১২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
জিয়ানিসের নতুন গন্তব্য কি মায়ামি? বাকস ছাড়ার জোর গুঞ্জনে সরগরম এনবিএ বিশ্বকাপে ইরানের নাটকীয় শুরু, নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের উত্থান, বাড়ছে অবিশ্বাস ও বিভাজন তালেবান শাসনের পাঁচ বছর: আফগানদের প্রশ্ন, আর কত অপেক্ষা করবে বিশ্ব? হরমুজ সংকটের ধাক্কায় ঋণ ফাঁদে উন্নয়নশীল দেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি এনএফএলে হারিয়ে গেলেও সংগ্রাহকদের কাছে অমর ইউএসএফএল, পুরোনো ট্রেডিং কার্ডে বাড়ছে আগ্রহ ইরান টিকে থাকল, বদলে যাচ্ছে উপসাগরীয় শক্তির সমীকরণ শহরে ঢুকে পড়ছে ভালুক, বাড়ছে আতঙ্ক: মানুষের ভয় হারাচ্ছে বন্য প্রাণী হরমুজ প্রণালি খুলছে, কিন্তু তেলবাহী জাহাজে এখনো কাটেনি অনিশ্চয়তা মেসির হ্যাটট্রিক, মেসির রেকর্ড, মেসির চোখে জল

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২৪)

জোনাকি

রাগে অন্ধ হয়ে মরিয়মের দিকে তেড়ে যেতেই নাগা ঝাঁপিয়ে পড়ে আবুল হোসেনকে চেপে ধরলো। ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে এমনি করে হাড় গুঁড়ো করে দেবো’ এই বলে সে হাত মুচড়ে দিলো আবুল হোসেনের।

‘মারবি নাকি, মার মার!’

‘মারবোই তো, একশোবার মারবো’ একটা ঘুষি ছুঁড়লো নাগা অন্ধের মতো। আবুল হোসেন মেঝেয় চিত হয়ে পড়ে বললেন, ‘উপযুক্ত ছেলে বটে তুমি, মারো আরো মারো-‘

মরিয়ম দূরে সরে গিয়ে বললে, ‘শখ মিটেছে তো এবার, খুঁটে ঘা করো যেমন-‘

আবুল হোসেন উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘থামলি কেন আরো মার, লেখাপড়া শিখেছিস বাপকে ঠ্যাঙাবি বলেই তো!’

নাগা দু’পা সামনে এসে আরো একটা ঘুষি বসালো। দাঁতে দাঁত ঘষে বললে, ‘চিরকাল সহ্য করবো? যা ইচ্ছে তাই? আমি বুঝি মানুষ না? আমার কোনো মানইজ্জত নেই’

আবুল হোসেন বললেন, ‘বাহ্, বাহ্-‘

ব্যাপারটা হয়তো আরো গড়াতো, বুলু এসে দাঁড়ালো মাঝখানে। সে রুখে উঠলে। নাগাকে ঠেলে নিয়ে গেল একপাশে। বললে, ‘লজ্জা করে না তোমাদের? লোকে বলবে কি? ছি, ছি!’

আবুল হোসেন বুঝলেন না তিরস্কারটা তাঁকে না নাগাকে। বুঝবার মতো মানসিক শৃঙ্খলা আবুল হোসেনের তখন ছিলোও না। তাঁর কপালের একটা পাশ দপদপ করছিলো তখনো। বেশ কিছু পরে কাঁধে অনুভব করলেন প্রচণ্ড ব্যথা। মাত্র কিছুক্ষণ আগে গ্রামের একটা সাঁকো ভেঙে হুড়মুড় করে পড়ে গিয়েছিলেন অনেক নিচে, এইমাত্র যেন উঠে এলেন, পুরো ঘটনাটা ধীরে ধীরে দুঃস্বপ্নের মতো মনে হতে থাকে তাঁর কাছে, শেষে ফিরে আসেন নিজের ঘরে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়ানিসের নতুন গন্তব্য কি মায়ামি? বাকস ছাড়ার জোর গুঞ্জনে সরগরম এনবিএ

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২৪)

১২:০০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

জোনাকি

রাগে অন্ধ হয়ে মরিয়মের দিকে তেড়ে যেতেই নাগা ঝাঁপিয়ে পড়ে আবুল হোসেনকে চেপে ধরলো। ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে এমনি করে হাড় গুঁড়ো করে দেবো’ এই বলে সে হাত মুচড়ে দিলো আবুল হোসেনের।

‘মারবি নাকি, মার মার!’

‘মারবোই তো, একশোবার মারবো’ একটা ঘুষি ছুঁড়লো নাগা অন্ধের মতো। আবুল হোসেন মেঝেয় চিত হয়ে পড়ে বললেন, ‘উপযুক্ত ছেলে বটে তুমি, মারো আরো মারো-‘

মরিয়ম দূরে সরে গিয়ে বললে, ‘শখ মিটেছে তো এবার, খুঁটে ঘা করো যেমন-‘

আবুল হোসেন উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘থামলি কেন আরো মার, লেখাপড়া শিখেছিস বাপকে ঠ্যাঙাবি বলেই তো!’

নাগা দু’পা সামনে এসে আরো একটা ঘুষি বসালো। দাঁতে দাঁত ঘষে বললে, ‘চিরকাল সহ্য করবো? যা ইচ্ছে তাই? আমি বুঝি মানুষ না? আমার কোনো মানইজ্জত নেই’

আবুল হোসেন বললেন, ‘বাহ্, বাহ্-‘

ব্যাপারটা হয়তো আরো গড়াতো, বুলু এসে দাঁড়ালো মাঝখানে। সে রুখে উঠলে। নাগাকে ঠেলে নিয়ে গেল একপাশে। বললে, ‘লজ্জা করে না তোমাদের? লোকে বলবে কি? ছি, ছি!’

আবুল হোসেন বুঝলেন না তিরস্কারটা তাঁকে না নাগাকে। বুঝবার মতো মানসিক শৃঙ্খলা আবুল হোসেনের তখন ছিলোও না। তাঁর কপালের একটা পাশ দপদপ করছিলো তখনো। বেশ কিছু পরে কাঁধে অনুভব করলেন প্রচণ্ড ব্যথা। মাত্র কিছুক্ষণ আগে গ্রামের একটা সাঁকো ভেঙে হুড়মুড় করে পড়ে গিয়েছিলেন অনেক নিচে, এইমাত্র যেন উঠে এলেন, পুরো ঘটনাটা ধীরে ধীরে দুঃস্বপ্নের মতো মনে হতে থাকে তাঁর কাছে, শেষে ফিরে আসেন নিজের ঘরে।