০১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শূন্য পাতার ভয় কাটিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় গাইডেড জার্নালের উত্থান জাপানে সার সংকটের আশঙ্কা, বাড়ছে কৃষি ব্যয় স্ট্রিমিংয়ে রাজত্ব, কনসার্টে শূন্যতা? দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংগীত বাজারে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ধাঁধা ইউরোপের নতুন বার্তা: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এগোতে চায় মিত্ররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি: ভবিষ্যতের শক্তি নির্ধারণ করবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, চাপে নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের চার দেশ তিন চাকার যানবাহন মহাসড়কে নয়, আসছে কঠোর নীতিমালা

হিউএনচাঙ (পর্ব-১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • 75

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

খৃস্টাব্দের প্রথম শতাব্দীতে বা তার আগেই বৌদ্ধধর্ম চীনে পৌঁছেছিল। সেই থেকে বহু ভারতীয় বৌদ্ধ সন্ন্যাসী দুর্গম পথ অতিক্রম ক’রে চীনে ধর্ম প্রচার করতে যেতেন। আর অনেক চৈনিক ভক্ত বৌদ্ধও তাঁদের ধর্মের প্রধান প্রধান তীর্থস্থানগুলি দেখবার জন্যে আর মূল শাস্ত্রগুলির অনুসন্ধানে ভারতবর্ষে আসতেন।

তাঁদের মধ্যে একজন, শাক্যপুত্র ফা হিয়ান, ৪০০ খৃস্টাব্দে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ভারতে প্রবেশ ক’রে উত্তরভারতে চৌদ্দ-পনের বছর যাপন ক’রে তাম্রলিপ্তি বন্দর থেকে সমুদ্রপথে চীনদেশে প্রত্যাগমন করেন।

৪৫৩ খৃস্টাব্দে তৎকালীন চীনসম্রাট থো-পা-সুঙ, বৌদ্ধধর্ম অবলম্বন করেন আর সেই থেকে বৌদ্ধধর্মও লাওজে এবং কনফুসীয়াসের প্রবর্তিত ধর্মের সঙ্গে অন্তত সমান সমাদর পেয়ে আসছে।

ষষ্ঠ শতাব্দীর চীন সম্রাট লিআঙ, বুটি-র বৌদ্ধধর্মপ্রীতির আতিশয্য ছিল। বৌদ্ধধর্মের ভিতর দিয়ে ভারতীয় সংস্কৃতি যে চৈনিক সংস্কৃতির উপর গভীর স্থায়ী প্রভাব অঙ্কিত করেছে তার প্রমাণ চীনের বর্ণমালার উচ্চারণে অঙ্কশাস্ত্র জ্যোতিষ সাহিত্য সংগীত স্থাপত্য রূপকর্ম ইত্যাদি সংস্কৃতির সমস্ত নিদর্শনেই পাওয়া যায়।’

চলবে

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু

হিউএনচাঙ (পর্ব-১)

০৯:০০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

খৃস্টাব্দের প্রথম শতাব্দীতে বা তার আগেই বৌদ্ধধর্ম চীনে পৌঁছেছিল। সেই থেকে বহু ভারতীয় বৌদ্ধ সন্ন্যাসী দুর্গম পথ অতিক্রম ক’রে চীনে ধর্ম প্রচার করতে যেতেন। আর অনেক চৈনিক ভক্ত বৌদ্ধও তাঁদের ধর্মের প্রধান প্রধান তীর্থস্থানগুলি দেখবার জন্যে আর মূল শাস্ত্রগুলির অনুসন্ধানে ভারতবর্ষে আসতেন।

তাঁদের মধ্যে একজন, শাক্যপুত্র ফা হিয়ান, ৪০০ খৃস্টাব্দে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ভারতে প্রবেশ ক’রে উত্তরভারতে চৌদ্দ-পনের বছর যাপন ক’রে তাম্রলিপ্তি বন্দর থেকে সমুদ্রপথে চীনদেশে প্রত্যাগমন করেন।

৪৫৩ খৃস্টাব্দে তৎকালীন চীনসম্রাট থো-পা-সুঙ, বৌদ্ধধর্ম অবলম্বন করেন আর সেই থেকে বৌদ্ধধর্মও লাওজে এবং কনফুসীয়াসের প্রবর্তিত ধর্মের সঙ্গে অন্তত সমান সমাদর পেয়ে আসছে।

ষষ্ঠ শতাব্দীর চীন সম্রাট লিআঙ, বুটি-র বৌদ্ধধর্মপ্রীতির আতিশয্য ছিল। বৌদ্ধধর্মের ভিতর দিয়ে ভারতীয় সংস্কৃতি যে চৈনিক সংস্কৃতির উপর গভীর স্থায়ী প্রভাব অঙ্কিত করেছে তার প্রমাণ চীনের বর্ণমালার উচ্চারণে অঙ্কশাস্ত্র জ্যোতিষ সাহিত্য সংগীত স্থাপত্য রূপকর্ম ইত্যাদি সংস্কৃতির সমস্ত নিদর্শনেই পাওয়া যায়।’

চলবে