১১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে শ্রীলঙ্কায় বিদ্যুতের দাম প্রায় ৪০% বৃদ্ধি, আরও বাড়ার আশঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম ৪ ডলার ছাড়াল, চাপে ভোক্তা অর্থনীতি ইউরোপের ‘গানস বনাম বাটার’ সংকট তীব্রতর, ইরান যুদ্ধ নতুন চাপ তৈরি করেছে জ্বালানি সংকটে আবারও ‘কমিউনিটি প্যান্ট্রি’ আন্দোলন বাংলার ভোটার তালিকা থেকে মীর জাফরের ৩৪৬ বংশধর বাদ, নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত ফের ঊর্ধ্বমুখী সোনার বাজার: ভরিতে বাড়ল ৩,২৬৬ টাকা, ২২ ক্যারেট এখন ২,৪৪,৭১১ টাকা জ্বালানি সংকটে স্কুলে হাইব্রিড ক্লাস চালুর পরিকল্পনা, ষষ্ঠ দিনও বিবেচনায়: শিক্ষামন্ত্রী আজ মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে অনলাইন আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ঈদযাত্রায় ১৫ দিনে ৩৯৪ জনের মৃত্যু: মোটরসাইকেল সবচেয়ে মরণঘাতী বাহন

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২৪)

জোনাকি

রাগে অন্ধ হয়ে মরিয়মের দিকে তেড়ে যেতেই নাগা ঝাঁপিয়ে পড়ে আবুল হোসেনকে চেপে ধরলো। ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে এমনি করে হাড় গুঁড়ো করে দেবো’ এই বলে সে হাত মুচড়ে দিলো আবুল হোসেনের।

‘মারবি নাকি, মার মার!’

‘মারবোই তো, একশোবার মারবো’ একটা ঘুষি ছুঁড়লো নাগা অন্ধের মতো। আবুল হোসেন মেঝেয় চিত হয়ে পড়ে বললেন, ‘উপযুক্ত ছেলে বটে তুমি, মারো আরো মারো-‘

মরিয়ম দূরে সরে গিয়ে বললে, ‘শখ মিটেছে তো এবার, খুঁটে ঘা করো যেমন-‘

আবুল হোসেন উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘থামলি কেন আরো মার, লেখাপড়া শিখেছিস বাপকে ঠ্যাঙাবি বলেই তো!’

নাগা দু’পা সামনে এসে আরো একটা ঘুষি বসালো। দাঁতে দাঁত ঘষে বললে, ‘চিরকাল সহ্য করবো? যা ইচ্ছে তাই? আমি বুঝি মানুষ না? আমার কোনো মানইজ্জত নেই’

আবুল হোসেন বললেন, ‘বাহ্, বাহ্-‘

ব্যাপারটা হয়তো আরো গড়াতো, বুলু এসে দাঁড়ালো মাঝখানে। সে রুখে উঠলে। নাগাকে ঠেলে নিয়ে গেল একপাশে। বললে, ‘লজ্জা করে না তোমাদের? লোকে বলবে কি? ছি, ছি!’

আবুল হোসেন বুঝলেন না তিরস্কারটা তাঁকে না নাগাকে। বুঝবার মতো মানসিক শৃঙ্খলা আবুল হোসেনের তখন ছিলোও না। তাঁর কপালের একটা পাশ দপদপ করছিলো তখনো। বেশ কিছু পরে কাঁধে অনুভব করলেন প্রচণ্ড ব্যথা। মাত্র কিছুক্ষণ আগে গ্রামের একটা সাঁকো ভেঙে হুড়মুড় করে পড়ে গিয়েছিলেন অনেক নিচে, এইমাত্র যেন উঠে এলেন, পুরো ঘটনাটা ধীরে ধীরে দুঃস্বপ্নের মতো মনে হতে থাকে তাঁর কাছে, শেষে ফিরে আসেন নিজের ঘরে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে শ্রীলঙ্কায় বিদ্যুতের দাম প্রায় ৪০% বৃদ্ধি, আরও বাড়ার আশঙ্কা

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২৪)

১২:০০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

জোনাকি

রাগে অন্ধ হয়ে মরিয়মের দিকে তেড়ে যেতেই নাগা ঝাঁপিয়ে পড়ে আবুল হোসেনকে চেপে ধরলো। ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে এমনি করে হাড় গুঁড়ো করে দেবো’ এই বলে সে হাত মুচড়ে দিলো আবুল হোসেনের।

‘মারবি নাকি, মার মার!’

‘মারবোই তো, একশোবার মারবো’ একটা ঘুষি ছুঁড়লো নাগা অন্ধের মতো। আবুল হোসেন মেঝেয় চিত হয়ে পড়ে বললেন, ‘উপযুক্ত ছেলে বটে তুমি, মারো আরো মারো-‘

মরিয়ম দূরে সরে গিয়ে বললে, ‘শখ মিটেছে তো এবার, খুঁটে ঘা করো যেমন-‘

আবুল হোসেন উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘থামলি কেন আরো মার, লেখাপড়া শিখেছিস বাপকে ঠ্যাঙাবি বলেই তো!’

নাগা দু’পা সামনে এসে আরো একটা ঘুষি বসালো। দাঁতে দাঁত ঘষে বললে, ‘চিরকাল সহ্য করবো? যা ইচ্ছে তাই? আমি বুঝি মানুষ না? আমার কোনো মানইজ্জত নেই’

আবুল হোসেন বললেন, ‘বাহ্, বাহ্-‘

ব্যাপারটা হয়তো আরো গড়াতো, বুলু এসে দাঁড়ালো মাঝখানে। সে রুখে উঠলে। নাগাকে ঠেলে নিয়ে গেল একপাশে। বললে, ‘লজ্জা করে না তোমাদের? লোকে বলবে কি? ছি, ছি!’

আবুল হোসেন বুঝলেন না তিরস্কারটা তাঁকে না নাগাকে। বুঝবার মতো মানসিক শৃঙ্খলা আবুল হোসেনের তখন ছিলোও না। তাঁর কপালের একটা পাশ দপদপ করছিলো তখনো। বেশ কিছু পরে কাঁধে অনুভব করলেন প্রচণ্ড ব্যথা। মাত্র কিছুক্ষণ আগে গ্রামের একটা সাঁকো ভেঙে হুড়মুড় করে পড়ে গিয়েছিলেন অনেক নিচে, এইমাত্র যেন উঠে এলেন, পুরো ঘটনাটা ধীরে ধীরে দুঃস্বপ্নের মতো মনে হতে থাকে তাঁর কাছে, শেষে ফিরে আসেন নিজের ঘরে।