০৯:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 136

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের পারিবারিক জীবন

ইনকাদের প্রায় সব পরিবারই গ্রাম বা খামার বাড়িতে বাস করত। গ্রামের এই বাড়িগুলি খসখসে পাথর দিয়ে তৈরি। এই ধরনের বাড়িতে দরজা থাকত না। একটা খোলামেলা ফাঁক থাকত এবং সেই ফাঁক দিয়ে ঘরে বাইরে বাতাস চলাচল-এর ব্যবস্থা থাকত।

এছাড়া ইনকারা সেই অর্থে কোনো আসবাবপত্র রাখত না। বাড়ির সদস্যরা সবাই মাদুরের উপর ঘুমোত। জায়গা বলতে ঐ বাড়ির মেঝে। দিনের প্রধান খাওয়ার সময় ছিল সন্ধ্যাবেলা। খাবারের মধ্যে ছিল ভুট্টা, ঝোল, বিন, শাকসব্জি। এছাড়া বিশেষ অনুষ্ঠানের দিন ভুট্টার ডেলা সেঁকে এক রকমের খাবার তৈরি করা হত।

এই সঙ্গে বিশেষ পদ হিসেবে থাকত ছোট ছোট শুয়োরের মাংস। পরিবারের প্রতিটি সদস্যই এখনও মাঠে ক্ষেতে কঠোর পরিশ্রম করে। বাড়িতে মা উল দিয়ে সবার জন্য পোশাক বানায় এবং এই কাজে তার মেয়েরাও সাহায্য করে।

পুরুষরা ঘাস পাতা কেটে এবং ইয়ামা দিয়ে চন্দন কাঠ তৈরি করত। মেয়েরা ঝুড়িও বানাত। পরিবারের সবাই নিজেদের জন্য থালা বাটি তৈরি করত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন ট্রিলিয়নিয়ার বনাম ৪৯% দরিদ্র

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬২)

১০:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের পারিবারিক জীবন

ইনকাদের প্রায় সব পরিবারই গ্রাম বা খামার বাড়িতে বাস করত। গ্রামের এই বাড়িগুলি খসখসে পাথর দিয়ে তৈরি। এই ধরনের বাড়িতে দরজা থাকত না। একটা খোলামেলা ফাঁক থাকত এবং সেই ফাঁক দিয়ে ঘরে বাইরে বাতাস চলাচল-এর ব্যবস্থা থাকত।

এছাড়া ইনকারা সেই অর্থে কোনো আসবাবপত্র রাখত না। বাড়ির সদস্যরা সবাই মাদুরের উপর ঘুমোত। জায়গা বলতে ঐ বাড়ির মেঝে। দিনের প্রধান খাওয়ার সময় ছিল সন্ধ্যাবেলা। খাবারের মধ্যে ছিল ভুট্টা, ঝোল, বিন, শাকসব্জি। এছাড়া বিশেষ অনুষ্ঠানের দিন ভুট্টার ডেলা সেঁকে এক রকমের খাবার তৈরি করা হত।

এই সঙ্গে বিশেষ পদ হিসেবে থাকত ছোট ছোট শুয়োরের মাংস। পরিবারের প্রতিটি সদস্যই এখনও মাঠে ক্ষেতে কঠোর পরিশ্রম করে। বাড়িতে মা উল দিয়ে সবার জন্য পোশাক বানায় এবং এই কাজে তার মেয়েরাও সাহায্য করে।

পুরুষরা ঘাস পাতা কেটে এবং ইয়ামা দিয়ে চন্দন কাঠ তৈরি করত। মেয়েরা ঝুড়িও বানাত। পরিবারের সবাই নিজেদের জন্য থালা বাটি তৈরি করত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)