০৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
তেলের ধাক্কা শুধু যুদ্ধের নয়, নীতিহীনতারও মূল্য রঘু রাইয়ের ক্যামেরা ছিল শুধু ছবি তোলার যন্ত্র নয়, এক ধরনের জীবনদর্শন ট্রাম্পের কঠোর আশ্রয়নীতি কি স্থায়ী রূপ নিচ্ছে? যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সন্ত্রাসবিরোধী কৌশল ঘিরে বিতর্ক, সমালোচনায় রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ নিউইয়র্কে আবাসন নির্মাণে বড় বাধা কমছে, বদলে যেতে পারে শহরের ভবিষ্যৎ ট্রাম্পের প্রতিশোধ রাজনীতি নিয়ে চাপে রিপাবলিকানরা ট্রাম্প-শি বৈঠকে বাণিজ্যের হাসি, আড়ালে তাইওয়ান-ইউক্রেন-ইরান উত্তেজনা ব্রিটিশ রাজনীতির নেতৃত্ব সংকট: জনপ্রিয়তার লড়াই নয়, বাস্তবতার পরীক্ষা লন্ডনে টমি রবিনসন ঘিরে উত্তেজনা, ফিলিস্তিনপন্থী পাল্টা বিক্ষোভে কড়া নিরাপত্তা জাকার্তার ‘সামতামা ভিলেজ’: বর্জ্য আলাদা করেই কমছে ল্যান্ডফিলে চাপ

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-১৪)

  • Sarakhon Report
  • ১২:০০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪
  • 214

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


বৃটিশ বস্ত্র শিল্পের মালিকরা চাইত তারা যাতে নীল পায় নিরাপদে। বৃটিশ নিয়ন্ত্রিত উপনিবেশ থেকে নীল পেলে তারা খুশী। আমেরিকার বাকি উপনিবেশগুলো থেকে বিশেষ কোনো সুবিধা হলনা। জ্যামেইকার কৃষকরা কফি উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পড়ল কেননা কফিতে বেশি লাভ। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে বৃটেন পেয়ে গেল এক সুবর্ণ সুযোগ। সবেমাত্র তারা বঙ্গদেশের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে।
বঙ্গদেশ- খনিজ পদার্থ শূন্য এশিয়ার এমন এক অঞ্চল-ফলপ্রসূ কৃষি ব্যবস্থা ও শিল্পোৎপাদনই যেখানে দেশীয় সম্পদের আকর। শাসন কর্তৃপক্ষ মনে করলেন:
“বঙ্গদেশে জাতীয় ভিত্তিতে নীলের চাষ ও উৎপাদন করতে হবে। বঙ্গদেশে (ইষ্ট ইন্ডিয়া) কোম্পানীর সদ্য দখলিকৃত বিষয়-সম্পত্তির উপযোগিতা ও মূল্য আরও বাড়াতে হবে যাতে বঙ্গদেশের মাটি ও স্থানীয় শ্রমের সম্পৃক্ততা থেকে রফতানী বাণিজ্যের সুবিধা করা যায় ব্যাপকভাবে।
জোয়ালায় নীল চাষ উন্নয়নের আরও কয়েকটি কারণ ছিল: নীলচাষই একমাত্র বঙ্গদেশ থেকে বৃটেনে তাদের আয় পাঠানোর সুদৃঢ় মাধ্যম হতে পারে। বৃটেনের উঠতি বস্ত্রশিল্প মহল নীলের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদর্শন করলেও উৎপাদিত পণ্য দ্রব্য পাঠানোর ঘোর বিরোধিতা করে তারা যেমন, বঙ্গদেশের বস্ত্র আমদানীর ঘোর বিরোধী ছিল তারা। অন্যান্য অর্থকরী ফসল যেমন চিনি কিংবা গাঁজার ক্ষেত্রেও ততটা আগ্রহী ছিল।
জনপ্রিয় সংবাদ

তেলের ধাক্কা শুধু যুদ্ধের নয়, নীতিহীনতারও মূল্য

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-১৪)

১২:০০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


বৃটিশ বস্ত্র শিল্পের মালিকরা চাইত তারা যাতে নীল পায় নিরাপদে। বৃটিশ নিয়ন্ত্রিত উপনিবেশ থেকে নীল পেলে তারা খুশী। আমেরিকার বাকি উপনিবেশগুলো থেকে বিশেষ কোনো সুবিধা হলনা। জ্যামেইকার কৃষকরা কফি উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পড়ল কেননা কফিতে বেশি লাভ। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে বৃটেন পেয়ে গেল এক সুবর্ণ সুযোগ। সবেমাত্র তারা বঙ্গদেশের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে।
বঙ্গদেশ- খনিজ পদার্থ শূন্য এশিয়ার এমন এক অঞ্চল-ফলপ্রসূ কৃষি ব্যবস্থা ও শিল্পোৎপাদনই যেখানে দেশীয় সম্পদের আকর। শাসন কর্তৃপক্ষ মনে করলেন:
“বঙ্গদেশে জাতীয় ভিত্তিতে নীলের চাষ ও উৎপাদন করতে হবে। বঙ্গদেশে (ইষ্ট ইন্ডিয়া) কোম্পানীর সদ্য দখলিকৃত বিষয়-সম্পত্তির উপযোগিতা ও মূল্য আরও বাড়াতে হবে যাতে বঙ্গদেশের মাটি ও স্থানীয় শ্রমের সম্পৃক্ততা থেকে রফতানী বাণিজ্যের সুবিধা করা যায় ব্যাপকভাবে।
জোয়ালায় নীল চাষ উন্নয়নের আরও কয়েকটি কারণ ছিল: নীলচাষই একমাত্র বঙ্গদেশ থেকে বৃটেনে তাদের আয় পাঠানোর সুদৃঢ় মাধ্যম হতে পারে। বৃটেনের উঠতি বস্ত্রশিল্প মহল নীলের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদর্শন করলেও উৎপাদিত পণ্য দ্রব্য পাঠানোর ঘোর বিরোধিতা করে তারা যেমন, বঙ্গদেশের বস্ত্র আমদানীর ঘোর বিরোধী ছিল তারা। অন্যান্য অর্থকরী ফসল যেমন চিনি কিংবা গাঁজার ক্ষেত্রেও ততটা আগ্রহী ছিল।