০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৩৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 137

প্রদীপ কুমার মজুমদার

‘ প্রথম বর্গ ও অবর্গ স্থানের জন্য ‘অ’ ব্যবহার করেছেন। দ্বিতীয় বর্গ ও অবর্গ স্থানের জন্য ‘ই’ বর্ণ ব্যবহার করেছেন। এইভাবে অন্যান্য স্বরবর্ণের ব্যবহার আর্যভট করেছেন।

অর্থাৎ একক, দশক অ; শতক, সহস্রকই; অযুত, লক্ষ-উ; নিযুত, কোটি-স্ক; অর্বুদ, বৃন্দ; খর্ব, নিখর্ব-এ, মহাপদ্ম, শঙ্খ-ঐ; সমুদ্র, অন্ত-ও; মধ্য, পরার্ধ ঔ। আর্যভটের মতে অসম্পৃক্ত স্বরবর্ণ কোন সংখ্যা খ্যাপন না করলেও কোন ব্যঞ্জণবর্ণে সম্পৃক্ত হলে স্বরবর্ণটি নিজের দিকে টেনে নেয়। কিন্তু ব্যঞ্জনবোধিত অঙ্কটি কোথায় বসবে? এ সম্পর্কে তিনি বর্গ ও অবর্গের সংজ্ঞা দিয়ে কোথায় বসবে এবং কোথায় বসবে না সে সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তিনি বলেছেন-

বর্গাক্ষরাণি বর্গৈহবর্গৈহবর্গাক্ষরাণি কাৎ এমৌ যঃ।
খ দ্বিনবকে স্বরা নব বর্গেহবর্গে নবান্ত্যবর্গে বা।

অর্থাৎ ক থেকে বর্গাক্ষরবর্গ (স্থান), (য থেকে) অবর্গাক্ষর অবর্গ (স্থানে বসবে যাতে) ও ওম মিলে য (হয়)। নয়টি বর্গ ও নয়টি অবর্গ (মিলে) শূন্যোপলক্ষিত আঠারটি স্থানে স্বরবর্ণ থাকবে। পরের স্থানগুলি এই প্রকার।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৫)

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৬)

০৫:৩৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

‘ প্রথম বর্গ ও অবর্গ স্থানের জন্য ‘অ’ ব্যবহার করেছেন। দ্বিতীয় বর্গ ও অবর্গ স্থানের জন্য ‘ই’ বর্ণ ব্যবহার করেছেন। এইভাবে অন্যান্য স্বরবর্ণের ব্যবহার আর্যভট করেছেন।

অর্থাৎ একক, দশক অ; শতক, সহস্রকই; অযুত, লক্ষ-উ; নিযুত, কোটি-স্ক; অর্বুদ, বৃন্দ; খর্ব, নিখর্ব-এ, মহাপদ্ম, শঙ্খ-ঐ; সমুদ্র, অন্ত-ও; মধ্য, পরার্ধ ঔ। আর্যভটের মতে অসম্পৃক্ত স্বরবর্ণ কোন সংখ্যা খ্যাপন না করলেও কোন ব্যঞ্জণবর্ণে সম্পৃক্ত হলে স্বরবর্ণটি নিজের দিকে টেনে নেয়। কিন্তু ব্যঞ্জনবোধিত অঙ্কটি কোথায় বসবে? এ সম্পর্কে তিনি বর্গ ও অবর্গের সংজ্ঞা দিয়ে কোথায় বসবে এবং কোথায় বসবে না সে সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তিনি বলেছেন-

বর্গাক্ষরাণি বর্গৈহবর্গৈহবর্গাক্ষরাণি কাৎ এমৌ যঃ।
খ দ্বিনবকে স্বরা নব বর্গেহবর্গে নবান্ত্যবর্গে বা।

অর্থাৎ ক থেকে বর্গাক্ষরবর্গ (স্থান), (য থেকে) অবর্গাক্ষর অবর্গ (স্থানে বসবে যাতে) ও ওম মিলে য (হয়)। নয়টি বর্গ ও নয়টি অবর্গ (মিলে) শূন্যোপলক্ষিত আঠারটি স্থানে স্বরবর্ণ থাকবে। পরের স্থানগুলি এই প্রকার।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৫)