০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
মিশেল ফাইফারের অভিনয়ের জাদু: দুটি ভিন্ন শোতেই হৃদয় স্পন্দন অনলাইন শিক্ষায় বাবা-মায়ের নতুন কৌশল: বাড়িতে ইউনিফর্ম, ব্যায়াম ও ফলের খোঁজ চাঁদে ফেরার নতুন ইতিহাস: অর্ধশতাব্দী পর মানুষের মহাকাশযাত্রায় বড় পদক্ষেপ চীনের চিপ শিল্পে নতুন মার্কিন চাপ ইউএই-তে পরিবারকেন্দ্রিক ইস্টার উদযাপন: ডিনার থেকে ডিম খোঁজা, সবকিছুই মিলেমিশে উৎসবের আনন্দ বাড়াচ্ছে দামার হ্যামলিনের জীবন বদলে দেওয়া হৃদরোগ সচেতনতার সংগ্রাম: বাঁচার লড়াই থেকে অন্যদের জীবন বাঁচানো পর্যন্ত আত্মার বন্ধুত্বের রহস্যে হারানো: ইমপারফেক্ট উইমেন-এর শোবিশ্লেষণ চাকরি ও শ্রমিকের সমন্বয়, তবে সন্তুষ্টি নেই কম্বোডিয়ার সাইবার অপরাধ দমন আইন প্যাম বন্ডি চেয়ার করেছিলেন মার্জিত বিদায়, কিন্তু ট্রাম্প চাইলেন তাকে বিদায় দিতে

কারাগারে নেয়া হলো মায়ের মৃতদেহ

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষ এক হৃদয়বিদারক মানবিক উদ্যোগে এক বন্দি ছেলেকে তার মৃত মায়ের শেষ দেখা করার সুযোগ দিয়ে মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করেছে।

রোববার রাত ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকার হাজারীবাগ থানায় অস্ত্র মামলায় বিচারাধীন বন্দি মামুন হোসেনকে কারাগারের প্রধান ফটকে রাখা একটি অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে মায়ের মরদেহ দেখার অনুমতি দেওয়া হয়।

সংক্ষিপ্ত ও নীরব সেই সাক্ষাৎকারটি আয়োজন করা হয় মৃত মায়ের শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে।

কারাগার সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার ধনেশ্বর গ্রামের নিল মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম বার্ধক্যজনিত জটিলতায় রোববার সকালে মারা যান।

মৃত্যুর আগে তার শেষ ইচ্ছা ছিল, ছেলে মামুন হোসেন যেন তাকে শেষবারের মতো দেখতে পারেন।

এই ইচ্ছার কথা জানার পর পরিবারের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে আসেন, যাতে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও মা-ছেলের শেষ দেখা সম্ভব হয়।

কারা মহাপরিদর্শকের অনুমোদনের পর কাশিমপুর কারাগার-২ কর্তৃপক্ষ এই মর্মস্পর্শী সাক্ষাতের অনুমতি দেয়। এতে শোকাহত ছেলে তার মায়ের শেষ বিদায় জানাবার সুযোগ পান।

শোক আর সান্ত্বনার মিশ্রণে গড়া এই মুহূর্তে কারা কর্তৃপক্ষের বিরল মানবিক উদ্যোগ কারাগারের ভেতরেও টিকে থাকা মানুষের গভীর আবেগ ও সম্পর্কের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

মিশেল ফাইফারের অভিনয়ের জাদু: দুটি ভিন্ন শোতেই হৃদয় স্পন্দন

কারাগারে নেয়া হলো মায়ের মৃতদেহ

১১:৪৬:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষ এক হৃদয়বিদারক মানবিক উদ্যোগে এক বন্দি ছেলেকে তার মৃত মায়ের শেষ দেখা করার সুযোগ দিয়ে মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করেছে।

রোববার রাত ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকার হাজারীবাগ থানায় অস্ত্র মামলায় বিচারাধীন বন্দি মামুন হোসেনকে কারাগারের প্রধান ফটকে রাখা একটি অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে মায়ের মরদেহ দেখার অনুমতি দেওয়া হয়।

সংক্ষিপ্ত ও নীরব সেই সাক্ষাৎকারটি আয়োজন করা হয় মৃত মায়ের শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে।

কারাগার সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার ধনেশ্বর গ্রামের নিল মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম বার্ধক্যজনিত জটিলতায় রোববার সকালে মারা যান।

মৃত্যুর আগে তার শেষ ইচ্ছা ছিল, ছেলে মামুন হোসেন যেন তাকে শেষবারের মতো দেখতে পারেন।

এই ইচ্ছার কথা জানার পর পরিবারের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে আসেন, যাতে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও মা-ছেলের শেষ দেখা সম্ভব হয়।

কারা মহাপরিদর্শকের অনুমোদনের পর কাশিমপুর কারাগার-২ কর্তৃপক্ষ এই মর্মস্পর্শী সাক্ষাতের অনুমতি দেয়। এতে শোকাহত ছেলে তার মায়ের শেষ বিদায় জানাবার সুযোগ পান।

শোক আর সান্ত্বনার মিশ্রণে গড়া এই মুহূর্তে কারা কর্তৃপক্ষের বিরল মানবিক উদ্যোগ কারাগারের ভেতরেও টিকে থাকা মানুষের গভীর আবেগ ও সম্পর্কের কথাই মনে করিয়ে দেয়।