০৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ: মিরাজ শেখকে উদ্ধারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল আসক ক্ষমতার অসুখ: নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় বিপদ অহংকার নয়, জবাবদিহির অভাব ফরচুন গ্লোবাল ৫০০: আয় ধরে রাখলেও মুনাফায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক পিছিয়ে চীনা কোম্পানিগুলো চীনের নতুন রহস্যময় পারমাণবিক সাবমেরিন ঘিরে উদ্বেগ, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তি বাড়ানোর ইঙ্গিত বাংলাদেশে হামের মৃত্যু বেড়ে ৮৩১, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর প্রাণহানি শিক্ষককে বাদ দিয়ে নয়, প্রযুক্তিকে পাশে নিয়েই শিক্ষা সংস্কার রেড সিতে জাহাজ চলাচলে নতুন ফি আরোপের চিন্তা হুথিদের, বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি যৌথ হামলায় নতুন মোড়, ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের উত্তাপ চীনের কাছ থেকে ৪০০ কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে ইরান, যুদ্ধের মাঝেই ৭০ মিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তি সোয়াতে যৌথ অভিযানে চার জঙ্গি নিহত, এলিট ফোর্সের এক কনস্টেবল নিহত

গণমাধ্যমকে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার আহ্বান

ণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যেকোনো বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে সতর্ক করেছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা সংস্থা (NCSA)। সংস্থাটি বলছে, এ ধরনের বক্তব্য সহিংসতা ও অস্থিরতা উসকে দিতে পারে।


ভূমিকা

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা সংস্থা (NCSA) সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য যেন গণমাধ্যম প্রচার বা প্রকাশ না করে। সংস্থাটি বলছে, এসব বক্তব্য সহিংসতা ও অস্থিরতা উসকে দিতে পারে।


এনসিএসএর উদ্বেগ

NCSA জানায়, কিছু গণমাধ্যম শেখ হাসিনার যেসব মন্তব্য প্রচার করছে, তার মধ্যে সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উসকানির মতো বিষয় রয়েছে বলে তারা মনে করছে। এ ধরনের বার্তা সামাজিক সম্প্রীতিও ক্ষুন্ন করতে পারে বলে তাদের মন্তব্য।


সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর বিধান অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত বা পলাতক ব্যক্তির বক্তব্য প্রচার করা আইনবিরোধী।

সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো হলো:

ধারা ৮(২):

জাতীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে যায় এমন সামগ্রী অথবা ঘৃণা ও সহিংসতা উসকে দেওয়া অনলাইন উপাদান অপসারণ বা অবরুদ্ধ করার ক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রদান করে।

ধারা ২৬(১):

ভুয়া পরিচয় বা বেআইনি উপায়ে ঘৃণাত্মক বক্তব্য, জাতিগত বিদ্বেষ বা সহিংসতা ছড়ানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।

ধারা ২৬(২):

এই অপরাধে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড এবং/অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।


গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান

NCSA বলছে, তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান করে। তবে এমন কোনো বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যা সহিংসতা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করতে পারে।


সতর্কবার্তা

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের সামগ্রী প্রচার করলে সাংবাদিক ও সম্পাদকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।


#ট্যাগ: বাংলাদেশ | সাইবার_সুরক্ষা | গণমাধ্যম | রাজনীতি

জনপ্রিয় সংবাদ

কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ: মিরাজ শেখকে উদ্ধারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল আসক

গণমাধ্যমকে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার আহ্বান

১১:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

ণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যেকোনো বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে সতর্ক করেছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা সংস্থা (NCSA)। সংস্থাটি বলছে, এ ধরনের বক্তব্য সহিংসতা ও অস্থিরতা উসকে দিতে পারে।


ভূমিকা

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা সংস্থা (NCSA) সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য যেন গণমাধ্যম প্রচার বা প্রকাশ না করে। সংস্থাটি বলছে, এসব বক্তব্য সহিংসতা ও অস্থিরতা উসকে দিতে পারে।


এনসিএসএর উদ্বেগ

NCSA জানায়, কিছু গণমাধ্যম শেখ হাসিনার যেসব মন্তব্য প্রচার করছে, তার মধ্যে সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উসকানির মতো বিষয় রয়েছে বলে তারা মনে করছে। এ ধরনের বার্তা সামাজিক সম্প্রীতিও ক্ষুন্ন করতে পারে বলে তাদের মন্তব্য।


সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর বিধান অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত বা পলাতক ব্যক্তির বক্তব্য প্রচার করা আইনবিরোধী।

সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো হলো:

ধারা ৮(২):

জাতীয় অখণ্ডতা, নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে যায় এমন সামগ্রী অথবা ঘৃণা ও সহিংসতা উসকে দেওয়া অনলাইন উপাদান অপসারণ বা অবরুদ্ধ করার ক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রদান করে।

ধারা ২৬(১):

ভুয়া পরিচয় বা বেআইনি উপায়ে ঘৃণাত্মক বক্তব্য, জাতিগত বিদ্বেষ বা সহিংসতা ছড়ানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।

ধারা ২৬(২):

এই অপরাধে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড এবং/অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।


গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান

NCSA বলছে, তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান করে। তবে এমন কোনো বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যা সহিংসতা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করতে পারে।


সতর্কবার্তা

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের সামগ্রী প্রচার করলে সাংবাদিক ও সম্পাদকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।


#ট্যাগ: বাংলাদেশ | সাইবার_সুরক্ষা | গণমাধ্যম | রাজনীতি