০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 95

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ কুচায় এক শো সঙ্ঘারাম ও পাঁচ হাজারের বেশী হীনযানী ভিক্ষু দেখেন। তিনি বলেন, ‘সব সঙ্ঘারামগুলিতেই চমৎকার কারুকার্যময় বুদ্ধমূর্তি আছে। এগুলি বহুমূল্যরত্নখচিত আর রেশমীবস্ত্রে মণ্ডিত। পর্বের দিনে এসমস্ত মৃতি রথে চড়িয়ে শোভাযাত্রা করা হয়।’ একটা সঙ্ঘারামে তিনি এত চমৎকার একটা বুদ্ধমূর্তি দেখেছিলেন যে, তিনি বলেন, ‘এটা দেবতার তৈরি।’

হিউএনচাঙের সময়ে যিনি কুচার রাজা ছিলেন, তাঁর নাম তুখারীয়ভাষায় স্বর্ণটেপ (সংস্কৃত- স্বর্ণদেব)। এ’র পিতার নাম ছিল স্বর্ণপুষ্প।স্বর্ণদেব খুব ধার্মিক বৌদ্ধ ছিলেন। তাঁর প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মোক্ষগুপ্ত,আর মোক্ষগুপ্তের অধীনে পাঁচ শত ভিক্ষু রাজা দ্বারা প্রতিপালিত হতেন।

হিউএনচাঙের আগমনবার্তা পেয়ে রাজা প্রধান প্রধান রাজকর্মচারীআর ভিক্ষুদের সঙ্গে করে বাদ্যযন্ত্রসহকারে তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়েএলেন। নগরে প্রবেশ করবার পর একজন ভিক্ষু তাঁকে এক ঝুড়ি সদ্য-ফোটা ফুল দিলেন।

সেইসব নিয়ে হিউএনচাঙ নগরের দশ-বারোটি বৌদ্ধ মন্দিরে পূজা দিলেন। প্রত্যেক মঠে বুদ্ধের প্রতিমা পূজা করবার জন্যে তাঁকে ফুল ও মদ দেওয়া হল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৯)

০৯:০০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ কুচায় এক শো সঙ্ঘারাম ও পাঁচ হাজারের বেশী হীনযানী ভিক্ষু দেখেন। তিনি বলেন, ‘সব সঙ্ঘারামগুলিতেই চমৎকার কারুকার্যময় বুদ্ধমূর্তি আছে। এগুলি বহুমূল্যরত্নখচিত আর রেশমীবস্ত্রে মণ্ডিত। পর্বের দিনে এসমস্ত মৃতি রথে চড়িয়ে শোভাযাত্রা করা হয়।’ একটা সঙ্ঘারামে তিনি এত চমৎকার একটা বুদ্ধমূর্তি দেখেছিলেন যে, তিনি বলেন, ‘এটা দেবতার তৈরি।’

হিউএনচাঙের সময়ে যিনি কুচার রাজা ছিলেন, তাঁর নাম তুখারীয়ভাষায় স্বর্ণটেপ (সংস্কৃত- স্বর্ণদেব)। এ’র পিতার নাম ছিল স্বর্ণপুষ্প।স্বর্ণদেব খুব ধার্মিক বৌদ্ধ ছিলেন। তাঁর প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মোক্ষগুপ্ত,আর মোক্ষগুপ্তের অধীনে পাঁচ শত ভিক্ষু রাজা দ্বারা প্রতিপালিত হতেন।

হিউএনচাঙের আগমনবার্তা পেয়ে রাজা প্রধান প্রধান রাজকর্মচারীআর ভিক্ষুদের সঙ্গে করে বাদ্যযন্ত্রসহকারে তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়েএলেন। নগরে প্রবেশ করবার পর একজন ভিক্ষু তাঁকে এক ঝুড়ি সদ্য-ফোটা ফুল দিলেন।

সেইসব নিয়ে হিউএনচাঙ নগরের দশ-বারোটি বৌদ্ধ মন্দিরে পূজা দিলেন। প্রত্যেক মঠে বুদ্ধের প্রতিমা পূজা করবার জন্যে তাঁকে ফুল ও মদ দেওয়া হল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)