০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
ফ্রান্স-আলজেরিয়া সম্পর্কের শিক্ষা: সংঘাত নয়, কূটনীতির পথই কি শেষ পর্যন্ত জয়ী? নতুন এলাকায় বন্যার শঙ্কা, বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে দেশে মৃত ৫৪, আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৮ হাজারের বেশি মানুষ বাংলাদেশে আরও এক সন্দেহভাজন হামে শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭৫৯ কর্ণাটকের মুকাম্বিকা মন্দিরে হাতি চেয়ে কেরালাকে অনুরোধ, নতুন আলোচনা দুই রাজ্যে ওলি রবিনসের আইনি লড়াই, বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ঘিরে যুক্তরাজ্যে নতুন বিতর্ক চীনের বিমানবাহী রণতরী শক্তি বাড়ানোর নতুন পরিকল্পনা, পাইলট ও নাবিক তৈরিতে বড় পরিবর্তন জাপানে বিদেশি কর্মী বাড়ায় রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এক বছরে বিদেশে পাঠানো হলো ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন ভিয়েতনামে ৩০ কোটি ডলারের বিশাল কারখানা খুলল সানটোরি পেপসিকো, লক্ষ্য স্বাস্থ্যকর পানীয়ের বাড়তি বাজার যুক্তরাষ্ট্রের দখলে হিলিয়াম বাজার, ইরান যুদ্ধ ও চীনের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় চাপে এশিয়ার চিপ শিল্প

রংপুর মেডিক্যালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে জরুরি বিভাগ বন্ধ, সড়ক অবরোধে উত্তেজনা

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শনিবার হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে চিকিৎসকরা জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ রেখে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। একই সময়ে মৃত রোগীর স্বজনরা মরদেহ হস্তান্তরের দাবিতে হাসপাতালের সামনে সড়ক অবরোধ করলে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি এক রোগীর মৃত্যু হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনের সময় রোগীর স্বজনরা অক্সিজেন মাস্ক সংগ্রহ করতে না পারায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং পরে রোগীর মৃত্যু হয়।

রোগীর মৃত্যুর পর স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তোলেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসকের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।

প্রতিবাদে জরুরি সেবা বন্ধ

চিকিৎসকের ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের চিকিৎসকরা একত্রিত হন। তারা জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করেন এবং হাসপাতালের মর্গের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

চিকিৎসকদের এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মরদেহও হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানা গেছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

স্বজনদের সড়ক অবরোধ

অন্যদিকে মৃত রোগীর স্বজনরা মরদেহ দ্রুত হস্তান্তরের দাবিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের মহাসড়ক অবরোধ করেন। তাদের অভিযোগ, চিকিৎসাগত অবহেলার কারণেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেন, ঘটনার দায় আড়াল করতে মরদেহ আটকে রাখা হয়েছে।

স্বজনরা সতর্ক করে বলেন, মরদেহ হস্তান্তর না করা হলে তারা অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। অবরোধের ফলে কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং আশপাশের এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়।

সমাধানের চেষ্টা

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে।

ঘটনাটি চিকিৎসক নিরাপত্তা, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা এবং রোগীসেবার পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বন্ধ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে জরুরি বিভাগ বন্ধ ও সড়ক অবরোধের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্স-আলজেরিয়া সম্পর্কের শিক্ষা: সংঘাত নয়, কূটনীতির পথই কি শেষ পর্যন্ত জয়ী?

রংপুর মেডিক্যালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে জরুরি বিভাগ বন্ধ, সড়ক অবরোধে উত্তেজনা

০৭:৪১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শনিবার হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে চিকিৎসকরা জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ রেখে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। একই সময়ে মৃত রোগীর স্বজনরা মরদেহ হস্তান্তরের দাবিতে হাসপাতালের সামনে সড়ক অবরোধ করলে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি এক রোগীর মৃত্যু হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনের সময় রোগীর স্বজনরা অক্সিজেন মাস্ক সংগ্রহ করতে না পারায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং পরে রোগীর মৃত্যু হয়।

রোগীর মৃত্যুর পর স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তোলেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসকের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।

প্রতিবাদে জরুরি সেবা বন্ধ

চিকিৎসকের ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের চিকিৎসকরা একত্রিত হন। তারা জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করেন এবং হাসপাতালের মর্গের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

চিকিৎসকদের এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মরদেহও হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানা গেছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

স্বজনদের সড়ক অবরোধ

অন্যদিকে মৃত রোগীর স্বজনরা মরদেহ দ্রুত হস্তান্তরের দাবিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের মহাসড়ক অবরোধ করেন। তাদের অভিযোগ, চিকিৎসাগত অবহেলার কারণেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেন, ঘটনার দায় আড়াল করতে মরদেহ আটকে রাখা হয়েছে।

স্বজনরা সতর্ক করে বলেন, মরদেহ হস্তান্তর না করা হলে তারা অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। অবরোধের ফলে কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং আশপাশের এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়।

সমাধানের চেষ্টা

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে।

ঘটনাটি চিকিৎসক নিরাপত্তা, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা এবং রোগীসেবার পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বন্ধ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে জরুরি বিভাগ বন্ধ ও সড়ক অবরোধের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের চেষ্টা চলছে।