০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
পিঁপড়াদের থ্রিডি জগত উন্মোচন, বিজ্ঞানীদের চোখে অবাক করা জীববৈচিত্র্যের মিছিল হরমুজ বন্ধ, বিশ্ব বাণিজ্যের ঝুঁকির নতুন মানচিত্র হলিউড ছাড়ছে অস্কার, ২০২৯ থেকে নতুন ঠিকানা ডাউনটাউন লস অ্যাঞ্জেলেসে ব্রেক্সিটের পর ইংল্যান্ডের কৃষিনীতি: অন্য দেশের জন্য নতুন দৃষ্টান্ত তাডোবায় ডোরাকাটা রোমাঞ্চ জিপ সাফারির বাইরে বনভ্রমণের নতুন ধারা, প্রকৃতিকে বুঝেই আবিষ্কার করছেন পর্যটকরা ফোনমুক্ত শৈশবের পথে এক শহরের লড়াই: শিশুদের মানসিক সুস্থতায় আয়ারল্যান্ডের অনন্য উদ্যোগ টমি শেলবির শেষ লড়াই—‘পিকি ব্লাইন্ডার্স: দ্য ইমমর্টাল ম্যান’-এ বিদায়ের গল্প জেমস বন্ডের শেষ গল্পসংগ্রহ: অক্টোপাসি ও দ্য লিভিং ডেলাইটসের অন্তর্গত রহস্য হরমুজ প্রণালী খুলতে সামরিক অভিযান কতটা কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ

নির্মাণে নতুন ধাপে বিশ্বের বৃহত্তম গোলাকার নিউট্রিনো ডিটেক্টর

  • Sarakhon Report
  • ০৫:১২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 111

ডিসেম্বর ১৯, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: আল্ট্রাপিওর বা অতিবিশুদ্ধ পানিতে পূরণ করা হচ্ছে চীনের তৈরি বিশ্বের বৃহত্তম স্বচ্ছ গোলাকার নিউট্রিনো ডিটেক্টর চুনো। এতে করে ডিটেক্টরটি নির্মাণ কার্যক্রমের শেষ ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

নিউট্রিনোকে বলা হয় ভুতুড়ে কণা। এটি এত ক্ষুদ্র যে সাধারণ বস্তুর ওপর এর কোনো প্রভাব পড়ে না। তাই কণাটিকে নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ অনেক। এটির মাধ্যমে মহাজাগতিক অনেক গোপন রহস্য, যেমন ডার্ক ম্যাটারকে আরও ভালো করে বুঝতে পারার সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউট্রিনো শনাক্ত করতে বড় ডিটেক্টর এবং আল্ট্রাপিওর পানির প্রয়োজন হয়। পানির স্বচ্ছতার কারণে নিউট্রিনো কণার প্রভাব থেকে তৈরি হয় বিশেষ ধরনের আলো।

চীনের চিয়াংমেন সিটির খাইপিং পাহাড়ের গভীরে থাকা গ্রানাইট স্তরে তৈরি করা হয়েছে চুনো। এর কেন্দ্রে আছে একটি অতিকায় গোলক। এর চারপাশে আছে ৪১ দশমিক ১ মিটার ব্যাসের স্টিলের কাঠামো। পুরো ডিটেক্টরটি ২০ হাজার বড় ও ২৫ হাজার ছোট ফটোমাল্টিপ্লায়ার টিউব দিয়ে সজ্জিত।

এই পানির পূরণ প্রক্রিয়া দুই ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথমে গোলকের ভেতর ও বাইরের স্থান পানিতে পূর্ণ হবে। পরে পানির পরিবর্তে যোগ করা হবে বিশেষ আরেকটি উপাদান, যার কাজ হলো চার্জযুক্ত বিকীরণ শোষণ করে আলো তৈরি করা। ২০২৫ সালের আগস্টে এই পানি পূরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং তারপরই নিউট্রিনোর তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ১২টি মৌলিক কণার মধ্যে সবচেয়ে ছোট ও হালকা হলো নিউট্রিনো। এটি চার্জ নিরপেক্ষ এবং আলোর কাছাকাছি গতিতে ভ্রমণ করে। বিগ ব্যাংয়ের পর থেকে এ কণাগুলো সমগ্র মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। এর কারণেই নক্ষত্রের ভেতর পারমাণবিক বিক্রিয়া, সুপারনোভা বিস্ফোরণ, পারমাণবিক চুল্লির অপারেশন ঘটে থাকে।

ফয়সল/শান্তা

জনপ্রিয় সংবাদ

পিঁপড়াদের থ্রিডি জগত উন্মোচন, বিজ্ঞানীদের চোখে অবাক করা জীববৈচিত্র্যের মিছিল

নির্মাণে নতুন ধাপে বিশ্বের বৃহত্তম গোলাকার নিউট্রিনো ডিটেক্টর

০৫:১২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

ডিসেম্বর ১৯, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: আল্ট্রাপিওর বা অতিবিশুদ্ধ পানিতে পূরণ করা হচ্ছে চীনের তৈরি বিশ্বের বৃহত্তম স্বচ্ছ গোলাকার নিউট্রিনো ডিটেক্টর চুনো। এতে করে ডিটেক্টরটি নির্মাণ কার্যক্রমের শেষ ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

নিউট্রিনোকে বলা হয় ভুতুড়ে কণা। এটি এত ক্ষুদ্র যে সাধারণ বস্তুর ওপর এর কোনো প্রভাব পড়ে না। তাই কণাটিকে নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ অনেক। এটির মাধ্যমে মহাজাগতিক অনেক গোপন রহস্য, যেমন ডার্ক ম্যাটারকে আরও ভালো করে বুঝতে পারার সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউট্রিনো শনাক্ত করতে বড় ডিটেক্টর এবং আল্ট্রাপিওর পানির প্রয়োজন হয়। পানির স্বচ্ছতার কারণে নিউট্রিনো কণার প্রভাব থেকে তৈরি হয় বিশেষ ধরনের আলো।

চীনের চিয়াংমেন সিটির খাইপিং পাহাড়ের গভীরে থাকা গ্রানাইট স্তরে তৈরি করা হয়েছে চুনো। এর কেন্দ্রে আছে একটি অতিকায় গোলক। এর চারপাশে আছে ৪১ দশমিক ১ মিটার ব্যাসের স্টিলের কাঠামো। পুরো ডিটেক্টরটি ২০ হাজার বড় ও ২৫ হাজার ছোট ফটোমাল্টিপ্লায়ার টিউব দিয়ে সজ্জিত।

এই পানির পূরণ প্রক্রিয়া দুই ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথমে গোলকের ভেতর ও বাইরের স্থান পানিতে পূর্ণ হবে। পরে পানির পরিবর্তে যোগ করা হবে বিশেষ আরেকটি উপাদান, যার কাজ হলো চার্জযুক্ত বিকীরণ শোষণ করে আলো তৈরি করা। ২০২৫ সালের আগস্টে এই পানি পূরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং তারপরই নিউট্রিনোর তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ১২টি মৌলিক কণার মধ্যে সবচেয়ে ছোট ও হালকা হলো নিউট্রিনো। এটি চার্জ নিরপেক্ষ এবং আলোর কাছাকাছি গতিতে ভ্রমণ করে। বিগ ব্যাংয়ের পর থেকে এ কণাগুলো সমগ্র মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। এর কারণেই নক্ষত্রের ভেতর পারমাণবিক বিক্রিয়া, সুপারনোভা বিস্ফোরণ, পারমাণবিক চুল্লির অপারেশন ঘটে থাকে।

ফয়সল/শান্তা