০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 138

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কুমারজীব নিজে যদিও মহাযানী ছিলেন, তবু তাঁর উপদেশ কুচায় বেশী কার্যকর হয় নি। এখানে হীনযানেরই আধিপত্য ছিল। হীনযানের ক্রমিক মতানুসারে তিন রকম মাংস বৌদ্ধরা আহার করতে পারেন।

কাজেই নিমন্ত্রণ সত্ত্বেও হিউএনচাঙ রাজার সঙ্গে আহার করতে পারলেন না। এদিকে রাজ্যের ধর্মোপদেষ্টার সঙ্গে হিউএনচাঙের মতবিরোধ হল। মোক্ষগুপ্ত বিভাষা শাস্ত্র আর অভিধর্মকশ শাস্ত্রের উল্লেখ করে হীনযান সমর্থন করতে চাইলেন।

হিউ এনচাঙ জবাব দিলেন, ‘চীনেও আমাদের এই দুই শাস্ত্র আছে, কিন্তু দুঃখের সঙ্গে আমাকে বলতে হবে যে, এগুলি নিতান্ত বাজে আর ভাসাভাসা কথায় পূর্ণ। আমি মহাযান শাস্ত্র, বিশেষতঃ যোগশাস্ত্র, অধ্যয়ন করবার জন্যেই দেশত্যাগ করেছি।’

মোক্ষগুপ্ত বললেন যে, ‘মহাযান তো বুদ্ধের বাণী নয়। মহাযান মত তো একটা নতুন মত, বুদ্ধের মতের উপর জোর ক’রে বসানো হয়েছে। যে শাস্ত্রে ভুল মত শিক্ষা দেওয়া হয়, সে শাস্ত্র অধ্যয়ন করে লাভ কী? বুদ্ধের প্রকৃত শিষ্যরা এসব পাঠ করেন না।’

এ কথায় এক মুহূর্তের জন্যে হিউএনচাঙের ধৈর্য লোপ হল, ‘যোগশাস্ত্র যিনি শিক্ষা দিয়েছেন তিনি মৈত্রেয় বুদ্ধের পূর্ণাবতার ছিলেন। এ শাস্ত্র ভুল বলে অনন্ত রসাতলে ডুববার আপনার ভয় হয় না কি?’

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩০)

০৯:০০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কুমারজীব নিজে যদিও মহাযানী ছিলেন, তবু তাঁর উপদেশ কুচায় বেশী কার্যকর হয় নি। এখানে হীনযানেরই আধিপত্য ছিল। হীনযানের ক্রমিক মতানুসারে তিন রকম মাংস বৌদ্ধরা আহার করতে পারেন।

কাজেই নিমন্ত্রণ সত্ত্বেও হিউএনচাঙ রাজার সঙ্গে আহার করতে পারলেন না। এদিকে রাজ্যের ধর্মোপদেষ্টার সঙ্গে হিউএনচাঙের মতবিরোধ হল। মোক্ষগুপ্ত বিভাষা শাস্ত্র আর অভিধর্মকশ শাস্ত্রের উল্লেখ করে হীনযান সমর্থন করতে চাইলেন।

হিউ এনচাঙ জবাব দিলেন, ‘চীনেও আমাদের এই দুই শাস্ত্র আছে, কিন্তু দুঃখের সঙ্গে আমাকে বলতে হবে যে, এগুলি নিতান্ত বাজে আর ভাসাভাসা কথায় পূর্ণ। আমি মহাযান শাস্ত্র, বিশেষতঃ যোগশাস্ত্র, অধ্যয়ন করবার জন্যেই দেশত্যাগ করেছি।’

মোক্ষগুপ্ত বললেন যে, ‘মহাযান তো বুদ্ধের বাণী নয়। মহাযান মত তো একটা নতুন মত, বুদ্ধের মতের উপর জোর ক’রে বসানো হয়েছে। যে শাস্ত্রে ভুল মত শিক্ষা দেওয়া হয়, সে শাস্ত্র অধ্যয়ন করে লাভ কী? বুদ্ধের প্রকৃত শিষ্যরা এসব পাঠ করেন না।’

এ কথায় এক মুহূর্তের জন্যে হিউএনচাঙের ধৈর্য লোপ হল, ‘যোগশাস্ত্র যিনি শিক্ষা দিয়েছেন তিনি মৈত্রেয় বুদ্ধের পূর্ণাবতার ছিলেন। এ শাস্ত্র ভুল বলে অনন্ত রসাতলে ডুববার আপনার ভয় হয় না কি?’

(চলবে)