১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
লুসাকায় আধা টন হাতির দাঁত জব্দ: জাম্বিয়ায় আন্তর্জাতিক হাতির দাঁত পাচার চক্র ভেঙে দেওয়া হয়েছে আইওএস ২৭-এ গুগল ও অ্যান্থ্রপিকসহ প্রতিদ্বন্দ্বী এআই সিস্টেমে উন্মুক্ত হবে সিরি নিয়াসিন সাপ্লিমেন্টে অতিরিক্ত ভরসা নয়, বিপদে ফেলতে পারে লিভার ও রক্তে শর্করা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদের স্বাধীনতা সংকুচিত, নতুন নিয়মে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠরোধের অভিযোগ টেস্ট ভেন্যু বাছাইয়ে বিতর্ক: ঐতিহ্য উপেক্ষা, প্রশ্নের মুখে ভারতের ক্রিকেট নীতি বৈদেশিক ঋণের চাপে অর্থনীতি, সমান তালে আসছে ঋণ ও পরিশোধ টঙ্গীর ফ্লাইওভারে দাউদাউ আগুনে পুড়ল চলন্ত গাড়ি, আতঙ্কে থমকে গেল ব্যস্ত সড়ক ভোটের টানে ঘরে ফিরতে মরিয়া বঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকরা, ভয়ের ছায়া নাম কাটার আতঙ্ক আসামে ভোটের আগে কংগ্রেসের ‘পাঁচ গ্যারান্টি’, ১০০ দিনে জুবিন গার্গ হত্যার বিচার প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানের বিশ্বস্বীকৃতি: ভারতের পররাষ্ট্রনীতির বড় ব্যর্থতা—জয়রাম রমেশের তীব্র আক্রমণ

বই নিয়ে আড্ডা ও আলোচনা

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪
  • 120

সারাক্ষণ ডেস্ক

অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কবি ও কথাসাহিত্যিক ভজন সরকারের গল্পগ্রন্থ ‘ দেশত্যাগের গল্পঃ উত্তরের দেশে’ নিয়ে এ ঋদ্ধ্ব ও প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠান। শাহবাগের কাঁটাবনের ‘কবিতা ক্যাফে’-র বিকেলটি ছিল এক অনন্য । দীর্ঘদিন প্রবাসে বাস করেও ভজন সরকার বাংলাসাহিত্যে তাঁর নিরলস ও দৃপ্ত উপস্থিতি প্রমান করে চলেছেন। ‘ উত্তরের দেশে’ গল্পগ্রন্থটি তাঁর ৬ষ্ঠ প্রকাশিত গ্রন্থ। তাঁর অন্যান্য গ্রন্থগুলোও বোদ্ধা পাঠকমহলে ব্যাপক আলোচনা ও আলোড়ন তুলেছে। বিশেষকরের প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘ বিভক্তির সাতকাহন’, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লিখিত উপন্যাস ‘ চন্দ্রমুখী জানালা’  এ গ্রন্থ দু’টির কথা উল্লেখ করতেই হয়।

এদিনও ঢাকার সাহিত্য ও শিল্প-জগতের অনেক জ্ঞানী ও গুণী মানুষের উপস্থিতি এ প্রমান করে যে ভজন সরকার প্রবাসে অবস্থান করলেও বাংলাদেশের সাহিত্যাংগনে তিনি প্রবল ভাবেই  উপস্থিত  এবং তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য ভাবে  পঠিত ও আলোচিত। ‘কবিতা ক্যাফে’-র অনুষ্ঠানে সেদিন আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক বিভুরঞ্জন সরকার, বাংলা একাডেমি পদক প্রাপ্ত কবি ও গবেষক বাংলা একাডেমির পরিচালক  ডঃ তপন বাগচী, বিশিষ্ট কবি ফরিদুজ্জামান, ভারত বিচিত্রার সাবেক সম্পাদক ও রাজনীতিবিদ  নান্টু রায়, বিশিষ্ট  বাম-রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিমাই গাঙ্গুলি,  কলামিষ্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অমূল্য কুমার বৈদ্য, বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী  ডাঃ সুস্মিতা আহমেদ বর্ণা, লেখক ও ইউনিসেফ কর্মকর্তা গীতা দাস, ,স্থপতি ও বিজ্ঞানী অসিত সাহাসহ  আরও অনেকে।

এছাড়াও আরো  অনেক বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে  আলোচনা অনুষ্ঠানটি গল্পগ্রন্থের বিষয়বস্তু ছাপিয়ে হয়ে ওঠে দেশভাগ ও দেশত্যাগের নির্মোহ কারণ বিশ্লেষণের এক আবেগঘন স্মৃতি রোমন্থনের সন্ধ্যা। সার্বিক অনুষ্ঠানটি  উপস্থাপন করেন প্রকৌশলী নিমাই সরকার। সাহিত্য আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতজন সুভাষ ভট্রাচার্য।

