১২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদে ভাটা: গণভোটের আগে বাড়ছে অনিশ্চয়তা পেরুর নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা: ভোটের উৎসব থেকে অনিশ্চয়তার গভীর সংকট সুদানে যুদ্ধের মাঝেই আরএসএফের উত্থান, সামরিক শক্তি থেকে গড়ে উঠছে অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য জার্মানির সামরিক পুনরুত্থান: ইউরোপের নেতৃত্বে এগোতে চায় নতুন কৌশল ইউক্রেনের নতুন কূটনৈতিক জোট: তুরস্ক-সিরিয়ার দিকে ঝুঁকে বদলে যাচ্ছে ভূরাজনীতি রাশিয়ার গ্রামে টিকে থাকার লড়াই: বাজেট কাটছাঁটের মাঝেও নিকোলস্কের অদম্য প্রতিরোধ ব্রিটেন-আমেরিকার ‘বিশেষ সম্পর্ক’ টানাপোড়েনে, নতুন পথে লন্ডনের ভাবনা এক ভাষা, ভিন্ন অর্থ: ইংরেজিতেই কেন বাড়ছে ভুল বোঝাবুঝি ব্রিটেনের পারমাণবিক শক্তি কতটা স্বাধীন? আমেরিকার উপর নির্ভরতার বাস্তব চিত্র স্টারমারের শাসনে অচল ব্রিটেন? সংকটের দায় কতটা প্রধানমন্ত্রীর কাঁধে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 75

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

সম্রাটকে রাজী হতেই হল। তিনি এক দোভাষীকে দিয়ে কাপিশীর রাজার নিকট সুপারিশ পত্র লিখিয়ে দিলেন। আর দোভাষীকে হুকুম দিলেন যে, সে স্বয়ং ধর্মগুরুর সঙ্গে কাবুল উপত্যকায় কাপিশী পর্যন্ত ঐ চিঠিগুলো নিয়ে যাবে। হিউএনচাঙকে শিরোপা দিয়ে নিজে তাঁকে পথে খানিকদূর পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে এলেন।

এই ক্ষমতাশালী তুরুস্ক সম্রাটের সহায়তা না পেলে হিউএনচাঙের পক্ষে পামির আর তুখারদেশ পার হওয়া সহজ হত না। আশ্চর্যের বিষয়, এই বৎসরের শেষভাগেই এই সম্রাট হত্যাকারীর হাতে নিহত হন আর তার পর থেকেই পশ্চিম তুরুস্ক সাম্রাজ্যের পতন আরম্ভ হয়।

হিউএনচাঙ আবার পশ্চিমদিকে অগ্রসর হলেন। যে সমতলে চু নদীর দশ শাখা আর কুরাগতি নদীর নয় প্রশাখা প্রবাহিত সে সমতল পার হলেন। তখনও আর আজও তার নাম ‘সহস্রধারা’ (মিনবুলাক)। ‘এই দেশ লম্বায় চওড়ায় ৫০ মাইল। দক্ষিণে পর্বত, অন্য তিনদিকে সম-তল। প্রচুর জল আর উঁচু উঁচু বিশাল অরণ্য। বসন্তকালে শত সহস্র ফুল সমতলে ফুটে ওঠে।

প্রচুর জলাশয় থাকায় এ স্থানের নাম সহস্রধারা। সম্রাট প্রত্যেক বছর গরমের সময় এখানে আসেন। দলে দলে হরিণ ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের গলায় ঘণ্টা আর আংটি বাঁধা। সম্রাট হুকুম দিয়েছেন যে, এই হরিণ কেউ মারলে তার মৃত্যুদণ্ড হবে। তাই এরা মানুষ দেখে ভয় পায় না আর মৃত্যু পর্যন্ত শান্তিতে থাকতে পারে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৭)

 

আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদে ভাটা: গণভোটের আগে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৮)

০৯:০০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

সম্রাটকে রাজী হতেই হল। তিনি এক দোভাষীকে দিয়ে কাপিশীর রাজার নিকট সুপারিশ পত্র লিখিয়ে দিলেন। আর দোভাষীকে হুকুম দিলেন যে, সে স্বয়ং ধর্মগুরুর সঙ্গে কাবুল উপত্যকায় কাপিশী পর্যন্ত ঐ চিঠিগুলো নিয়ে যাবে। হিউএনচাঙকে শিরোপা দিয়ে নিজে তাঁকে পথে খানিকদূর পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে এলেন।

এই ক্ষমতাশালী তুরুস্ক সম্রাটের সহায়তা না পেলে হিউএনচাঙের পক্ষে পামির আর তুখারদেশ পার হওয়া সহজ হত না। আশ্চর্যের বিষয়, এই বৎসরের শেষভাগেই এই সম্রাট হত্যাকারীর হাতে নিহত হন আর তার পর থেকেই পশ্চিম তুরুস্ক সাম্রাজ্যের পতন আরম্ভ হয়।

হিউএনচাঙ আবার পশ্চিমদিকে অগ্রসর হলেন। যে সমতলে চু নদীর দশ শাখা আর কুরাগতি নদীর নয় প্রশাখা প্রবাহিত সে সমতল পার হলেন। তখনও আর আজও তার নাম ‘সহস্রধারা’ (মিনবুলাক)। ‘এই দেশ লম্বায় চওড়ায় ৫০ মাইল। দক্ষিণে পর্বত, অন্য তিনদিকে সম-তল। প্রচুর জল আর উঁচু উঁচু বিশাল অরণ্য। বসন্তকালে শত সহস্র ফুল সমতলে ফুটে ওঠে।

প্রচুর জলাশয় থাকায় এ স্থানের নাম সহস্রধারা। সম্রাট প্রত্যেক বছর গরমের সময় এখানে আসেন। দলে দলে হরিণ ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের গলায় ঘণ্টা আর আংটি বাঁধা। সম্রাট হুকুম দিয়েছেন যে, এই হরিণ কেউ মারলে তার মৃত্যুদণ্ড হবে। তাই এরা মানুষ দেখে ভয় পায় না আর মৃত্যু পর্যন্ত শান্তিতে থাকতে পারে।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৭)