বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় অষ্টম অবস্থানে ছিল ঢাকা। সকাল ১০টা ৩৩ মিনিটে রাজধানীর বায়ুর মানসূচক ছিল ১০৭, যা সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।
শিশু ও বয়স্কদের জন্য বেশি ঝুঁকি
১০১ থেকে ১৫০ পর্যন্ত বায়ুর মানসূচককে সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর ধরা হয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং হৃদ্যন্ত্র বা ফুসফুসের রোগে আক্রান্তদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম।
বৃহস্পতিবার বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে ছিল মালয়েশিয়ার কুচিং। শহরটির বায়ুর মানসূচক ছিল ২২৪। এরপর ছিল ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, ১৫৬, এবং ভারতের দিল্লি, ১৫২।

দূষণের মাত্রা যেভাবে নির্ধারিত হয়
বায়ুর মানসূচক ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি হলে বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচিত হয়। এই সূচকের মাধ্যমে প্রতিদিন বাতাসে দূষণের মাত্রা এবং মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
বাংলাদেশে বায়ুর মান নির্ধারণে প্রধানত সূক্ষ্ম ও স্থূল বস্তুকণা, নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড এবং ওজোনের মাত্রা বিবেচনা করা হয়।
শীতকালে বাড়ে ঢাকার দূষণ
দীর্ঘদিন ধরেই বায়ুদূষণের গুরুতর সমস্যায় ভুগছে ঢাকা। সাধারণত শীতকালে রাজধানীর বায়ুর মান আরও খারাপ হয়। বর্ষাকালে বৃষ্টির কারণে বাতাসের দূষণ কিছুটা কমে আসে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণের কারণে প্রায় ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর সঙ্গে স্ট্রোক, হৃদ্রোগ, দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ, ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের মতো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্পর্ক রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















