরাও অভিবাসনে উৎসাহ জুগিয়েছেন। বহু বর্ণের, বহু ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করায় এক ধরনের উদারনীতি চালু ছিল। সব ধরনের মানুষদের সঙ্গে তখন শিখরাও এসেছিলেন বিশেষ করে বিহার ও উত্তর ভারত থেকে নানকপন্থিরা।

তারা বিভিন্ন জায়গায় সঙ্গত গড়ে তুলেছিলেন। এইসব সঙ্গত শুধু উপাসনালয়ই ছিল না এক ধরনের আশ্রয় কেন্দ্র বা সরাইখানাও ছিল। বৈরাগী সঙ্গও ছিল। এটি নানকপন্থিদের থেকে আলাদা ছিল, বলা যেতে পারে শিখ সাধুদের আখড়া। । সরকারের কাঠামোর ধরনেই এগুলো পরিচালিত হতো।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৪)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

মিত্র ও নীতিমালা ছেড়ে দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৫)

০৭:০০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

সব ধরনের মানুষদের সঙ্গে তখন শিখরাও এসেছিলেন বিশেষ করে বিহার ও উত্তর ভারত থেকে নানকপন্থিরা।

অষ্টাদশ শতকের শুরুতে ঢাকা ছিল বিশ্বের দ্বাদশতম বৃহত্তর নগরী। সুতরাং, ঢাকার বৈভব অনুমেয়। রোজগারের ধান্ধায় ও সম্পদের আশায় শুধু ভারতবর্ষ নয়, ভারতবর্ষের নাইরে থেকেও মানুষজন আসতে লাগলেন। নানা ধর্মের, নানা বর্ণের মানুষ অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত ঢাকায় অভিবাসী হয়েছেন।

মুঘল রাজারা তখন ধর্মীয় দিক থেকে অনেকটা সহনশীল ছিলেন বিধায় মানুষজন নিজ নিজ ধর্ম পালনে খুব একটা বাধা তখন পাননি। ঢাকা পরিণত হয়েছিল এক মেট্রোপলিটন শহরে। গুরু বখশ জানাচ্ছেন, উত্তর ভারত থেকে অভিবাসন বেশি হয়েছিল এবং শায়েস্তা খান (১৬৬৪-১৬৭৮২ ১৬৮০-১৬৮৮) জানাচ্ছেন, বাংলার এটি হচ্ছে হিন্দুস্তানি ভাষার এক টুকরো বা অংশ।

শুধু তাই নয়, মুঘলরাও অভিবাসনে উৎসাহ জুগিয়েছেন। বহু বর্ণের, বহু ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করায় এক ধরনের উদারনীতি চালু ছিল। সব ধরনের মানুষদের সঙ্গে তখন শিখরাও এসেছিলেন বিশেষ করে বিহার ও উত্তর ভারত থেকে নানকপন্থিরা।

তারা বিভিন্ন জায়গায় সঙ্গত গড়ে তুলেছিলেন। এইসব সঙ্গত শুধু উপাসনালয়ই ছিল না এক ধরনের আশ্রয় কেন্দ্র বা সরাইখানাও ছিল। বৈরাগী সঙ্গও ছিল। এটি নানকপন্থিদের থেকে আলাদা ছিল, বলা যেতে পারে শিখ সাধুদের আখড়া। । সরকারের কাঠামোর ধরনেই এগুলো পরিচালিত হতো।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৪)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৪)