০৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর ব্রিটেনে ছুরি হামলার পর উত্তেজনা, উসকে দিচ্ছে কট্টর ডানপন্থী রাজনীতি ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশির দেশে ফেরা, বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ৭২ ঘণ্টায় নিহত ২১ জঙ্গি, মোট নিহত ৪৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতালেন লিসা, কেপপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় ইউটিউব থেকে হলিউড: নতুন প্রজন্মের পরিচালকরা কি বদলে দিচ্ছেন সিনেমার ভবিষ্যৎ? গুগলের নতুন এআই চিপে স্যামসাং? ‘আইসফিশ’ প্রকল্পে বড় চুক্তির আলোচনায় দুই প্রযুক্তি জায়ান্ট ইরান যুদ্ধের পর বদলে যাওয়া বাস্তবতা: চুক্তির দ্বারপ্রান্তে থেকেও কেন কঠিন অবস্থানে তেহরান পশ্চিমবঙ্গে তল্লাশি বিতর্ক: অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পুলিশি অভিযানে মমতার অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

রংপুর মেডিক্যালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে জরুরি বিভাগ বন্ধ, সড়ক অবরোধে উত্তেজনা

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শনিবার হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে চিকিৎসকরা জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ রেখে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। একই সময়ে মৃত রোগীর স্বজনরা মরদেহ হস্তান্তরের দাবিতে হাসপাতালের সামনে সড়ক অবরোধ করলে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি এক রোগীর মৃত্যু হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনের সময় রোগীর স্বজনরা অক্সিজেন মাস্ক সংগ্রহ করতে না পারায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং পরে রোগীর মৃত্যু হয়।

রোগীর মৃত্যুর পর স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তোলেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসকের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।

প্রতিবাদে জরুরি সেবা বন্ধ

চিকিৎসকের ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের চিকিৎসকরা একত্রিত হন। তারা জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করেন এবং হাসপাতালের মর্গের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

চিকিৎসকদের এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মরদেহও হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানা গেছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

স্বজনদের সড়ক অবরোধ

অন্যদিকে মৃত রোগীর স্বজনরা মরদেহ দ্রুত হস্তান্তরের দাবিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের মহাসড়ক অবরোধ করেন। তাদের অভিযোগ, চিকিৎসাগত অবহেলার কারণেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেন, ঘটনার দায় আড়াল করতে মরদেহ আটকে রাখা হয়েছে।

স্বজনরা সতর্ক করে বলেন, মরদেহ হস্তান্তর না করা হলে তারা অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। অবরোধের ফলে কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং আশপাশের এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়।

সমাধানের চেষ্টা

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে।

ঘটনাটি চিকিৎসক নিরাপত্তা, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা এবং রোগীসেবার পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বন্ধ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে জরুরি বিভাগ বন্ধ ও সড়ক অবরোধের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর

রংপুর মেডিক্যালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে জরুরি বিভাগ বন্ধ, সড়ক অবরোধে উত্তেজনা

০৭:৪১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শনিবার হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে চিকিৎসকরা জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ রেখে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। একই সময়ে মৃত রোগীর স্বজনরা মরদেহ হস্তান্তরের দাবিতে হাসপাতালের সামনে সড়ক অবরোধ করলে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি এক রোগীর মৃত্যু হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনের সময় রোগীর স্বজনরা অক্সিজেন মাস্ক সংগ্রহ করতে না পারায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং পরে রোগীর মৃত্যু হয়।

রোগীর মৃত্যুর পর স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তোলেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসকের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।

প্রতিবাদে জরুরি সেবা বন্ধ

চিকিৎসকের ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের চিকিৎসকরা একত্রিত হন। তারা জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করেন এবং হাসপাতালের মর্গের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

চিকিৎসকদের এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মরদেহও হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানা গেছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

স্বজনদের সড়ক অবরোধ

অন্যদিকে মৃত রোগীর স্বজনরা মরদেহ দ্রুত হস্তান্তরের দাবিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের মহাসড়ক অবরোধ করেন। তাদের অভিযোগ, চিকিৎসাগত অবহেলার কারণেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেন, ঘটনার দায় আড়াল করতে মরদেহ আটকে রাখা হয়েছে।

স্বজনরা সতর্ক করে বলেন, মরদেহ হস্তান্তর না করা হলে তারা অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। অবরোধের ফলে কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং আশপাশের এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়।

সমাধানের চেষ্টা

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে।

ঘটনাটি চিকিৎসক নিরাপত্তা, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা এবং রোগীসেবার পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বন্ধ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে জরুরি বিভাগ বন্ধ ও সড়ক অবরোধের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের চেষ্টা চলছে।