১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট মুনাফায় ঝড়, যুদ্ধ-অনিশ্চয়তার মাঝেও শক্ত অবস্থান তেলের বাজারে বিপর্যয়ের ঘণ্টা: হরমুজ সংকটে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ঝুঁকির মুখে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শিক্ষক-বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদে রোবটের পড়ে যাওয়া থেকে বিশ্বশক্তির উত্থান: প্রযুক্তির হাসির আড়ালে কঠিন বাস্তব পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৩৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 115

প্রদীপ কুমার মজুমদার

‘ প্রথম বর্গ ও অবর্গ স্থানের জন্য ‘অ’ ব্যবহার করেছেন। দ্বিতীয় বর্গ ও অবর্গ স্থানের জন্য ‘ই’ বর্ণ ব্যবহার করেছেন। এইভাবে অন্যান্য স্বরবর্ণের ব্যবহার আর্যভট করেছেন।

অর্থাৎ একক, দশক অ; শতক, সহস্রকই; অযুত, লক্ষ-উ; নিযুত, কোটি-স্ক; অর্বুদ, বৃন্দ; খর্ব, নিখর্ব-এ, মহাপদ্ম, শঙ্খ-ঐ; সমুদ্র, অন্ত-ও; মধ্য, পরার্ধ ঔ। আর্যভটের মতে অসম্পৃক্ত স্বরবর্ণ কোন সংখ্যা খ্যাপন না করলেও কোন ব্যঞ্জণবর্ণে সম্পৃক্ত হলে স্বরবর্ণটি নিজের দিকে টেনে নেয়। কিন্তু ব্যঞ্জনবোধিত অঙ্কটি কোথায় বসবে? এ সম্পর্কে তিনি বর্গ ও অবর্গের সংজ্ঞা দিয়ে কোথায় বসবে এবং কোথায় বসবে না সে সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তিনি বলেছেন-

বর্গাক্ষরাণি বর্গৈহবর্গৈহবর্গাক্ষরাণি কাৎ এমৌ যঃ।
খ দ্বিনবকে স্বরা নব বর্গেহবর্গে নবান্ত্যবর্গে বা।

অর্থাৎ ক থেকে বর্গাক্ষরবর্গ (স্থান), (য থেকে) অবর্গাক্ষর অবর্গ (স্থানে বসবে যাতে) ও ওম মিলে য (হয়)। নয়টি বর্গ ও নয়টি অবর্গ (মিলে) শূন্যোপলক্ষিত আঠারটি স্থানে স্বরবর্ণ থাকবে। পরের স্থানগুলি এই প্রকার।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৫)

যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট মুনাফায় ঝড়, যুদ্ধ-অনিশ্চয়তার মাঝেও শক্ত অবস্থান

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৬)

০৫:৩৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

‘ প্রথম বর্গ ও অবর্গ স্থানের জন্য ‘অ’ ব্যবহার করেছেন। দ্বিতীয় বর্গ ও অবর্গ স্থানের জন্য ‘ই’ বর্ণ ব্যবহার করেছেন। এইভাবে অন্যান্য স্বরবর্ণের ব্যবহার আর্যভট করেছেন।

অর্থাৎ একক, দশক অ; শতক, সহস্রকই; অযুত, লক্ষ-উ; নিযুত, কোটি-স্ক; অর্বুদ, বৃন্দ; খর্ব, নিখর্ব-এ, মহাপদ্ম, শঙ্খ-ঐ; সমুদ্র, অন্ত-ও; মধ্য, পরার্ধ ঔ। আর্যভটের মতে অসম্পৃক্ত স্বরবর্ণ কোন সংখ্যা খ্যাপন না করলেও কোন ব্যঞ্জণবর্ণে সম্পৃক্ত হলে স্বরবর্ণটি নিজের দিকে টেনে নেয়। কিন্তু ব্যঞ্জনবোধিত অঙ্কটি কোথায় বসবে? এ সম্পর্কে তিনি বর্গ ও অবর্গের সংজ্ঞা দিয়ে কোথায় বসবে এবং কোথায় বসবে না সে সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তিনি বলেছেন-

বর্গাক্ষরাণি বর্গৈহবর্গৈহবর্গাক্ষরাণি কাৎ এমৌ যঃ।
খ দ্বিনবকে স্বরা নব বর্গেহবর্গে নবান্ত্যবর্গে বা।

অর্থাৎ ক থেকে বর্গাক্ষরবর্গ (স্থান), (য থেকে) অবর্গাক্ষর অবর্গ (স্থানে বসবে যাতে) ও ওম মিলে য (হয়)। নয়টি বর্গ ও নয়টি অবর্গ (মিলে) শূন্যোপলক্ষিত আঠারটি স্থানে স্বরবর্ণ থাকবে। পরের স্থানগুলি এই প্রকার।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৫)