০৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
ইলন মাস্কের শহর: করপোরেট ইউটোপিয়া নাকি নতুন ধরনের ক্ষমতার রাজনীতি? ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭, বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলোতে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা আরোগ্যের বাজার: সুস্থতা যখন পণ্যে পরিণত হয় দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে বিশ্বকাপ শুরু, চেকিয়াকে হারিয়ে নকআউটের পথে দক্ষিণ কোরিয়া নতুন ভূরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে মধ্য এশিয়া: কেন এখন সবার নজর এই অঞ্চলকে ঘিরে পাকিস্তানে দারিদ্র্য বেড়ে ২৮.৯ শতাংশ, শিক্ষা খাতে ব্যয় নেমেছে রেকর্ড সর্বনিম্নে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমছে, ন্যাটোতে নতুন উদ্বেগ: ইউরোপ থেকে এক-তৃতীয়াংশ যুদ্ধবিমান প্রত্যাহারের পরিকল্পনা স্পেসএক্সের ঐতিহাসিক শেয়ারবাজারে অভিষেক, ৭৫ বিলিয়ন ডলার তুলে রেকর্ড গড়লেন ইলন মাস্ক বিমান দুর্ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ‘এরোপ্লেন বয়’, এক বছর পরও আতঙ্ক কাটেনি আরিয়ানের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে মধ্যরাতের চুরি, ‘পরিকল্পিত নাশকতা’ সন্দেহ কাজলের

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমছে, ন্যাটোতে নতুন উদ্বেগ: ইউরোপ থেকে এক-তৃতীয়াংশ যুদ্ধবিমান প্রত্যাহারের পরিকল্পনা

  • Sarakhon Report
  • ০২:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • 4

ইউরোপে ন্যাটো অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র যে যুদ্ধবিমান ও সামরিক সম্পদ সরবরাহ করে, তার বড় অংশ প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করেছে ওয়াশিংটন। নতুন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ইউরোপে ন্যাটোর সামরিক সক্ষমতা, নজরদারি কার্যক্রম এবং দীর্ঘপাল্লার হামলা পরিচালনার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, জুনের শুরুতে মিত্র দেশগুলোর কাছে একটি লিখিত নথির মাধ্যমে এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। এতে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি আরও সীমিত করার ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সামরিক সম্পদে বড় কাটছাঁট

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউরোপে ন্যাটোর জন্য নির্ধারিত এফ-১৬ ও এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের সংখ্যা প্রায় ১৫০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হবে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক নজরদারি বিমান ২৬ থেকে ১৫-এ নামিয়ে আনা হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে ইউরোপে ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ আটটি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমান পুরোপুরি প্রত্যাহার করা। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রবাহী একটি সাবমেরিন, একটি বিমানবাহী রণতরী এবং এর সঙ্গে যুক্ত একাধিক যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান অন্য অঞ্চলে স্থানান্তর করা হবে।

ইউরোপের প্রতিরক্ষার জন্য আগে বরাদ্দ থাকা দুটি বোমারু বিমান ইউনিটের একটি ইউনিটও সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ন্যাটোর সক্ষমতার ওপর প্রভাব

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ ন্যাটোর নজরদারি ও প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করবে। বিশেষ করে রাশিয়ার সাবমেরিন চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইনস্টিটিউট ফর সিকিউরিটি স্টাডিজের গবেষক জিউসেপ্পে স্পাতাফোরা বলেন, প্রতিটি কাটছাঁট আলাদাভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও সবগুলো একসঙ্গে ন্যাটোর সামরিক অবস্থানে বড় পরিবর্তন আনবে এবং ইউরোপের প্রতিরোধ সক্ষমতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে ন্যাটোর ব্যয়ভার যুক্তরাষ্ট্রকে অতিরিক্ত বহন করতে হচ্ছে। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিজেদের প্রতিরক্ষায় আরও বেশি বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

যদিও এর আগে বিভিন্ন দেশে সীমিত পরিসরে সেনা বা সামরিক সম্পদ কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, নতুন পরিকল্পনাটি পুরো ন্যাটো কাঠামোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কমানোর সবচেয়ে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পেন্টাগন নির্দিষ্ট সংখ্যার বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানালেও ইউরোপে সামরিক প্রতিশ্রুতি কমানোর ইচ্ছার কথা আগেই ইঙ্গিত দিয়েছে।

ইউরোপের জন্য কঠিন সময়

এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এসেছে যখন ইউরোপ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগের মুখে রয়েছে। মে মাসের শেষদিকে রোমানিয়ার একটি আবাসিক ভবনে রুশ ড্রোন আঘাত হানে, যা ন্যাটো ভূখণ্ডের কোনো বড় শহরাঞ্চলে এমন ধরনের প্রথম ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় অনেক ইউরোপীয় দেশ আশঙ্কা করছে, রাশিয়া ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিতে পারে।

এদিকে ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করলেও সমন্বয়ের ঘাটতি স্পষ্ট। সম্প্রতি জার্মানি ফ্রান্স ও স্পেনের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন যুদ্ধবিমান তৈরির একটি প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছে।

বিশ্বাসের সংকট বাড়ছে

জার্মান আইনপ্রণেতা আন্তন হফরাইটারের মতে, ন্যাটোর মূল সমস্যা এখন শুধু সামরিক সম্পদের সংখ্যা নয়; বরং সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই ইউরোপের পাশে দাঁড়াবে কি না, সেই বিশ্বাসের প্রশ্ন।

অন্যদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অগ্রাধিকার বাড়ছে। তাদের মতে, ন্যাটো কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সামরিক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল এবং এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের প্রধান জেনারেল অ্যালেক্সাস জি. গ্রিঙ্কেভিচও সম্প্রতি বলেছেন, ন্যাটো বাহিনীর বর্তমান কাঠামোতে মার্কিন বাহিনীর ওপর অস্বাস্থ্যকর নির্ভরতা তৈরি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসবে।

#ন্যাটো #যুক্তরাষ্ট্র #ইউরোপ #ডোনাল্ড_ট্রাম্প #রাশিয়া #প্রতিরক্ষা #যুদ্ধবিমান #সামরিক_নীতি #আন্তর্জাতিক_রাজনীতি #নিরাপত্তা_সংকট

জনপ্রিয় সংবাদ

ইলন মাস্কের শহর: করপোরেট ইউটোপিয়া নাকি নতুন ধরনের ক্ষমতার রাজনীতি?

