০১:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক

রথীন্দ্র নাথ রায়ের বিখ্যাত ৩ গান গাজী মাজহারুল আনোয়ারের

  • Sarakhon Report
  • ০৫:১০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৪
  • 117

সারাক্ষণ প্রতিবেদক

রথীন্দ্রনাথ রায়, বাংলাদেশের প্রখ্যাত একজন লোকসঙ্গীত শিল্পী। অনেক দেশাত্ববোধক গান গেয়ে তিনি এদেশের শ্রোতা দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতারের নিয়মিত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে গান পরিবেশন করে অনন্য ভূমিকা পালন করেন এবং কণ্ঠ যুদ্ধশিল্পী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদক’প্রাপ্ত উপমহাদেশের প্রখ্যাত গীতিকার, প্রযোজক, পরিচালক, কাহিনীকার প্রয়াত গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা তিনটি গান রথীন্দ্র নাথ রায়ের কন্ঠে সারা দেশের সঙ্গীতপ্রেমী শ্রোতা দর্শকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলো। গান তিনটি হচ্ছে ‘খোদার ঘরে নালিশ করতে দিলোনা আমারে’,‘ তুমি আরেকবার আসিয়া যাও মোরে কান্দাইয়া’  ও ‘সবাই বলে বয়স বাড়ে আমি বলি কমেরে’।

গান তিনটি যথাক্রমে ‘নালিশ’,‘নাগরদোলা’ ও ‘ফকির মজনুশাহ’ সিনেমার। গানগুলোর সুর সৃষ্টি করেছেন প্রয়াত আলাউদ্দিন আলী। চ্যানেল আইতে টানা পাঁচ বছর গাজী মাজহারুল আনোয়ার বেঁচে থাকাকালীন সময়ে ‘পালকি’ শিরোনামের একটি অনুষ্ঠান হতো। অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনা করতেন গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মেয়ে গায়িকা, উপস্থাপিকা দিঠি আনোয়ার। তার বাবার মৃত্যুর পর অনুষ্ঠানটির প্রচারণা বন্ধ হয়ে যায়। তবে ‘পালকি’ অনুষ্ঠান চলাকালে আমেরিকা থেকে এসে এই আয়োজনে অংশগ্রহন করেছিলেন রথীন্দ্রনাথ রায়।

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের সামনে বসেই দিঠি আনোয়ারের উপস্থাপনায় রথীন্দ্রনাথ রায় গানগুলো নিয়ে স্মৃতি চারণ করেছিলেন। গাজী মাজহারুল আনোয়ারও গানগুলো নিয়ে পিছনের গল্প করেছিলেন। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে রথীন্দ্রনাথ রায়ের এই পর্বটি প্রচারিত হয়েছিলো। এখনো ইউটিউবে পর্বটি আছে। রথীন্দ্রনাথ রায়ের কন্ঠে আরো বেশকিছু জনপ্রিয় গান আছে। কিন্তু তারপরও গাজী মাজহারুল আনোয়ারেলর লেখা এই তিনটি গান অধিক জনপ্রিয়, যা এখনো এই প্রজন্মের শিল্পীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গেয়ে থাকেন।

দিঠি আনোয়ার বলেন,‘ আব্বু, আলাউদ্দিন আলী চাচা, কিরণ চাচার মধ্যে একটা অন্যরকম আত্নার সম্পর্ক ছিলো। তাদের তিনজনের সমন্বিত এই তিনটি গান এখনো অনেক জনপ্রিয়। আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো আব্বু এবং কিরণ চাচাকে নিয়ে পালকি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করার এবং গানে গানে গল্প করার। অনেক কথা উঠে এসেছে স্মৃতিচারণে। আব্বুর লেখা আরো বেশ কয়েকটি গান কিরণ চাচা গেয়েছেন। তবে এই তিনটি গান অধিক জনপ্রিয়।

আমারতো মনে হয় বাংলাদেশে যতোদিন থাকবে এই গানগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্মের গায়ক—শ্রোতা—দর্শকের মধ্যে বেঁচে থাকবে। কারণ এই গানগুলো মানুষের মনের গভীরে গেঁথে থাকার মতো গান।’ এদিকে দিঠির বড় ছেলে আদিয়ান চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে ‘জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি’তে বিজনেজ ম্যানেজম্যান্টে ভর্তি হয়েছেন। ছেলের পড়াশুনা শুরুর যাবতীয় কাজ শেষে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন দিঠি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ

