০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৬৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • 146

প্রদীপ কুমার মজুমদার

শুধু ধৃতরাষ্ট্র কেন? অর্জুন, গান্ধারী অনেকেই নাম সংখ্যার বহুল ব্যবহার করেছেন। মহাপ্রস্থানিক পর্বে উত্তর গোগৃহের যুদ্ধের আগে অর্জুন উত্তরকে গাজীর ধনুর কথা যখন বলছিলেন তখন তিনি নাম সংখ্যার ব্যবহার করেন। তিনি বলেছিলেন:

এতদ্ববর্ষসহস্রত্ত্ব ব্রহ্মা পূর্বমধারয়ৎ

ততোহনন্তরমেবাথ প্রজাপতিরধারয়ৎ।

ত্রীণি পঞ্চশতকৈব শক্রোহশীতিঞ্চ পঞ্চ বৈ।

সোমঃ পঞ্চশতং রাজা তথৈব বরুণঃ শতম্।

পার্থঃ পঞ্চ চ যষ্টিঞ্চ বর্ষাণি শ্বেতবাহনঃ।

অর্থাৎ প্রথমে ব্রহ্মা উহা (গাণ্ডীব) সহস্রবর্ষ ধারণ করেছিলেন, তারপর প্রজাপতি ৫০৩ বর্ষ, ইন্দ্র ৮৫ বর্ষ, চন্দ্র ৫০০ বর্ষ, রাজা বরুণ ১০০ বর্ষ এবং শ্বেতবাহন অর্জুন ৬৫ বর্ষ ধারণ করেছিলেন।

মনে হয় বর্ষ শব্দাটি হয়তো দেববর্ষ বোঝান হয়েছে। মানুষের এক সৌর সংবৎসর দেবতাদের একদিন। । ৩৬০ সৌর বৎসরে এক দেববর্ষ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৬৮)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৬৮)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৬৯)

০৭:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

শুধু ধৃতরাষ্ট্র কেন? অর্জুন, গান্ধারী অনেকেই নাম সংখ্যার বহুল ব্যবহার করেছেন। মহাপ্রস্থানিক পর্বে উত্তর গোগৃহের যুদ্ধের আগে অর্জুন উত্তরকে গাজীর ধনুর কথা যখন বলছিলেন তখন তিনি নাম সংখ্যার ব্যবহার করেন। তিনি বলেছিলেন:

এতদ্ববর্ষসহস্রত্ত্ব ব্রহ্মা পূর্বমধারয়ৎ

ততোহনন্তরমেবাথ প্রজাপতিরধারয়ৎ।

ত্রীণি পঞ্চশতকৈব শক্রোহশীতিঞ্চ পঞ্চ বৈ।

সোমঃ পঞ্চশতং রাজা তথৈব বরুণঃ শতম্।

পার্থঃ পঞ্চ চ যষ্টিঞ্চ বর্ষাণি শ্বেতবাহনঃ।

অর্থাৎ প্রথমে ব্রহ্মা উহা (গাণ্ডীব) সহস্রবর্ষ ধারণ করেছিলেন, তারপর প্রজাপতি ৫০৩ বর্ষ, ইন্দ্র ৮৫ বর্ষ, চন্দ্র ৫০০ বর্ষ, রাজা বরুণ ১০০ বর্ষ এবং শ্বেতবাহন অর্জুন ৬৫ বর্ষ ধারণ করেছিলেন।

মনে হয় বর্ষ শব্দাটি হয়তো দেববর্ষ বোঝান হয়েছে। মানুষের এক সৌর সংবৎসর দেবতাদের একদিন। । ৩৬০ সৌর বৎসরে এক দেববর্ষ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৬৮)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৬৮)