০১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি ভারতে ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রপ্তানিতে বাড়ল অতিরিক্ত কর, অপরিবর্তিত পেট্রোল ‘আংটি আছে তো আসুন, না থাকলে একাই আসুন’—টেলর-ট্রাভিসের বিয়ের নিয়মে চাঞ্চল্য ঘুমের সমস্যায় স্বস্তি দিচ্ছে ভারী কম্বল, বাড়ছে জনপ্রিয়তা এক নজরে সেরা হিটেড কম্বল ও হিটিং কুশন: আরাম, উষ্ণতা ও বহনযোগ্যতার পরীক্ষায় কে এগিয়ে? ম্যাসাজ পিস্তল কিনবেন? পরীক্ষায় এগিয়ে যে মডেলগুলো, জানুন বিস্তারিত তেলের দাম কমার স্বস্তি, তবে কৃষি খাতে ব্যয়ের চাপ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ বসনিয়া কোচ বারবারেজের বিস্ময়কর সাফল্য, বিশ্বকাপে চোখ এখন নকআউট পর্বে এসি-সিআই উদ্যোগে আসিয়ানের সৃজনশীল অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা, বাড়বে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 127

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের পারিবারিক জীবন

ইনকাদের প্রায় সব পরিবারই গ্রাম বা খামার বাড়িতে বাস করত। গ্রামের এই বাড়িগুলি খসখসে পাথর দিয়ে তৈরি। এই ধরনের বাড়িতে দরজা থাকত না। একটা খোলামেলা ফাঁক থাকত এবং সেই ফাঁক দিয়ে ঘরে বাইরে বাতাস চলাচল-এর ব্যবস্থা থাকত।

এছাড়া ইনকারা সেই অর্থে কোনো আসবাবপত্র রাখত না। বাড়ির সদস্যরা সবাই মাদুরের উপর ঘুমোত। জায়গা বলতে ঐ বাড়ির মেঝে। দিনের প্রধান খাওয়ার সময় ছিল সন্ধ্যাবেলা। খাবারের মধ্যে ছিল ভুট্টা, ঝোল, বিন, শাকসব্জি। এছাড়া বিশেষ অনুষ্ঠানের দিন ভুট্টার ডেলা সেঁকে এক রকমের খাবার তৈরি করা হত।

এই সঙ্গে বিশেষ পদ হিসেবে থাকত ছোট ছোট শুয়োরের মাংস। পরিবারের প্রতিটি সদস্যই এখনও মাঠে ক্ষেতে কঠোর পরিশ্রম করে। বাড়িতে মা উল দিয়ে সবার জন্য পোশাক বানায় এবং এই কাজে তার মেয়েরাও সাহায্য করে।

পুরুষরা ঘাস পাতা কেটে এবং ইয়ামা দিয়ে চন্দন কাঠ তৈরি করত। মেয়েরা ঝুড়িও বানাত। পরিবারের সবাই নিজেদের জন্য থালা বাটি তৈরি করত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬২)

১০:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের পারিবারিক জীবন

ইনকাদের প্রায় সব পরিবারই গ্রাম বা খামার বাড়িতে বাস করত। গ্রামের এই বাড়িগুলি খসখসে পাথর দিয়ে তৈরি। এই ধরনের বাড়িতে দরজা থাকত না। একটা খোলামেলা ফাঁক থাকত এবং সেই ফাঁক দিয়ে ঘরে বাইরে বাতাস চলাচল-এর ব্যবস্থা থাকত।

এছাড়া ইনকারা সেই অর্থে কোনো আসবাবপত্র রাখত না। বাড়ির সদস্যরা সবাই মাদুরের উপর ঘুমোত। জায়গা বলতে ঐ বাড়ির মেঝে। দিনের প্রধান খাওয়ার সময় ছিল সন্ধ্যাবেলা। খাবারের মধ্যে ছিল ভুট্টা, ঝোল, বিন, শাকসব্জি। এছাড়া বিশেষ অনুষ্ঠানের দিন ভুট্টার ডেলা সেঁকে এক রকমের খাবার তৈরি করা হত।

এই সঙ্গে বিশেষ পদ হিসেবে থাকত ছোট ছোট শুয়োরের মাংস। পরিবারের প্রতিটি সদস্যই এখনও মাঠে ক্ষেতে কঠোর পরিশ্রম করে। বাড়িতে মা উল দিয়ে সবার জন্য পোশাক বানায় এবং এই কাজে তার মেয়েরাও সাহায্য করে।

পুরুষরা ঘাস পাতা কেটে এবং ইয়ামা দিয়ে চন্দন কাঠ তৈরি করত। মেয়েরা ঝুড়িও বানাত। পরিবারের সবাই নিজেদের জন্য থালা বাটি তৈরি করত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)