১০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
যখন ঢাকা ঘুমায়: অস্থির পৃথিবীর মাঝে এক বিরল বিরতি আমাদের খাবারের পেছনের নৈতিক প্রশ্ন ঈদের চামড়ায় ধস: বিক্রি না হওয়ায় মাটিচাপা, নদীতে ভাসানোর আশঙ্কা ডিম-পাথর-জুতা নিক্ষেপ: পশ্চিমবঙ্গের সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ইসলামী রাষ্ট্রের আসল পরীক্ষা: স্লোগান নয়, মানুষের জীবন নতুন যুদ্ধের মুখ: ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর অচলাবস্থার যুগে বিশ্ব সংঘাতের নতুন বাস্তবতা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ঘিরে তেহরানে রক্ষণশীলদের চাপ গিলগিট-বালতিস্তানে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে পিটিআই নেতাদের বহিষ্কার, বিতর্কে নির্বাচনী পরিবেশ ঈদের উৎসব নয়, হাসপাতালের শয্যায় লড়াই হামে উদ্বেগ বাড়ছে: ছুটির মধ্যেও দিনে আক্রান্ত ১,০০০-এর বেশি, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮ শিশুর

কারাগারে নেয়া হলো মায়ের মৃতদেহ

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষ এক হৃদয়বিদারক মানবিক উদ্যোগে এক বন্দি ছেলেকে তার মৃত মায়ের শেষ দেখা করার সুযোগ দিয়ে মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করেছে।

রোববার রাত ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকার হাজারীবাগ থানায় অস্ত্র মামলায় বিচারাধীন বন্দি মামুন হোসেনকে কারাগারের প্রধান ফটকে রাখা একটি অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে মায়ের মরদেহ দেখার অনুমতি দেওয়া হয়।

সংক্ষিপ্ত ও নীরব সেই সাক্ষাৎকারটি আয়োজন করা হয় মৃত মায়ের শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে।

কারাগার সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার ধনেশ্বর গ্রামের নিল মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম বার্ধক্যজনিত জটিলতায় রোববার সকালে মারা যান।

মৃত্যুর আগে তার শেষ ইচ্ছা ছিল, ছেলে মামুন হোসেন যেন তাকে শেষবারের মতো দেখতে পারেন।

এই ইচ্ছার কথা জানার পর পরিবারের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে আসেন, যাতে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও মা-ছেলের শেষ দেখা সম্ভব হয়।

কারা মহাপরিদর্শকের অনুমোদনের পর কাশিমপুর কারাগার-২ কর্তৃপক্ষ এই মর্মস্পর্শী সাক্ষাতের অনুমতি দেয়। এতে শোকাহত ছেলে তার মায়ের শেষ বিদায় জানাবার সুযোগ পান।

শোক আর সান্ত্বনার মিশ্রণে গড়া এই মুহূর্তে কারা কর্তৃপক্ষের বিরল মানবিক উদ্যোগ কারাগারের ভেতরেও টিকে থাকা মানুষের গভীর আবেগ ও সম্পর্কের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

যখন ঢাকা ঘুমায়: অস্থির পৃথিবীর মাঝে এক বিরল বিরতি

কারাগারে নেয়া হলো মায়ের মৃতদেহ

১১:৪৬:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষ এক হৃদয়বিদারক মানবিক উদ্যোগে এক বন্দি ছেলেকে তার মৃত মায়ের শেষ দেখা করার সুযোগ দিয়ে মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করেছে।

রোববার রাত ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকার হাজারীবাগ থানায় অস্ত্র মামলায় বিচারাধীন বন্দি মামুন হোসেনকে কারাগারের প্রধান ফটকে রাখা একটি অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে মায়ের মরদেহ দেখার অনুমতি দেওয়া হয়।

সংক্ষিপ্ত ও নীরব সেই সাক্ষাৎকারটি আয়োজন করা হয় মৃত মায়ের শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে।

কারাগার সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার ধনেশ্বর গ্রামের নিল মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম বার্ধক্যজনিত জটিলতায় রোববার সকালে মারা যান।

মৃত্যুর আগে তার শেষ ইচ্ছা ছিল, ছেলে মামুন হোসেন যেন তাকে শেষবারের মতো দেখতে পারেন।

এই ইচ্ছার কথা জানার পর পরিবারের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে আসেন, যাতে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও মা-ছেলের শেষ দেখা সম্ভব হয়।

কারা মহাপরিদর্শকের অনুমোদনের পর কাশিমপুর কারাগার-২ কর্তৃপক্ষ এই মর্মস্পর্শী সাক্ষাতের অনুমতি দেয়। এতে শোকাহত ছেলে তার মায়ের শেষ বিদায় জানাবার সুযোগ পান।

শোক আর সান্ত্বনার মিশ্রণে গড়া এই মুহূর্তে কারা কর্তৃপক্ষের বিরল মানবিক উদ্যোগ কারাগারের ভেতরেও টিকে থাকা মানুষের গভীর আবেগ ও সম্পর্কের কথাই মনে করিয়ে দেয়।