১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধের শঙ্কা, বিপাকে পাহাড়ি জনপদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত সবাই পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১৩, নিহতদের মধ্যে ১১ শিশু অঘোষিত সম্পদ বৈধ করার নতুন সুযোগ, অতিরিক্ত ২০ শতাংশ করের প্রস্তাব শ্বেতাঙ্গ ত্রাণকর্তার মঞ্চ নাকি জাতির আত্মসমালোচনার সময়? বগুড়ায় এসআইকে কুপিয়ে মামলার নথি ছিনতাই, তদন্তে পুলিশ মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৪.২ শতাংশে, ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ধাক্কায় বাড়ছে মার্কিন অর্থনীতির চাপ ওমানকে ঘিরে ট্রাম্পের হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যের নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন শক্তির সংজ্ঞা যদি পুরুষতন্ত্র লিখে দেয়, তবে নারীরা জিতবে কীভাবে? নতুন বিশ্বব্যবস্থায় টিকে থাকার লড়াই: প্রযুক্তি, জ্ঞান ও রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের সময়

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪
  • 86

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়া জনগোষ্ঠীর অনেকেই দক্ষিণ অঞ্চল থেকে অবসিডিয়ায় ধাতু বহন করে নিয়ে আসত। এই বিশেষ ধরনের ধাতু দিয়ে তৈরি হত নানা ধরনের যন্ত্রপাতি এবং অস্ত্রে। এইসঙ্গে তাদের সঙ্গে থাকত পান্নাজাতীয় (Jade) পাথর এবং পাখির পালক। গাছের ছাল পুড়িয়ে ধূপকাঠির মত সুগন্ধিও তৈরি করা হত। এছাড়া থাকত পোকামাকড় শুকিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা লাল রং।

এইসঙ্গে মায়ারা সঙ্গে নিয়ে আসত লবণ, শুকনো মাছ, তুলোর সুতো, মোম, মধু। মায়ারা এবং অন্যান্য অংশের মানুষ এইসব দ্রব্য বহন করে বাণিজ্য করত। এছাড়া্য কাকাও বিন-এর বদলে বেচত। কেননা এই কাকাও বিন অনেক সময় মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহৃত হত। এইসব বাণিজ্য, ব্যবসার কাজেই ছিল মায়াদের জীবিকা-বৈচিত্র্য। তবে এইসঙ্গে একথাও বলতে হয় অনেক ক্ষেত্রেই এই বাণিজ্য থেকে লাভবান হয়েছে উচ্চ বর্ণের অভিজাত শ্রেণির মানুষ।

আমরা জানি মায়া সমাজ ছিল সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস প্রধান। এই অবস্থা থেকে আমরা বলতেই পারি মায়া সমাজের প্রান্তিক অংশের মানুষের মধ্যে দুঃখ-দুর্দশা ছিল। পেশা, জীবিকা সংগ্রহে তাদের সমাজের ধনী অভিজাতদের উপর অনেকটা নির্ভর করতে হত। আবার অন্যদিকে পেশা বা কাজের বিনিময়ে অনেক সময় ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হত। বিশেষ করে আদিবাসী এবং ভারতীয় মায়াদের এই দুঃসহ অবস্থার শিকার হতে হত।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৪)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৪)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধের শঙ্কা, বিপাকে পাহাড়ি জনপদ

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৫)

০৬:০০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়া জনগোষ্ঠীর অনেকেই দক্ষিণ অঞ্চল থেকে অবসিডিয়ায় ধাতু বহন করে নিয়ে আসত। এই বিশেষ ধরনের ধাতু দিয়ে তৈরি হত নানা ধরনের যন্ত্রপাতি এবং অস্ত্রে। এইসঙ্গে তাদের সঙ্গে থাকত পান্নাজাতীয় (Jade) পাথর এবং পাখির পালক। গাছের ছাল পুড়িয়ে ধূপকাঠির মত সুগন্ধিও তৈরি করা হত। এছাড়া থাকত পোকামাকড় শুকিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা লাল রং।

এইসঙ্গে মায়ারা সঙ্গে নিয়ে আসত লবণ, শুকনো মাছ, তুলোর সুতো, মোম, মধু। মায়ারা এবং অন্যান্য অংশের মানুষ এইসব দ্রব্য বহন করে বাণিজ্য করত। এছাড়া্য কাকাও বিন-এর বদলে বেচত। কেননা এই কাকাও বিন অনেক সময় মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহৃত হত। এইসব বাণিজ্য, ব্যবসার কাজেই ছিল মায়াদের জীবিকা-বৈচিত্র্য। তবে এইসঙ্গে একথাও বলতে হয় অনেক ক্ষেত্রেই এই বাণিজ্য থেকে লাভবান হয়েছে উচ্চ বর্ণের অভিজাত শ্রেণির মানুষ।

আমরা জানি মায়া সমাজ ছিল সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস প্রধান। এই অবস্থা থেকে আমরা বলতেই পারি মায়া সমাজের প্রান্তিক অংশের মানুষের মধ্যে দুঃখ-দুর্দশা ছিল। পেশা, জীবিকা সংগ্রহে তাদের সমাজের ধনী অভিজাতদের উপর অনেকটা নির্ভর করতে হত। আবার অন্যদিকে পেশা বা কাজের বিনিময়ে অনেক সময় ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হত। বিশেষ করে আদিবাসী এবং ভারতীয় মায়াদের এই দুঃসহ অবস্থার শিকার হতে হত।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৪)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৪)