০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
রোবটের পড়ে যাওয়া থেকে বিশ্বশক্তির উত্থান: প্রযুক্তির হাসির আড়ালে কঠিন বাস্তব পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 73

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ কুচায় এক শো সঙ্ঘারাম ও পাঁচ হাজারের বেশী হীনযানী ভিক্ষু দেখেন। তিনি বলেন, ‘সব সঙ্ঘারামগুলিতেই চমৎকার কারুকার্যময় বুদ্ধমূর্তি আছে। এগুলি বহুমূল্যরত্নখচিত আর রেশমীবস্ত্রে মণ্ডিত। পর্বের দিনে এসমস্ত মৃতি রথে চড়িয়ে শোভাযাত্রা করা হয়।’ একটা সঙ্ঘারামে তিনি এত চমৎকার একটা বুদ্ধমূর্তি দেখেছিলেন যে, তিনি বলেন, ‘এটা দেবতার তৈরি।’

হিউএনচাঙের সময়ে যিনি কুচার রাজা ছিলেন, তাঁর নাম তুখারীয়ভাষায় স্বর্ণটেপ (সংস্কৃত- স্বর্ণদেব)। এ’র পিতার নাম ছিল স্বর্ণপুষ্প।স্বর্ণদেব খুব ধার্মিক বৌদ্ধ ছিলেন। তাঁর প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মোক্ষগুপ্ত,আর মোক্ষগুপ্তের অধীনে পাঁচ শত ভিক্ষু রাজা দ্বারা প্রতিপালিত হতেন।

হিউএনচাঙের আগমনবার্তা পেয়ে রাজা প্রধান প্রধান রাজকর্মচারীআর ভিক্ষুদের সঙ্গে করে বাদ্যযন্ত্রসহকারে তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়েএলেন। নগরে প্রবেশ করবার পর একজন ভিক্ষু তাঁকে এক ঝুড়ি সদ্য-ফোটা ফুল দিলেন।

সেইসব নিয়ে হিউএনচাঙ নগরের দশ-বারোটি বৌদ্ধ মন্দিরে পূজা দিলেন। প্রত্যেক মঠে বুদ্ধের প্রতিমা পূজা করবার জন্যে তাঁকে ফুল ও মদ দেওয়া হল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)

রোবটের পড়ে যাওয়া থেকে বিশ্বশক্তির উত্থান: প্রযুক্তির হাসির আড়ালে কঠিন বাস্তব

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৯)

০৯:০০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ কুচায় এক শো সঙ্ঘারাম ও পাঁচ হাজারের বেশী হীনযানী ভিক্ষু দেখেন। তিনি বলেন, ‘সব সঙ্ঘারামগুলিতেই চমৎকার কারুকার্যময় বুদ্ধমূর্তি আছে। এগুলি বহুমূল্যরত্নখচিত আর রেশমীবস্ত্রে মণ্ডিত। পর্বের দিনে এসমস্ত মৃতি রথে চড়িয়ে শোভাযাত্রা করা হয়।’ একটা সঙ্ঘারামে তিনি এত চমৎকার একটা বুদ্ধমূর্তি দেখেছিলেন যে, তিনি বলেন, ‘এটা দেবতার তৈরি।’

হিউএনচাঙের সময়ে যিনি কুচার রাজা ছিলেন, তাঁর নাম তুখারীয়ভাষায় স্বর্ণটেপ (সংস্কৃত- স্বর্ণদেব)। এ’র পিতার নাম ছিল স্বর্ণপুষ্প।স্বর্ণদেব খুব ধার্মিক বৌদ্ধ ছিলেন। তাঁর প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মোক্ষগুপ্ত,আর মোক্ষগুপ্তের অধীনে পাঁচ শত ভিক্ষু রাজা দ্বারা প্রতিপালিত হতেন।

হিউএনচাঙের আগমনবার্তা পেয়ে রাজা প্রধান প্রধান রাজকর্মচারীআর ভিক্ষুদের সঙ্গে করে বাদ্যযন্ত্রসহকারে তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়েএলেন। নগরে প্রবেশ করবার পর একজন ভিক্ষু তাঁকে এক ঝুড়ি সদ্য-ফোটা ফুল দিলেন।

সেইসব নিয়ে হিউএনচাঙ নগরের দশ-বারোটি বৌদ্ধ মন্দিরে পূজা দিলেন। প্রত্যেক মঠে বুদ্ধের প্রতিমা পূজা করবার জন্যে তাঁকে ফুল ও মদ দেওয়া হল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)