০২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
হংকংয়ে চীনা নববর্ষে ভিড়, উৎসবমুখর শহরে ঢুকছে পর্যটকরা চীনে অর্থনৈতিক ধীরগতি: বছরের শেষের বোনাস ছোট হচ্ছে, আয় সীমিত হচ্ছে টাকা ১০,০০০ কোটি মূল্যের খাদ্য শিল্প বাংলাদেশে বিস্তৃত; আমাদের খাবার কি নিরাপদ? রামাদানের খাদ্যসামগ্রী বিক্রিতে দেশের জুড়ে মোবাইল ট্রাক কার্যক্রম শুরু করবে টি সি বি পিকেএসএফ যুবদের দক্ষতা উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত গড়ে তুলছে বিরাট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা “ডেটা সিটি” বিশাখাপত্তনামে, বিশ্ব ডিজিটাল প্রতিযোগিতায় বড় পালা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ‘অস্ত্র’ বানাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা, সিঙ্গাপুরে ইন্টারপোলের গোপন যুদ্ধকক্ষ থেকে বিশ্বজুড়ে পাল্টা লড়াই যুক্তরাষ্ট্র–জাপান সম্পর্ক আরও জোরদার, চীনের চাপের মুখে কূটনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা অভিনেত্রীর ‘ওপেন টু ওয়ার্ক’ পোস্টে উত্তাল ইন্দোনেশিয়া, সামনে এলো তরুণ বেকারত্বের কঠিন বাস্তবতা বিশ্বকাপ সম্প্রচার অধিকারের ব্যয় উদ্বেগ: ২০২৬ সংস্করণে নতুন চমক

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১২)

একাদশ পরিচ্ছেদ

নিজের ওপর ফু’সে-ওঠা উন্মত্ত ক্রোধের সঙ্গে চারিদিকের সেই অভিশপ্ত বুক-

খাঁখাঁ-করা নৈঃশব্দ্যের প্রতি বিতৃষ্ণা মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছিল আমার মধ্যে। আর, নিষ্ফল আক্রোশ, মনস্তাপ আর হতাশায় পাগল হয়ে গিয়ে আচমকা লাফিয়ে উঠে পড়ে আমি পকেট থেকে বোমাটা টেনে বের করলুম। তারপর বোমার সেফটি ক্যাচ খুলে দিয়ে ঘাসফুল, ঘন ক্লোভার-ঘাস আর শিশিরে-ভেজা ব্লু-বেল ফুলের মাঝখানে সেই সবুজ মাঠের ওপর সজোরে ছুড়ে মারলুম সেটা।

আমি একান্তভাবে যা চাইছিলুম তাই হল। কান-ফাটানো আওয়াজ করে ফাটল বোমাটা। আর তার উন্মত্ত প্রতিধ্বনি দূর থেকে দূরে ছড়িয়ে পড়তে লাগল।

জঙ্গলের ধার ঘে’ষে এরপর হে’টে চললুম আমি।

‘হেই, কে যায় ওখেনে?’ সঙ্গে সঙ্গে ঝোপের আড়াল থেকে একটা গলার আওয়াজ পেলুম।

চলতে চলতেই জবাব দিলুম, ‘আমি।’

‘আরে, আমিটা কে? না-কইলি এখখুনি গুলি চালাব।’

‘চুলোয় যা. চালা গুলি, দেখি!’ রেগে চে’চিয়ে মাওজারটা টেনে বের করলুম।

‘এই পাগল্য, থাম্।’ এবার আরেকটা, যেন একটু চেনা-চেনা, একটা গলা শোনা গেল। ‘এই ভাস্কা, দাঁড়া দিকি এক মিনিট। ও যেন আমাদের বরিস বলে মনে লিচ্ছে?’

আমাদের বাহিনীরই একজন, খনি-মজুর মালিগিনের দিকে পিস্তল তাক করে গুলি করতে যাব এমন সময় নিজেকে সংযত করার মতো সুবুদ্ধি দেখা দিল আমার।

‘আরে, কোন চুলো থেকে আসচ বাপু? আমাদের বাহিনী এই কাছেই আচে। বোমটা ফাটাল কে তাই দেখতে পাঠিয়েচে আমাদের। তুমিই বোম ফাটালে নাকি?’

‘হ্যাঁ।’

‘বলি, মতলবখানা কী? ইদিক-উদিক বোম ফাটাচ্চ কোন্ আক্কেলে? নড়াইয়ের জন্যি কি হাত নিল্পিশ করচে? তা, মাতাল হও নি তো রে বাপু?’

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

হংকংয়ে চীনা নববর্ষে ভিড়, উৎসবমুখর শহরে ঢুকছে পর্যটকরা

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১২)

০৮:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

একাদশ পরিচ্ছেদ

নিজের ওপর ফু’সে-ওঠা উন্মত্ত ক্রোধের সঙ্গে চারিদিকের সেই অভিশপ্ত বুক-

খাঁখাঁ-করা নৈঃশব্দ্যের প্রতি বিতৃষ্ণা মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছিল আমার মধ্যে। আর, নিষ্ফল আক্রোশ, মনস্তাপ আর হতাশায় পাগল হয়ে গিয়ে আচমকা লাফিয়ে উঠে পড়ে আমি পকেট থেকে বোমাটা টেনে বের করলুম। তারপর বোমার সেফটি ক্যাচ খুলে দিয়ে ঘাসফুল, ঘন ক্লোভার-ঘাস আর শিশিরে-ভেজা ব্লু-বেল ফুলের মাঝখানে সেই সবুজ মাঠের ওপর সজোরে ছুড়ে মারলুম সেটা।

আমি একান্তভাবে যা চাইছিলুম তাই হল। কান-ফাটানো আওয়াজ করে ফাটল বোমাটা। আর তার উন্মত্ত প্রতিধ্বনি দূর থেকে দূরে ছড়িয়ে পড়তে লাগল।

জঙ্গলের ধার ঘে’ষে এরপর হে’টে চললুম আমি।

‘হেই, কে যায় ওখেনে?’ সঙ্গে সঙ্গে ঝোপের আড়াল থেকে একটা গলার আওয়াজ পেলুম।

চলতে চলতেই জবাব দিলুম, ‘আমি।’

‘আরে, আমিটা কে? না-কইলি এখখুনি গুলি চালাব।’

‘চুলোয় যা. চালা গুলি, দেখি!’ রেগে চে’চিয়ে মাওজারটা টেনে বের করলুম।

‘এই পাগল্য, থাম্।’ এবার আরেকটা, যেন একটু চেনা-চেনা, একটা গলা শোনা গেল। ‘এই ভাস্কা, দাঁড়া দিকি এক মিনিট। ও যেন আমাদের বরিস বলে মনে লিচ্ছে?’

আমাদের বাহিনীরই একজন, খনি-মজুর মালিগিনের দিকে পিস্তল তাক করে গুলি করতে যাব এমন সময় নিজেকে সংযত করার মতো সুবুদ্ধি দেখা দিল আমার।

‘আরে, কোন চুলো থেকে আসচ বাপু? আমাদের বাহিনী এই কাছেই আচে। বোমটা ফাটাল কে তাই দেখতে পাঠিয়েচে আমাদের। তুমিই বোম ফাটালে নাকি?’

‘হ্যাঁ।’

‘বলি, মতলবখানা কী? ইদিক-উদিক বোম ফাটাচ্চ কোন্ আক্কেলে? নড়াইয়ের জন্যি কি হাত নিল্পিশ করচে? তা, মাতাল হও নি তো রে বাপু?’