০৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
আসামে তৃতীয় দফায় ক্ষমতায় এলে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, চার বিয়েতে নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত জ্বালানি সংকটে রাজধানীতে এলপিজির কালোবাজারি বিস্তার, পুলিশের অভিযানে হাজারের বেশি সিলিন্ডার জব্দ রিজার্ভে ধাক্কা: দুই সপ্তাহে কমে ২৯.২৯ বিলিয়ন ডলার, অর্থনীতিতে নতুন চাপ মধ্য-এপ্রিলের মধ্যে হরমুজ না খুললে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হবে: তেল শিল্পের সতর্কবার্তা ইরান মার্কিন শর্ত মানতে রাজি, তবে খার্গ দ্বীপ দখলের ভাবনায় ট্রাম্প হরমুজ সংকটের আঘাতে বাংলাদেশ: বার্ষিক জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়বে ৪৮০ কোটি ডলার ইসলামাবাদে চার দেশের কূটনীতি: পাকিস্তান মার্কিন-ইরান সরাসরি আলোচনা আয়োজনের প্রস্তাব দিল বঙ্গের ধাঁধা — সামাজিক অগ্রগতি কেন উচ্চ আয়ে রূপান্তরিত হয়নি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে মধ্যস্থতার উদ্যোগে পাকিস্তান, চীনের সমর্থন চাইতে বেইজিং সফরে ইসহাক দার ভারত কেন কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বেছে নেয়

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-১৪)

  • Sarakhon Report
  • ১২:০০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪
  • 194

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


বৃটিশ বস্ত্র শিল্পের মালিকরা চাইত তারা যাতে নীল পায় নিরাপদে। বৃটিশ নিয়ন্ত্রিত উপনিবেশ থেকে নীল পেলে তারা খুশী। আমেরিকার বাকি উপনিবেশগুলো থেকে বিশেষ কোনো সুবিধা হলনা। জ্যামেইকার কৃষকরা কফি উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পড়ল কেননা কফিতে বেশি লাভ। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে বৃটেন পেয়ে গেল এক সুবর্ণ সুযোগ। সবেমাত্র তারা বঙ্গদেশের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে।
বঙ্গদেশ- খনিজ পদার্থ শূন্য এশিয়ার এমন এক অঞ্চল-ফলপ্রসূ কৃষি ব্যবস্থা ও শিল্পোৎপাদনই যেখানে দেশীয় সম্পদের আকর। শাসন কর্তৃপক্ষ মনে করলেন:
“বঙ্গদেশে জাতীয় ভিত্তিতে নীলের চাষ ও উৎপাদন করতে হবে। বঙ্গদেশে (ইষ্ট ইন্ডিয়া) কোম্পানীর সদ্য দখলিকৃত বিষয়-সম্পত্তির উপযোগিতা ও মূল্য আরও বাড়াতে হবে যাতে বঙ্গদেশের মাটি ও স্থানীয় শ্রমের সম্পৃক্ততা থেকে রফতানী বাণিজ্যের সুবিধা করা যায় ব্যাপকভাবে।
জোয়ালায় নীল চাষ উন্নয়নের আরও কয়েকটি কারণ ছিল: নীলচাষই একমাত্র বঙ্গদেশ থেকে বৃটেনে তাদের আয় পাঠানোর সুদৃঢ় মাধ্যম হতে পারে। বৃটেনের উঠতি বস্ত্রশিল্প মহল নীলের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদর্শন করলেও উৎপাদিত পণ্য দ্রব্য পাঠানোর ঘোর বিরোধিতা করে তারা যেমন, বঙ্গদেশের বস্ত্র আমদানীর ঘোর বিরোধী ছিল তারা। অন্যান্য অর্থকরী ফসল যেমন চিনি কিংবা গাঁজার ক্ষেত্রেও ততটা আগ্রহী ছিল।
জনপ্রিয় সংবাদ

আসামে তৃতীয় দফায় ক্ষমতায় এলে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, চার বিয়েতে নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-১৪)

১২:০০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


বৃটিশ বস্ত্র শিল্পের মালিকরা চাইত তারা যাতে নীল পায় নিরাপদে। বৃটিশ নিয়ন্ত্রিত উপনিবেশ থেকে নীল পেলে তারা খুশী। আমেরিকার বাকি উপনিবেশগুলো থেকে বিশেষ কোনো সুবিধা হলনা। জ্যামেইকার কৃষকরা কফি উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পড়ল কেননা কফিতে বেশি লাভ। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে বৃটেন পেয়ে গেল এক সুবর্ণ সুযোগ। সবেমাত্র তারা বঙ্গদেশের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে।
বঙ্গদেশ- খনিজ পদার্থ শূন্য এশিয়ার এমন এক অঞ্চল-ফলপ্রসূ কৃষি ব্যবস্থা ও শিল্পোৎপাদনই যেখানে দেশীয় সম্পদের আকর। শাসন কর্তৃপক্ষ মনে করলেন:
“বঙ্গদেশে জাতীয় ভিত্তিতে নীলের চাষ ও উৎপাদন করতে হবে। বঙ্গদেশে (ইষ্ট ইন্ডিয়া) কোম্পানীর সদ্য দখলিকৃত বিষয়-সম্পত্তির উপযোগিতা ও মূল্য আরও বাড়াতে হবে যাতে বঙ্গদেশের মাটি ও স্থানীয় শ্রমের সম্পৃক্ততা থেকে রফতানী বাণিজ্যের সুবিধা করা যায় ব্যাপকভাবে।
জোয়ালায় নীল চাষ উন্নয়নের আরও কয়েকটি কারণ ছিল: নীলচাষই একমাত্র বঙ্গদেশ থেকে বৃটেনে তাদের আয় পাঠানোর সুদৃঢ় মাধ্যম হতে পারে। বৃটেনের উঠতি বস্ত্রশিল্প মহল নীলের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদর্শন করলেও উৎপাদিত পণ্য দ্রব্য পাঠানোর ঘোর বিরোধিতা করে তারা যেমন, বঙ্গদেশের বস্ত্র আমদানীর ঘোর বিরোধী ছিল তারা। অন্যান্য অর্থকরী ফসল যেমন চিনি কিংবা গাঁজার ক্ষেত্রেও ততটা আগ্রহী ছিল।