রথীন্দ্র নাথ রায়ের বিখ্যাত ৩ গান গাজী মাজহারুল আনোয়ারের

০৫:১০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতিবেদক

রথীন্দ্রনাথ রায়, বাংলাদেশের প্রখ্যাত একজন লোকসঙ্গীত শিল্পী। অনেক দেশাত্ববোধক গান গেয়ে তিনি এদেশের শ্রোতা দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতারের নিয়মিত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে গান পরিবেশন করে অনন্য ভূমিকা পালন করেন এবং কণ্ঠ যুদ্ধশিল্পী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদক’প্রাপ্ত উপমহাদেশের প্রখ্যাত গীতিকার, প্রযোজক, পরিচালক, কাহিনীকার প্রয়াত গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা তিনটি গান রথীন্দ্র নাথ রায়ের কন্ঠে সারা দেশের সঙ্গীতপ্রেমী শ্রোতা দর্শকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলো। গান তিনটি হচ্ছে ‘খোদার ঘরে নালিশ করতে দিলোনা আমারে’,‘ তুমি আরেকবার আসিয়া যাও মোরে কান্দাইয়া’  ও ‘সবাই বলে বয়স বাড়ে আমি বলি কমেরে’।

গান তিনটি যথাক্রমে ‘নালিশ’,‘নাগরদোলা’ ও ‘ফকির মজনুশাহ’ সিনেমার। গানগুলোর সুর সৃষ্টি করেছেন প্রয়াত আলাউদ্দিন আলী। চ্যানেল আইতে টানা পাঁচ বছর গাজী মাজহারুল আনোয়ার বেঁচে থাকাকালীন সময়ে ‘পালকি’ শিরোনামের একটি অনুষ্ঠান হতো। অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনা করতেন গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মেয়ে গায়িকা, উপস্থাপিকা দিঠি আনোয়ার। তার বাবার মৃত্যুর পর অনুষ্ঠানটির প্রচারণা বন্ধ হয়ে যায়। তবে ‘পালকি’ অনুষ্ঠান চলাকালে আমেরিকা থেকে এসে এই আয়োজনে অংশগ্রহন করেছিলেন রথীন্দ্রনাথ রায়।

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের সামনে বসেই দিঠি আনোয়ারের উপস্থাপনায় রথীন্দ্রনাথ রায় গানগুলো নিয়ে স্মৃতি চারণ করেছিলেন। গাজী মাজহারুল আনোয়ারও গানগুলো নিয়ে পিছনের গল্প করেছিলেন। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে রথীন্দ্রনাথ রায়ের এই পর্বটি প্রচারিত হয়েছিলো। এখনো ইউটিউবে পর্বটি আছে। রথীন্দ্রনাথ রায়ের কন্ঠে আরো বেশকিছু জনপ্রিয় গান আছে। কিন্তু তারপরও গাজী মাজহারুল আনোয়ারেলর লেখা এই তিনটি গান অধিক জনপ্রিয়, যা এখনো এই প্রজন্মের শিল্পীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গেয়ে থাকেন।

দিঠি আনোয়ার বলেন,‘ আব্বু, আলাউদ্দিন আলী চাচা, কিরণ চাচার মধ্যে একটা অন্যরকম আত্নার সম্পর্ক ছিলো। তাদের তিনজনের সমন্বিত এই তিনটি গান এখনো অনেক জনপ্রিয়। আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো আব্বু এবং কিরণ চাচাকে নিয়ে পালকি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করার এবং গানে গানে গল্প করার। অনেক কথা উঠে এসেছে স্মৃতিচারণে। আব্বুর লেখা আরো বেশ কয়েকটি গান কিরণ চাচা গেয়েছেন। তবে এই তিনটি গান অধিক জনপ্রিয়।

আমারতো মনে হয় বাংলাদেশে যতোদিন থাকবে এই গানগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্মের গায়ক—শ্রোতা—দর্শকের মধ্যে বেঁচে থাকবে। কারণ এই গানগুলো মানুষের মনের গভীরে গেঁথে থাকার মতো গান।’ এদিকে দিঠির বড় ছেলে আদিয়ান চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে ‘জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি’তে বিজনেজ ম্যানেজম্যান্টে ভর্তি হয়েছেন। ছেলের পড়াশুনা শুরুর যাবতীয় কাজ শেষে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন দিঠি।