০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূগোলের নিরাপত্তাবলয় ভেঙে পড়ছে, যুক্তরাষ্ট্র কি নতুন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত? রাজনীতিতে ধর্মীয় সংগঠনের হস্তক্ষেপ কি সত্যিই অপরাধ? রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা চীনা ব্যবসায়ীর ১ কোটি টাকা নিয়ে চালক উধাও, মেসেজে লিখলেন ‘আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি’ কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি, ফেরার অপেক্ষায় আরও ১,৮০০ অস্ত্রের মুখে বিকাশকর্মীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, পালাল ৬ দুর্বৃত্ত নেপালে বন্যার তাণ্ডব: ‘নিখোঁজদের দেয়ালে’ স্বজন খুঁজছেন হাজারো মানুষ ভারতের ৭.৮% জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কেন উঠছে প্রশ্ন? নেপালের বন্যাবিধ্বস্ত উপত্যকায় ধ্বংসস্তূপ ছাড়া কিছুই নেই ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ নয়, প্রকৃত তথ্য জানাল পুলিশ

দুবাই মলে রেস্তোরাঁর সবার বিল পরিশোধ করলেন শেখ হামদান

দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী শেখ হামদান বিন মুহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম সম্প্রতি আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে দুবাই মলের ‘লা মেধঁ আনি’ রেস্তোরাঁয় হাজির হন। সেখানে উপস্থিত সকল অতিথির খাবারের সম্পূর্ণ বিল তিনি নিজে পরিশোধ করেন, যা প্রায় ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার দিরহাম পর্যন্ত হয়েছিল।

সংক্ষিপ্ত পরিপ্রেক্ষিত

দুবাই মলের ক্রেতারা দুই রাজপুত্রকে হঠাৎ দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছিলেন। রেস্তোরাঁয় থাকা অতিথিরা শুরুতে বিষয়টি আঁচ করতে না পারলেও পরে জানতে পারেন, তাদের কারও খাবারের জন্যই আর খরচ করতে হবে না—শেখ হামদান ইতোমধ্যেই পুরো বিল মিটিয়ে ফেলেছেন।

উদারতার নজির

শেখ হামদানের এই উদার আচরণ তাঁর জনদরদি ভাবমূর্তিকে আবারও প্রমাণ করল। অতীতেও নানা সময়ে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদাহরণ রেখেছেন, আর এই ঘটনায় সেই ধারাবাহিকতা আরও উজ্জ্বল হলো।

ভিডিও ভাইরাল

রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় শেখ হামদান ও শেখ খালেদের ভিডিও ও ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একটি টিকটক ভিডিওতে এক ব্যবহারকারী জানান, পুরো বিলের সুবাদে রেস্তোরাঁয় থাকা সবাই চমকে ওঠে। ভিডিওটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনরা শেখ হামদানের প্রশংসায় ভাসতে শুরু করেন।

সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া

ঘটনার ভিডিও ও খবর ছড়িয়ে পড়ার পর টিকটক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো মন্তব্য আসে। বেশিরভাগই শেখ হামদানের উদারতা ও সাধারণ মানুষকে খুশি করার মানসিকতার প্রশংসা করেন।

নিশিথা র‍্যাচেল গালফ নিউজের সহকারী সোশ্যাল মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে প্রতিষ্ঠানের অনলাইন উপস্থিতি দক্ষ হাতে পরিচালনা করেন। সাংবাদিকতা ক্যারিয়ারের শুরু হয়েছিল বিনোদন বিভাগের প্রতিবেদক হিসেবে, যা এখনো তাঁর আগ্রহের একটি বড় অংশ। কোরিয়ান সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কে-পপ অনুষ্ঠান নিয়েও লেখেন। তাঁর অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা ছিল বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড এক্সোর গায়ক চেনকে সাক্ষাৎকার নেওয়া।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূগোলের নিরাপত্তাবলয় ভেঙে পড়ছে, যুক্তরাষ্ট্র কি নতুন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত?

দুবাই মলে রেস্তোরাঁর সবার বিল পরিশোধ করলেন শেখ হামদান

১২:৫৪:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী শেখ হামদান বিন মুহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম সম্প্রতি আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে দুবাই মলের ‘লা মেধঁ আনি’ রেস্তোরাঁয় হাজির হন। সেখানে উপস্থিত সকল অতিথির খাবারের সম্পূর্ণ বিল তিনি নিজে পরিশোধ করেন, যা প্রায় ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার দিরহাম পর্যন্ত হয়েছিল।

সংক্ষিপ্ত পরিপ্রেক্ষিত

দুবাই মলের ক্রেতারা দুই রাজপুত্রকে হঠাৎ দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছিলেন। রেস্তোরাঁয় থাকা অতিথিরা শুরুতে বিষয়টি আঁচ করতে না পারলেও পরে জানতে পারেন, তাদের কারও খাবারের জন্যই আর খরচ করতে হবে না—শেখ হামদান ইতোমধ্যেই পুরো বিল মিটিয়ে ফেলেছেন।

উদারতার নজির

শেখ হামদানের এই উদার আচরণ তাঁর জনদরদি ভাবমূর্তিকে আবারও প্রমাণ করল। অতীতেও নানা সময়ে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদাহরণ রেখেছেন, আর এই ঘটনায় সেই ধারাবাহিকতা আরও উজ্জ্বল হলো।

ভিডিও ভাইরাল

রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় শেখ হামদান ও শেখ খালেদের ভিডিও ও ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একটি টিকটক ভিডিওতে এক ব্যবহারকারী জানান, পুরো বিলের সুবাদে রেস্তোরাঁয় থাকা সবাই চমকে ওঠে। ভিডিওটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনরা শেখ হামদানের প্রশংসায় ভাসতে শুরু করেন।

সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া

ঘটনার ভিডিও ও খবর ছড়িয়ে পড়ার পর টিকটক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো মন্তব্য আসে। বেশিরভাগই শেখ হামদানের উদারতা ও সাধারণ মানুষকে খুশি করার মানসিকতার প্রশংসা করেন।

নিশিথা র‍্যাচেল গালফ নিউজের সহকারী সোশ্যাল মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে প্রতিষ্ঠানের অনলাইন উপস্থিতি দক্ষ হাতে পরিচালনা করেন। সাংবাদিকতা ক্যারিয়ারের শুরু হয়েছিল বিনোদন বিভাগের প্রতিবেদক হিসেবে, যা এখনো তাঁর আগ্রহের একটি বড় অংশ। কোরিয়ান সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কে-পপ অনুষ্ঠান নিয়েও লেখেন। তাঁর অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা ছিল বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড এক্সোর গায়ক চেনকে সাক্ষাৎকার নেওয়া।