১২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
সুদানে যুদ্ধের মাঝেই আরএসএফের উত্থান, সামরিক শক্তি থেকে গড়ে উঠছে অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য জার্মানির সামরিক পুনরুত্থান: ইউরোপের নেতৃত্বে এগোতে চায় নতুন কৌশল ইউক্রেনের নতুন কূটনৈতিক জোট: তুরস্ক-সিরিয়ার দিকে ঝুঁকে বদলে যাচ্ছে ভূরাজনীতি রাশিয়ার গ্রামে টিকে থাকার লড়াই: বাজেট কাটছাঁটের মাঝেও নিকোলস্কের অদম্য প্রতিরোধ ব্রিটেন-আমেরিকার ‘বিশেষ সম্পর্ক’ টানাপোড়েনে, নতুন পথে লন্ডনের ভাবনা এক ভাষা, ভিন্ন অর্থ: ইংরেজিতেই কেন বাড়ছে ভুল বোঝাবুঝি ব্রিটেনের পারমাণবিক শক্তি কতটা স্বাধীন? আমেরিকার উপর নির্ভরতার বাস্তব চিত্র স্টারমারের শাসনে অচল ব্রিটেন? সংকটের দায় কতটা প্রধানমন্ত্রীর কাঁধে ইউক্রেনের নতুন কূটনৈতিক দিগন্ত: সিরিয়া-তুরস্কের দিকে ঝুঁকছে কিয়েভ ইউরোপের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে দৌড়: ড্রোনে এগোলেও উৎপাদনে পিছিয়ে মহাদেশ

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 85

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই নির্মাণটিকে ইনকারা রাজকীয় গম্বুজ বলে। এছাড়া পবিত্র খোলা ময়দানের তিনদিক বড় বড় বাড়ি দিয়ে ঘেরা। তিনটি জানালা সহ মন্দির। প্রধান মন্দির, প্রধান পুরোহিতের ঘর এবং চতুর্থ দিকটি একটা মঞ্চ দিয়ে ঘেরা। প্রধান মন্দিরের পেছনে বাঁকানো কুলুঙ্গি দিয়ে ঘেরা ছোট একটা ঘর আছে।

এখানে গির্জা বা লোকাচারের নানা দ্রব্য রাখা হত। এই ছোট ঘর-এর পেছন থেকে নৈতিহুয়াতানা (Intihuatana) পর্যন্ত একটা সিঁড়ি চলে গেছে। এখানে রয়েছে বাঁকা পাহাড়িস্তম্ভ যেখানে বসে জ্যোতির্বিদরা ভবিষ্যৎ বাণীটা করত।

মাচ্চুপিচ্চুর অন্যান্য অঞ্চলে দেখা গেছে জেলখানা, শিল্পাঞ্চল এবং সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি। কেন্দ্রীয় প্লাজা থেকে হুয়ানাপিচ্চুতে ওঠা যেত এবং এর ফলে চাঁদের মন্দির (Temple of the moon) দর্শন করাও সম্ভব হত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬০)

 

সুদানে যুদ্ধের মাঝেই আরএসএফের উত্থান, সামরিক শক্তি থেকে গড়ে উঠছে অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই নির্মাণটিকে ইনকারা রাজকীয় গম্বুজ বলে। এছাড়া পবিত্র খোলা ময়দানের তিনদিক বড় বড় বাড়ি দিয়ে ঘেরা। তিনটি জানালা সহ মন্দির। প্রধান মন্দির, প্রধান পুরোহিতের ঘর এবং চতুর্থ দিকটি একটা মঞ্চ দিয়ে ঘেরা। প্রধান মন্দিরের পেছনে বাঁকানো কুলুঙ্গি দিয়ে ঘেরা ছোট একটা ঘর আছে।

এখানে গির্জা বা লোকাচারের নানা দ্রব্য রাখা হত। এই ছোট ঘর-এর পেছন থেকে নৈতিহুয়াতানা (Intihuatana) পর্যন্ত একটা সিঁড়ি চলে গেছে। এখানে রয়েছে বাঁকা পাহাড়িস্তম্ভ যেখানে বসে জ্যোতির্বিদরা ভবিষ্যৎ বাণীটা করত।

মাচ্চুপিচ্চুর অন্যান্য অঞ্চলে দেখা গেছে জেলখানা, শিল্পাঞ্চল এবং সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি। কেন্দ্রীয় প্লাজা থেকে হুয়ানাপিচ্চুতে ওঠা যেত এবং এর ফলে চাঁদের মন্দির (Temple of the moon) দর্শন করাও সম্ভব হত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬০)