১১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
আমেরিকার নতুন কৌশল, আসিয়ানের কঠিন ভারসাম্য সাগরে ৩৬ দিন ধরে ভেসে থাকা শ্রীলঙ্কান বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করল বাংলাদেশি জেলেরা মারধরের পর ছাত্রলীগ পরিচয়ে কারাগারে, যা ঘটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হবিগঞ্জে এনসিপি-ছাত্রদল সংঘর্ষ, ব্যাংকে অবরুদ্ধ পাটওয়ারী ও সারজিস সন্তানহীন হয়ে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহর, কমছে শিশুর সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে ভোটে বিধিনিষেধ, সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চাইল ট্রাম্প প্রশাসন হংকংয়ের সাবেক বিরোধী নেতা উ চি-ওয়াইকে যুক্তরাজ্যে ছয় মাস থাকার অনুমতি ২১ বছর বয়সেই সাহিত্যজগতে ঝড় তুলেছিলেন ব্রেট ইস্টন এলিস, ‘লেস দ্যান জিরো’ নিয়ে মুখ খুললেন ত্বকের যত্নে নতুন চমক, একসঙ্গে আর্দ্রতা ও উজ্জ্বলতা দেবে টোনার প্যাড এইডস প্রতিরোধে অর্থসংকট, বিশ্বজুড়ে আবারও এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪
  • 97

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়া জনগোষ্ঠীর অনেকেই দক্ষিণ অঞ্চল থেকে অবসিডিয়ায় ধাতু বহন করে নিয়ে আসত। এই বিশেষ ধরনের ধাতু দিয়ে তৈরি হত নানা ধরনের যন্ত্রপাতি এবং অস্ত্রে। এইসঙ্গে তাদের সঙ্গে থাকত পান্নাজাতীয় (Jade) পাথর এবং পাখির পালক। গাছের ছাল পুড়িয়ে ধূপকাঠির মত সুগন্ধিও তৈরি করা হত। এছাড়া থাকত পোকামাকড় শুকিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা লাল রং।

এইসঙ্গে মায়ারা সঙ্গে নিয়ে আসত লবণ, শুকনো মাছ, তুলোর সুতো, মোম, মধু। মায়ারা এবং অন্যান্য অংশের মানুষ এইসব দ্রব্য বহন করে বাণিজ্য করত। এছাড়া্য কাকাও বিন-এর বদলে বেচত। কেননা এই কাকাও বিন অনেক সময় মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহৃত হত। এইসব বাণিজ্য, ব্যবসার কাজেই ছিল মায়াদের জীবিকা-বৈচিত্র্য। তবে এইসঙ্গে একথাও বলতে হয় অনেক ক্ষেত্রেই এই বাণিজ্য থেকে লাভবান হয়েছে উচ্চ বর্ণের অভিজাত শ্রেণির মানুষ।

আমরা জানি মায়া সমাজ ছিল সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস প্রধান। এই অবস্থা থেকে আমরা বলতেই পারি মায়া সমাজের প্রান্তিক অংশের মানুষের মধ্যে দুঃখ-দুর্দশা ছিল। পেশা, জীবিকা সংগ্রহে তাদের সমাজের ধনী অভিজাতদের উপর অনেকটা নির্ভর করতে হত। আবার অন্যদিকে পেশা বা কাজের বিনিময়ে অনেক সময় ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হত। বিশেষ করে আদিবাসী এবং ভারতীয় মায়াদের এই দুঃসহ অবস্থার শিকার হতে হত।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৪)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৪)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকার নতুন কৌশল, আসিয়ানের কঠিন ভারসাম্য

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৫)

০৬:০০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়া জনগোষ্ঠীর অনেকেই দক্ষিণ অঞ্চল থেকে অবসিডিয়ায় ধাতু বহন করে নিয়ে আসত। এই বিশেষ ধরনের ধাতু দিয়ে তৈরি হত নানা ধরনের যন্ত্রপাতি এবং অস্ত্রে। এইসঙ্গে তাদের সঙ্গে থাকত পান্নাজাতীয় (Jade) পাথর এবং পাখির পালক। গাছের ছাল পুড়িয়ে ধূপকাঠির মত সুগন্ধিও তৈরি করা হত। এছাড়া থাকত পোকামাকড় শুকিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা লাল রং।

এইসঙ্গে মায়ারা সঙ্গে নিয়ে আসত লবণ, শুকনো মাছ, তুলোর সুতো, মোম, মধু। মায়ারা এবং অন্যান্য অংশের মানুষ এইসব দ্রব্য বহন করে বাণিজ্য করত। এছাড়া্য কাকাও বিন-এর বদলে বেচত। কেননা এই কাকাও বিন অনেক সময় মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহৃত হত। এইসব বাণিজ্য, ব্যবসার কাজেই ছিল মায়াদের জীবিকা-বৈচিত্র্য। তবে এইসঙ্গে একথাও বলতে হয় অনেক ক্ষেত্রেই এই বাণিজ্য থেকে লাভবান হয়েছে উচ্চ বর্ণের অভিজাত শ্রেণির মানুষ।

আমরা জানি মায়া সমাজ ছিল সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস প্রধান। এই অবস্থা থেকে আমরা বলতেই পারি মায়া সমাজের প্রান্তিক অংশের মানুষের মধ্যে দুঃখ-দুর্দশা ছিল। পেশা, জীবিকা সংগ্রহে তাদের সমাজের ধনী অভিজাতদের উপর অনেকটা নির্ভর করতে হত। আবার অন্যদিকে পেশা বা কাজের বিনিময়ে অনেক সময় ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হত। বিশেষ করে আদিবাসী এবং ভারতীয় মায়াদের এই দুঃসহ অবস্থার শিকার হতে হত।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৪)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৪)