রণক্ষেত্রে (পর্ব-৪৭)
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ ঘোড়ার খুরের শব্দ, ঘোড়সওয়ারের নালের টুংটাং কিংবা ঘোড়ার চিহিডাক একদম না-করতে দিয়ে চুপিচুপি এগোনোর পক্ষপাতী ছিল
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৯০)
নজরুল এমন সময় কবির কয়েকজন বন্ধু কবির সঙ্গে দেখা করিতে আসিলেন। কবি তাঁহাদিগকে আমার কয়টি কবিতা পড়িয়া শুনাইলেন। বন্ধুরা আমার
রবীন্দ্রনাথ
আল মাহমুদ “এ কেমন অন্ধকার বঙ্গদেশ উত্থান রহিত নৈশব্দের মন্ত্রে যেন ডালে আর পাখিও বসে না। নদীগুলো দুঃখময়, নির্পতগ মাটিতে
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৪৬)
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ ফেদিয়া চুপ করে রইল বটে, কিন্তু ওর ধরনধারণে অবজ্ঞার ভাব ফুটে উঠল। দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে চোখ নিচু করে
রবীন্দ্রনাথের পাল্কিবাহকেরা
আসাদ মান্নান বসন্তের বক্ষ ছেড়ে যাত্রা করে দূরন্ত বৈশাখ; এই মাসে বাঙালির প্রিয় কবি রবীন্দ্রনাথের জন্ম হয় –আজ তাঁর শুভ
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৮৯)
নজরুল অল্প সময়ের মধ্যেই কবি তাঁহার লেখা শেষ করিয়া আমার নিকট চলিয়া আসিলেন। আমি অনুরোধ করিলাম, “কী লিখেছেন আগে আমাকে
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৮৮)
নজরুল সাধারণ কৌতূহলের বশেই মোজাম্মেল হক সাহেবের সঙ্গে দেখা করিতে গেলাম। তিনি তখন কারমাইকেল হোস্টেলে থাকিতেন। মোজাম্মেল হক সাহেব আমার
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৮৭)
নজরুল রামানন্দবাবুর বাড়ি আবার যাইয়া কড়া নাড়িতেই এক নারী-কণ্ঠের আওয়াজ শুনিতে পাইলাম। তাহার নিকট হইতে চারুবাবুর ঠিকানা লইয়া শিবনারায়ণ দাস
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৮৬)
নজরুল আবার সেই খবরের কাগজ বিক্রয় করিতে যাই। পথে পথে ‘নায়ক নায়ক’- বলিয়া চিৎকার করি। কণ্ঠস্বর মাঝে মাঝে আমার গৃহগত