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমছে, ন্যাটোতে নতুন উদ্বেগ: ইউরোপ থেকে এক-তৃতীয়াংশ যুদ্ধবিমান প্রত্যাহারের পরিকল্পনা

০২:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

ইউরোপে ন্যাটো অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র যে যুদ্ধবিমান ও সামরিক সম্পদ সরবরাহ করে, তার বড় অংশ প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করেছে ওয়াশিংটন। নতুন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ইউরোপে ন্যাটোর সামরিক সক্ষমতা, নজরদারি কার্যক্রম এবং দীর্ঘপাল্লার হামলা পরিচালনার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, জুনের শুরুতে মিত্র দেশগুলোর কাছে একটি লিখিত নথির মাধ্যমে এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। এতে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি আরও সীমিত করার ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সামরিক সম্পদে বড় কাটছাঁট

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউরোপে ন্যাটোর জন্য নির্ধারিত এফ-১৬ ও এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের সংখ্যা প্রায় ১৫০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হবে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক নজরদারি বিমান ২৬ থেকে ১৫-এ নামিয়ে আনা হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে ইউরোপে ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ আটটি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমান পুরোপুরি প্রত্যাহার করা। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রবাহী একটি সাবমেরিন, একটি বিমানবাহী রণতরী এবং এর সঙ্গে যুক্ত একাধিক যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান অন্য অঞ্চলে স্থানান্তর করা হবে।

ইউরোপের প্রতিরক্ষার জন্য আগে বরাদ্দ থাকা দুটি বোমারু বিমান ইউনিটের একটি ইউনিটও সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ন্যাটোর সক্ষমতার ওপর প্রভাব

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ ন্যাটোর নজরদারি ও প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করবে। বিশেষ করে রাশিয়ার সাবমেরিন চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইনস্টিটিউট ফর সিকিউরিটি স্টাডিজের গবেষক জিউসেপ্পে স্পাতাফোরা বলেন, প্রতিটি কাটছাঁট আলাদাভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও সবগুলো একসঙ্গে ন্যাটোর সামরিক অবস্থানে বড় পরিবর্তন আনবে এবং ইউরোপের প্রতিরোধ সক্ষমতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে ন্যাটোর ব্যয়ভার যুক্তরাষ্ট্রকে অতিরিক্ত বহন করতে হচ্ছে। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিজেদের প্রতিরক্ষায় আরও বেশি বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

যদিও এর আগে বিভিন্ন দেশে সীমিত পরিসরে সেনা বা সামরিক সম্পদ কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, নতুন পরিকল্পনাটি পুরো ন্যাটো কাঠামোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কমানোর সবচেয়ে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পেন্টাগন নির্দিষ্ট সংখ্যার বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানালেও ইউরোপে সামরিক প্রতিশ্রুতি কমানোর ইচ্ছার কথা আগেই ইঙ্গিত দিয়েছে।

ইউরোপের জন্য কঠিন সময়

এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এসেছে যখন ইউরোপ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগের মুখে রয়েছে। মে মাসের শেষদিকে রোমানিয়ার একটি আবাসিক ভবনে রুশ ড্রোন আঘাত হানে, যা ন্যাটো ভূখণ্ডের কোনো বড় শহরাঞ্চলে এমন ধরনের প্রথম ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় অনেক ইউরোপীয় দেশ আশঙ্কা করছে, রাশিয়া ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিতে পারে।

এদিকে ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করলেও সমন্বয়ের ঘাটতি স্পষ্ট। সম্প্রতি জার্মানি ফ্রান্স ও স্পেনের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন যুদ্ধবিমান তৈরির একটি প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছে।

বিশ্বাসের সংকট বাড়ছে

জার্মান আইনপ্রণেতা আন্তন হফরাইটারের মতে, ন্যাটোর মূল সমস্যা এখন শুধু সামরিক সম্পদের সংখ্যা নয়; বরং সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই ইউরোপের পাশে দাঁড়াবে কি না, সেই বিশ্বাসের প্রশ্ন।

অন্যদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অগ্রাধিকার বাড়ছে। তাদের মতে, ন্যাটো কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সামরিক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল এবং এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের প্রধান জেনারেল অ্যালেক্সাস জি. গ্রিঙ্কেভিচও সম্প্রতি বলেছেন, ন্যাটো বাহিনীর বর্তমান কাঠামোতে মার্কিন বাহিনীর ওপর অস্বাস্থ্যকর নির্ভরতা তৈরি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসবে।

#ন্যাটো #যুক্তরাষ্ট্র #ইউরোপ #ডোনাল্ড_ট্রাম্প #রাশিয়া #প্রতিরক্ষা #যুদ্ধবিমান #সামরিক_নীতি #আন্তর্জাতিক_রাজনীতি #নিরাপত্তা_সংকট