দেশত্যাগ ও অভিবাসনের ১৫টি গল্প নিয়েও আলোচনা করা হয়। অভিবাসন এক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু অভিবাসন হয়ে ওঠে চরম কষ্টের যখন তা হয় জোরপূর্বক। কবি ও কথাসাহিত্যিক ভজন সরকার তাঁর গল্পে সেই জোরপূর্বক দেশত্যাগের কিছু কাহিনি তুলে এনেছেন, যা পড়লে মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। সকল বক্তাই তাঁদের বক্তব্যে সে কথাটিই তুলে এনেছেন । বিশেষকরে বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু জনগোষ্ঠীর পরিসংখ্যান উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সচেতন নাগরিক সমাজ ও সরকারেরই দায়িত্ব সকল প্রকার সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর দেশত্যাগের কারণ অনুসন্ধান ও তার প্রতিকারের ব্যবস্থা করা।

কবি ও লেখক ভজন সরকার তাঁর বক্তব্যে  প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের কোথাও যেন কোন মানুষকে জোরপূর্বক স্থানচ্যুত করা না হয়, সে লক্ষ্যেই মানুষকে কাজ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লুসাকায় আধা টন হাতির দাঁত জব্দ: জাম্বিয়ায় আন্তর্জাতিক হাতির দাঁত পাচার চক্র ভেঙে দেওয়া হয়েছে

বই নিয়ে আড্ডা ও আলোচনা

০৯:০৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কবি ও কথাসাহিত্যিক ভজন সরকারের গল্পগ্রন্থ ‘ দেশত্যাগের গল্পঃ উত্তরের দেশে’ নিয়ে এ ঋদ্ধ্ব ও প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠান। শাহবাগের কাঁটাবনের ‘কবিতা ক্যাফে’-র বিকেলটি ছিল এক অনন্য । দীর্ঘদিন প্রবাসে বাস করেও ভজন সরকার বাংলাসাহিত্যে তাঁর নিরলস ও দৃপ্ত উপস্থিতি প্রমান করে চলেছেন। ‘ উত্তরের দেশে’ গল্পগ্রন্থটি তাঁর ৬ষ্ঠ প্রকাশিত গ্রন্থ। তাঁর অন্যান্য গ্রন্থগুলোও বোদ্ধা পাঠকমহলে ব্যাপক আলোচনা ও আলোড়ন তুলেছে। বিশেষকরের প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘ বিভক্তির সাতকাহন’, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লিখিত উপন্যাস ‘ চন্দ্রমুখী জানালা’  এ গ্রন্থ দু’টির কথা উল্লেখ করতেই হয়।

এদিনও ঢাকার সাহিত্য ও শিল্প-জগতের অনেক জ্ঞানী ও গুণী মানুষের উপস্থিতি এ প্রমান করে যে ভজন সরকার প্রবাসে অবস্থান করলেও বাংলাদেশের সাহিত্যাংগনে তিনি প্রবল ভাবেই  উপস্থিত  এবং তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য ভাবে  পঠিত ও আলোচিত। ‘কবিতা ক্যাফে’-র অনুষ্ঠানে সেদিন আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক বিভুরঞ্জন সরকার, বাংলা একাডেমি পদক প্রাপ্ত কবি ও গবেষক বাংলা একাডেমির পরিচালক  ডঃ তপন বাগচী, বিশিষ্ট কবি ফরিদুজ্জামান, ভারত বিচিত্রার সাবেক সম্পাদক ও রাজনীতিবিদ  নান্টু রায়, বিশিষ্ট  বাম-রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিমাই গাঙ্গুলি,  কলামিষ্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অমূল্য কুমার বৈদ্য, বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী  ডাঃ সুস্মিতা আহমেদ বর্ণা, লেখক ও ইউনিসেফ কর্মকর্তা গীতা দাস, ,স্থপতি ও বিজ্ঞানী অসিত সাহাসহ  আরও অনেকে।

এছাড়াও আরো  অনেক বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে  আলোচনা অনুষ্ঠানটি গল্পগ্রন্থের বিষয়বস্তু ছাপিয়ে হয়ে ওঠে দেশভাগ ও দেশত্যাগের নির্মোহ কারণ বিশ্লেষণের এক আবেগঘন স্মৃতি রোমন্থনের সন্ধ্যা। সার্বিক অনুষ্ঠানটি  উপস্থাপন করেন প্রকৌশলী নিমাই সরকার। সাহিত্য আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতজন সুভাষ ভট্রাচার্য।

দেশত্যাগ ও অভিবাসনের ১৫টি গল্প নিয়েও আলোচনা করা হয়। অভিবাসন এক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু অভিবাসন হয়ে ওঠে চরম কষ্টের যখন তা হয় জোরপূর্বক। কবি ও কথাসাহিত্যিক ভজন সরকার তাঁর গল্পে সেই জোরপূর্বক দেশত্যাগের কিছু কাহিনি তুলে এনেছেন, যা পড়লে মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। সকল বক্তাই তাঁদের বক্তব্যে সে কথাটিই তুলে এনেছেন । বিশেষকরে বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু জনগোষ্ঠীর পরিসংখ্যান উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সচেতন নাগরিক সমাজ ও সরকারেরই দায়িত্ব সকল প্রকার সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর দেশত্যাগের কারণ অনুসন্ধান ও তার প্রতিকারের ব্যবস্থা করা।

কবি ও লেখক ভজন সরকার তাঁর বক্তব্যে  প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের কোথাও যেন কোন মানুষকে জোরপূর্বক স্থানচ্যুত করা না হয়, সে লক্ষ্যেই মানুষকে কাজ করতে হবে।