পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১১১)
সন্ন্যাসী ঠাকুর সন্ন্যাসী ঠাকুরের এই সুদীর্ঘ কাহিনী শুনিয়া কার কি উপকার হইবে জানি না। তিনি যে-পথের পথিক ছিলেন এখন আমি
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১১০)
সন্ন্যাসী ঠাকুর সাধু না হইয়া কবি হইলে, এই বা মন্দ কি!” তারপর তিনি তাঁহার কাগজপত্র খুঁজিয়া তাঁহার রচিত কয়েকটি গান
রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -২৮)
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ শেষের কথাগুলো দাঁড়কাকের তেমন পছন্দ হল না। উনি জানতে চাইলেন, সাপ নেই এমন আর কোনো লুকনোর
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১০৯)
সন্ন্যাসী ঠাকুর আমি সেবার বি এ পরীক্ষা দিয়া কুমারখালি যাইয়া সন্ন্যাসী ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করিলাম। ইতিমধ্যে তাঁহার একমাত্র ছেলে শ্রীশদার
রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -২৭)
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ মাখোরকা তামাকের সেই চিরাচরিত টুকরো-জড়ানো কালো দাড়ি বারকয়েক নাড়লেন দাঁড়কাক। ‘সেইখানেই মুশকিল হয়েছে, ইয়ার। ক্লাবে তো
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১০৮)
সন্ন্যাসী ঠাকুর সুতরাং সেই মিষ্টি খাইতে বসিলাম। নারকেলের পুর দেওয়া পুলিপিঠা, খাঁটি ঘিয়ের ভাজা সরপুরী, সন্দেশ, পানতোয়া। প্রথমে দু’একটা যখন
রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -২৬)
আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ স্টেশনের বাইরের গেটের দিকে এগিয়ে চললুম আমি, গাদা-গাদা বাক্স, ট্রাঙ্ক আর বস্তার পাশ কাটিয়ে। দেখতে-দেখতে চললুম,
আগুনে ঝলসানো
আগুনে ঝলসানো স্বদেশ রায় ছেলেটি ও মেয়েটি কে কাকে বেশি ভালোবাসে এই নিয়ে ওদের মধ্যে ছিলো তুমল ঝগড়া। ওদের ঝগড়াগুলো
টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ৪৬)
ম্যাকসিম গোর্কী একটি চিঠি কথাগুলো এমন সহজে স্ফূর্ত হোলো এবং তাঁর সৌন্দর্য-বোধের আনন্দটা এতোই অকপট ছিল যে, তখন, সেই মুহূর্তে



















