১০:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০০)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 94

প্রদীপ কুমার মজুমদার

প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন আর্যভট অক্ষর সংখ্য। প্রণালীর জন্য পাণিণিকে অনুসরণ করেছেন। অবশ্য উভয়েই আবার শিবসূত্রের কাছে ঋণী। ঐতিহাসিকেরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে গবেষণা করে বলেছেন যে স্থানীয়মান তত্ত্ব ও দশাংক সংখ্যা প্রচলিত হবার অনেক পরে ভারতবর্ষে অক্ষরসংখ্যা প্রণালী প্রচলিত হয়েছিল।

তাহলে কেন ভারতীয়রা দশমিক প্রণালী বাদ দিয়ে অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার করেছিলেন? এর পিছনে ঐতিহাসিকেরা নানা যুক্তি দিয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য যুক্তি তুলে ধরা হোল।

১) অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর সাহায্যে বড় সংখ্যাকে ছোট করে প্রকাশ করা যায়।

২) এই প্রণালীতে যে সংখ্যা খ্যাপন করা যায় সেই একই সংখ্যা ইচ্ছামত নানা উপায়ে প্রকাশ করে ছন্দোপোযোগী করা যায়।

৩) দশমিক প্রণালী মতে লিখিত সংখ্যার অঙ্কচিহ্নের স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি বিকৃত হয়। কিন্তু অক্ষর সংখ্যা প্রণালীতে লিখে স্থান পরিবর্তন করলেও সংখ্যাটি ঠিক থাকে। যেমন গকি ও কিগ।

প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন এই প্রণালী সংখ্যা খ্যাপনে সুবিধা যেমন আছে সেরূপ অসুবিধাও আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৯)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০০)

০৫:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন আর্যভট অক্ষর সংখ্য। প্রণালীর জন্য পাণিণিকে অনুসরণ করেছেন। অবশ্য উভয়েই আবার শিবসূত্রের কাছে ঋণী। ঐতিহাসিকেরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে গবেষণা করে বলেছেন যে স্থানীয়মান তত্ত্ব ও দশাংক সংখ্যা প্রচলিত হবার অনেক পরে ভারতবর্ষে অক্ষরসংখ্যা প্রণালী প্রচলিত হয়েছিল।

তাহলে কেন ভারতীয়রা দশমিক প্রণালী বাদ দিয়ে অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার করেছিলেন? এর পিছনে ঐতিহাসিকেরা নানা যুক্তি দিয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য যুক্তি তুলে ধরা হোল।

১) অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর সাহায্যে বড় সংখ্যাকে ছোট করে প্রকাশ করা যায়।

২) এই প্রণালীতে যে সংখ্যা খ্যাপন করা যায় সেই একই সংখ্যা ইচ্ছামত নানা উপায়ে প্রকাশ করে ছন্দোপোযোগী করা যায়।

৩) দশমিক প্রণালী মতে লিখিত সংখ্যার অঙ্কচিহ্নের স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি বিকৃত হয়। কিন্তু অক্ষর সংখ্যা প্রণালীতে লিখে স্থান পরিবর্তন করলেও সংখ্যাটি ঠিক থাকে। যেমন গকি ও কিগ।

প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন এই প্রণালী সংখ্যা খ্যাপনে সুবিধা যেমন আছে সেরূপ অসুবিধাও আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৯)